ঝিনাইদহ, ২ মার্চ – ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটের নিরঙ্কুশ বিজয়ের পর এখন রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে সংরক্ষিত নারী আসন।
জাতীয় সংসদে ৫০টি সংরক্ষিত নারী আসনের বণ্টন ও মনোনয়ন নিয়ে শুরু হয়েছে নানামুখী সমীকরণ। এই প্রেক্ষাপটে ঝিনাইদহ থেকে সংরক্ষিত আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশীদের দৌড়ে বেশ এগিয়ে রয়েছেন জেলা মহিলা দলের সভানেত্রী ও শিক্ষাবিদ অধ্যক্ষ কামরুন নাহার লিজি।
ফ্রান্সে জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির প্রতিবাদে বিক্ষোভে ৫ লাখ ৭৫ হাজার মানুষ
দলীয় সূত্রে জানা গেছে যে এবার সংরক্ষিত আসনে মনোনয়নের ক্ষেত্রে বিএনপির হাইকমান্ড দলের দীর্ঘদিনের ত্যাগী ও রাজপথের সক্রিয় কর্মীদের অগ্রাধিকার দিচ্ছে। পাশাপাশি শিক্ষিত ও অসাম্প্রদায়িক ভাবমূর্তির নেত্রীদের বিশেষ বিবেচনায় রাখা হচ্ছে। এই মানদণ্ড বিবেচনায় ঝিনাইদহে বর্তমানে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় রয়েছেন জেলা মহিলা দলের সভানেত্রী এবং জেলা বিএনপির মহিলা বিষয়ক সম্পাদক কামরুন নাহার লিজি।
ঝিনাইদহ শহরতলীর মুক্তিযোদ্ধা মসিউর রহমান ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ কামরুন নাহার বিগত আওয়ামী শাসনামলে রাজপথের প্রতিটি আন্দোলনে সম্মুখসারির যোদ্ধা হিসেবে ভূমিকা পালন করেছেন। মিছিল ও মিটিংয়ে সক্রিয় অংশগ্রহণের কারণে তাকে এবং তার পরিবারকে চরম রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হতে হয়েছে। তবুও দলের আদর্শ থেকে তিনি এবং তার পরিবার বিচ্যুত হননি। এই নারী নেত্রীর রাজনৈতিক জীবনে রয়েছে দীর্ঘ সংগ্রামের ইতিহাস।
তিনি তৎকালীন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সরকারের রোষানলে পড়ে ২০০৮ সালে রাষ্ট্রদ্রোহী মামলার শিকার হন। পরবর্তীতে ২০১৩ সালে দলীয় কর্মসূচি পালন করতে গিয়ে তিনি গুরুতর আহত হন এবং একই বছর তাকে অবৈধভাবে চাকরি থেকে বহিষ্কার করা হয়। দীর্ঘ চার বছর চাকরিচ্যুত থাকাকালীন সময়েও বিএনপির সকল আন্দোলন ও সংগ্রামে তিনি সক্রিয়ভাবে অংশ নেন।
বিশেষ করে নারীদের অধিকার আদায় এবং সমাজের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জন্য কাজ করে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।
এম ম/ ২ মার্চ ২০২৬




মন্তব্য করুন