হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

শাহপরীর দ্বীপ থেকে বাস্তুচ্যুত ২৫০ পরিবারের পাশে সাবেক হুইপ শাহজাহান চৌধুরী

শহিদুল ইসলাম::

শহিদুল ইসলাম::

সোমবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ০৫:০৪ অপরাহ্ন

শাহপরীর দ্বীপে ভয়াবহ নদীভাঙনের শিকার হয়ে বাস্তুচ্যুত প্রায় ২৫০টি পরিবারের দুর্দশা প্রত্যক্ষ করতে কক্সবাজার-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও জাতীয় সংসদের সাবেক হুইপ জননেতা শাহজাহান চৌধুরী সোমবার সরেজমিনে উখিয়া উপজেলার কুতুপালং হাজমরোড এলাকা পরিদর্শন করেছেন।

এ উপলক্ষে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি বাস্তুচ্যুত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের বর্তমান অবস্থার খোঁজখবর নেন। সভায় রাজাপালং ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মীর শাহেদুল ইসলাম রোমান ও স্থানীয় ইউপি সদস্য হেলাল উদ্দিন উপস্থিত ছিলেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বাস্তুচ্যুত পরিবারগুলোর মধ্যে প্রায় ১৫০টি পরিবার আশ্রয় নিয়েছে রোহিঙ্গা ক্যাম্প-১ ইস্ট ও ২ ইস্ট-এর কাঁটাতারের ভেতরে, যেখানে স্বাভাবিক জীবনযাপন দুঃসাধ্য হয়ে পড়েছে। বাকি প্রায় ১০০টি পরিবার বসবাস করছে কুতুপালং হাজমরোড এলাকায় খোলা আকাশের নিচে কিংবা অস্থায়ী ছাউনিতে।

বাস্তুচ্যুত পরিবারগুলোর মধ্যে অধিকাংশই মৌলিক সেবা থেকে বঞ্চিত। স্বাস্থ্য, খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি এবং নিরাপদ আবাসনের পাশাপাশি সবচেয়ে বড় সমস্যা দেখা দিয়েছে শিশুদের শিক্ষার ক্ষেত্রে। জন্মনিবন্ধন না থাকায় এসব শিশুরা কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি হতে পারছে না, যা তাদের ভবিষ্যৎকে অন্ধকারের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।

আরও পড়ুন

বাংলাদেশে প্রথম দুর্গাপূজায় আমি মুগ্ধ: মার্কিন রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টেনসেন

মতবিনিময় সভায় শাহজাহান চৌধুরী সরাসরি শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার সাথে মুঠোফোনে কথা বলেন। এময় বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনার অনুরোধ জানান তিনি। একই সঙ্গে, স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

তিনি বলেন, “মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে বাস্তুচ্যুত এসব পরিবারের পাশে দাঁড়ানো এখন শুধু কর্তব্য নয়, এটি একটি সামাজিক দায়বদ্ধতা। সরকার ও প্রশাসনের সর্বোচ্চ পর্যায়ে বিষয়টি তুলে ধরার চেষ্টা করবো।”

স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, এটি শুধু একটি সাময়িক মানবিক সংকট নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদি পুনর্বাসন, শিক্ষা ও জীবিকার সুযোগ নিশ্চিত করার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে জরুরি হস্তক্ষেপ প্রয়োজন। দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ না নিলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে।

coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

শাহপরীর দ্বীপ থেকে বাস্তুচ্যুত ২৫০ পরিবারের পাশে সাবেক হুইপ শাহজাহান চৌধুরী

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

শাহপরীর দ্বীপ থেকে বাস্তুচ্যুত ২৫০ পরিবারের পাশে সাবেক হুইপ শাহজাহান চৌধুরী

প্রতিবেদক: শহিদুল ইসলাম:: | প্রকাশিত: সোমবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ০৫:০৪ অপরাহ্ন
Print Image
শাহপরীর দ্বীপে ভয়াবহ নদীভাঙনের শিকার হয়ে বাস্তুচ্যুত প্রায় ২৫০টি পরিবারের দুর্দশা প্রত্যক্ষ করতে কক্সবাজার-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও জাতীয় সংসদের সাবেক হুইপ জননেতা শাহজাহান চৌধুরী সোমবার সরেজমিনে উখিয়া উপজেলার কুতুপালং হাজমরোড এলাকা পরিদর্শন করেছেন। এ উপলক্ষে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি বাস্তুচ্যুত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের বর্তমান অবস্থার খোঁজখবর নেন। সভায় রাজাপালং ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মীর শাহেদুল ইসলাম রোমান ও স্থানীয় ইউপি সদস্য হেলাল উদ্দিন উপস্থিত ছিলেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বাস্তুচ্যুত পরিবারগুলোর মধ্যে প্রায় ১৫০টি পরিবার আশ্রয় নিয়েছে রোহিঙ্গা ক্যাম্প-১ ইস্ট ও ২ ইস্ট-এর কাঁটাতারের ভেতরে, যেখানে স্বাভাবিক জীবনযাপন দুঃসাধ্য হয়ে পড়েছে। বাকি প্রায় ১০০টি পরিবার বসবাস করছে কুতুপালং হাজমরোড এলাকায় খোলা আকাশের নিচে কিংবা অস্থায়ী ছাউনিতে। বাস্তুচ্যুত পরিবারগুলোর মধ্যে অধিকাংশই মৌলিক সেবা থেকে বঞ্চিত। স্বাস্থ্য, খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি এবং নিরাপদ আবাসনের পাশাপাশি সবচেয়ে বড় সমস্যা দেখা দিয়েছে শিশুদের শিক্ষার ক্ষেত্রে। জন্মনিবন্ধন না থাকায় এসব শিশুরা কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি হতে পারছে না, যা তাদের ভবিষ্যৎকে অন্ধকারের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। মতবিনিময় সভায় শাহজাহান চৌধুরী সরাসরি শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার সাথে মুঠোফোনে কথা বলেন। এময় বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনার অনুরোধ জানান তিনি। একই সঙ্গে, স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। তিনি বলেন, “মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে বাস্তুচ্যুত এসব পরিবারের পাশে দাঁড়ানো এখন শুধু কর্তব্য নয়, এটি একটি সামাজিক দায়বদ্ধতা। সরকার ও প্রশাসনের সর্বোচ্চ পর্যায়ে বিষয়টি তুলে ধরার চেষ্টা করবো।” স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, এটি শুধু একটি সাময়িক মানবিক সংকট নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদি পুনর্বাসন, শিক্ষা ও জীবিকার সুযোগ নিশ্চিত করার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে জরুরি হস্তক্ষেপ প্রয়োজন। দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ না নিলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে।

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×