হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

সড়ক দুর্ঘটনায় দৈনিক ১৪ জনের মৃত্যু

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

রবিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৩, ০৩:০৭ অপরাহ্ন


ঢাকা, ২২ অক্টোবর – দেশে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রতিদিন গড়ে ১৪ জনের মৃত্যু হচ্ছে। এর মধ্যে দুজনের বেশি মোটরসাইকেল চালক বা আরোহী রয়েছেন। আজ রবিবার নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) সংগঠনের ১১ বছরের (২০১২ থেকে ২০২২) বার্ষিক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

তথ্যানুযায়ী ২০১২-২০২২ সাল পর্যন্ত সারাদেশে মোট ৩৭ হাজার ৮৪৭টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৫৭ হাজার ৭০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া আহত হয়েছেন ৮৭ হাজার ৬৬৭ জন।

আরও পড়ুন

ভারতের বিপক্ষে হোম সিরিজ না থাকায় ৬২৭ কোটি রুপি পর্যন্ত লোকসানের শঙ্কায় ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ড

পাশাপাশি গত ৫ বছরে (২০১৮-২০২২) সড়ক দুর্ঘটনায় পরিবহন চালকের মৃত্যুর আলাদা প্রতিবেদন প্রকাশ করছে নিসচা। এতে দেখা গেছে, ওই সময়ে সারাদেশে সড়ক দুর্ঘটনায় ৭ হাজার ৩৩ জন চালক-শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে মোট মৃত্যুর চার হাজার ৫৯৫ জন মোটরসাইকেল চালক বা আরোহী।

এ ছাড়া বাসের চালক ও সহকারী রয়েছে ২১৬ জন, ট্রাকের চালক ও সহকারী ৩৯২ জন এবং প্রাইভেট কার-মাইক্রোবাস, পিকআপ ভ্যানসহ অন্যান্য যানের এক হাজার ৮২০ জন চালক ও শ্রমিক মারা গেছেন।

নিসচার তথ্য বলছে, ৫ বছর ধরে ধারাবাহিকভাবে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় মৃত্যু বাড়ছে। ২০১৮ সালে যেখানে মৃত্যুর সংখ্যা ছিল ১৬০, সেখানে ২০২২ সালে এসে সেই সংখ্যা দাঁড়িয়েছে এক হাজার ৬১৮। পাঁচ বছরে দুর্ঘটনায় ২১৬ জন বাসের চালক ও শ্রমিক মারা গেছেন। আবার বাসের চেয়ে ট্রাকে চালকের মৃত্যু বেশি। এ সময় ৩৯২ জন ট্রাকচালক ও শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে।

এ বিষয়ে যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরী বলেন, সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয়ে নানান ইউনিটে প্রতিবছর ৩০ থেকে ৩৫ হাজার কোটি টাকার বাজেট বরাদ্দ থাকে। কিন্তু সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে মন্ত্রণালয়ে কোনো গবেষক বা বরাদ্দ নেই। চালকের বেতন ও কর্মঘণ্টা সুনির্দিষ্ট করা দরকার। যান্ত্রিক ও অযান্ত্রিক যানবাহন আলাদা করা জরুরি।

চালকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা গেলে এবং ই-ট্রাফিকিং সিস্টেম চালু হলে সড়কে দুর্ঘটনা ৮০ শতাংশ কমে আসবে বলে মনে করেন যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব।

নিসচার চেয়ারম্যান ইলিয়াস কাঞ্চন বলেন, মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার কারণগুলো সহজে বোঝা যায়। কিন্তু পণ্যবাহী ট্রাক তো এমনিতেই ধীরগতিতে চলে। এতে কেন এত মৃত্যু সেটা নিয়ে আলাদা গবেষণা দরকার।

তবে সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যুর এই এক পরিসংখ্যানই যে চূড়ান্ত, তা কিন্তু নয়। দেশে একাধিক সংগঠন সড়ক দুর্ঘটনা নিয়ে প্রতিবেদন তৈরি করে থাকে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে দেখা যায়, বিভিন্ন জাতীয় ও স্থানীয় পত্রিকা থেকে সড়ক দুর্ঘটনার তথ্য সংগ্রহ করে প্রতিবেদন তৈরি করা হয়। আর এক সংগঠনের পরিসংখ্যানের আরেক সংগঠনের পরিসংখ্যানের খুব একটা মিল পাওয়া যায় না।

সূত্র: আমাদের সময়
আইএ/ ২২ অক্টোবর ২০২৩

coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

সড়ক দুর্ঘটনায় দৈনিক ১৪ জনের মৃত্যু

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

সড়ক দুর্ঘটনায় দৈনিক ১৪ জনের মৃত্যু

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: রবিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৩, ০৩:০৭ অপরাহ্ন
Print Image
[ad_1] ঢাকা, ২২ অক্টোবর – দেশে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রতিদিন গড়ে ১৪ জনের মৃত্যু হচ্ছে। এর মধ্যে দুজনের বেশি মোটরসাইকেল চালক বা আরোহী রয়েছেন। আজ রবিবার নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) সংগঠনের ১১ বছরের (২০১২ থেকে ২০২২) বার্ষিক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। তথ্যানুযায়ী ২০১২-২০২২ সাল পর্যন্ত সারাদেশে মোট ৩৭ হাজার ৮৪৭টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৫৭ হাজার ৭০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া আহত হয়েছেন ৮৭ হাজার ৬৬৭ জন। পাশাপাশি গত ৫ বছরে (২০১৮-২০২২) সড়ক দুর্ঘটনায় পরিবহন চালকের মৃত্যুর আলাদা প্রতিবেদন প্রকাশ করছে নিসচা। এতে দেখা গেছে, ওই সময়ে সারাদেশে সড়ক দুর্ঘটনায় ৭ হাজার ৩৩ জন চালক-শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে মোট মৃত্যুর চার হাজার ৫৯৫ জন মোটরসাইকেল চালক বা আরোহী। এ ছাড়া বাসের চালক ও সহকারী রয়েছে ২১৬ জন, ট্রাকের চালক ও সহকারী ৩৯২ জন এবং প্রাইভেট কার-মাইক্রোবাস, পিকআপ ভ্যানসহ অন্যান্য যানের এক হাজার ৮২০ জন চালক ও শ্রমিক মারা গেছেন। নিসচার তথ্য বলছে, ৫ বছর ধরে ধারাবাহিকভাবে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় মৃত্যু বাড়ছে। ২০১৮ সালে যেখানে মৃত্যুর সংখ্যা ছিল ১৬০, সেখানে ২০২২ সালে এসে সেই সংখ্যা দাঁড়িয়েছে এক হাজার ৬১৮। পাঁচ বছরে দুর্ঘটনায় ২১৬ জন বাসের চালক ও শ্রমিক মারা গেছেন। আবার বাসের চেয়ে ট্রাকে চালকের মৃত্যু বেশি। এ সময় ৩৯২ জন ট্রাকচালক ও শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। এ বিষয়ে যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরী বলেন, সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয়ে নানান ইউনিটে প্রতিবছর ৩০ থেকে ৩৫ হাজার কোটি টাকার বাজেট বরাদ্দ থাকে। কিন্তু সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে মন্ত্রণালয়ে কোনো গবেষক বা বরাদ্দ নেই। চালকের বেতন ও কর্মঘণ্টা সুনির্দিষ্ট করা দরকার। যান্ত্রিক ও অযান্ত্রিক যানবাহন আলাদা করা জরুরি। চালকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা গেলে এবং ই-ট্রাফিকিং সিস্টেম চালু হলে সড়কে দুর্ঘটনা ৮০ শতাংশ কমে আসবে বলে মনে করেন যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব। নিসচার চেয়ারম্যান ইলিয়াস কাঞ্চন বলেন, মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার কারণগুলো সহজে বোঝা যায়। কিন্তু পণ্যবাহী ট্রাক তো এমনিতেই ধীরগতিতে চলে। এতে কেন এত মৃত্যু সেটা নিয়ে আলাদা গবেষণা দরকার। তবে সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যুর এই এক পরিসংখ্যানই যে চূড়ান্ত, তা কিন্তু নয়। দেশে একাধিক সংগঠন সড়ক দুর্ঘটনা নিয়ে প্রতিবেদন তৈরি করে থাকে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে দেখা যায়, বিভিন্ন জাতীয় ও স্থানীয় পত্রিকা থেকে সড়ক দুর্ঘটনার তথ্য সংগ্রহ করে প্রতিবেদন তৈরি করা হয়। আর এক সংগঠনের পরিসংখ্যানের আরেক সংগঠনের পরিসংখ্যানের খুব একটা মিল পাওয়া যায় না। সূত্র: আমাদের সময়আইএ/ ২২ অক্টোবর ২০২৩

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×