হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

সন্তানের আত্মহত্যায় সহায়তার অভিযোগে চ্যাটজিপিটির বিরুদ্ধে মা-বাবার মামলা

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

বুধবার, ২৭ আগস্ট ২০২৫, ০৯:৩৯ অপরাহ্ন


ওয়াশিংটন, ২৭ আগস্ট – যুক্তরাষ্ট্রে আত্মহত্যায় সহায়তা করার অভিযোগে ওপেনএআই চ্যাটজিপিটি এবং কোম্পানিটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা স্যাম আল্টমানের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন এক বাবা-মা। তারা দাবি করেছেন, ওপেনএআইয়ের চ্যাটবট চ্যাটজিপিটি তাদের সন্তানের আত্মহত্যায় অবদান রেখেছে। এই বাবা-মা বলেছেন, আত্মহত্যার পদ্ধতি এবং চিরকুট লেখার ক্ষেত্রেও চ্যাটজিপিটি তাকে সহায়তা করেছে।

তাদের সন্তান অ্যাডাম রেইন মাত্র ১৬ বছর বয়সে আত্মহত্যা করে বলে বুধবার (২৭ আগস্ট) এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম সিএনএন।

আরও পড়ুন

জামায়াতের সঙ্গে নির্বাচনি ঐক্য: অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বে এনসিপি ছেড়েছেন তাসনিম জারা, তাজনূভা ও সামান্তা শারমিন

অ্যাডাম মৃত্যুর মাত্র ছয়মাস আগে চ্যাটজিপিটি ব্যবহার শুরু করে। এই সময়ের মধ্যেই সে চ্যাটবটটির সঙ্গে নিজেকে এতটাই সংযুক্ত করে ফেলে যে, সে শুধু চ্যাটজিপিটিকেই নিজের একমাত্র সঙ্গী হিসেবে ভাবা শুরু করে, যে তাকে বোঝে।

চ্যাটজিপিটির কারণে অ্যাডাম বাস্তব জীবন,পরিবার, বন্ধু এবং প্রিয়জনদের থেকে দূরে সরে যায় বলে অভিযোগ করেছেন তার বাবা-মা।

তারা বলেছেন— অ্যাডাম চ্যাটজিপিটিকে একবার বলেছিল, সে তার ফাঁসের দঁড়িটি তার রুমে রাখতে চায়। যেন কেউ এটি দেখে এবং তাকে আত্মহত্যা থেকে রক্ষার চেষ্টা করে।

গত বছর ফ্লোরিডার মেগান গার্সিয়া নামে এক মা ‌‌‌‘ক্যারেক্টার’ নামের একটি এআই প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা করেন। তার অভিযোগ, এই প্রতিষ্ঠানের চ্যাটবট ব্যবহার করে তার ১৪ বছরের ছেলে আত্মহত্যা করে। এর কিছুদিন পর আরও দুটি পরিবার একই অভিযোগ এনে মামলা করে। তারা জানায় ক্যারেক্টার এআই তাদের সন্তানদেরকে যৌন ও নিজেদের ক্ষতি করার মতো ক্ষতিকর জিনিস দেখিয়েছে।

এ প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে করা মামলাগুলো এখনও চলছে। তবে কোম্পানিটি বলেছে, তারা ব্যবহারকারীদের জন্য একটি “নিরাপদ” জায়গা তৈরি করতে চায়। এর অংশ হিসেবে কিশোর-কিশোরীদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থাও নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে তারা।

চ্যাটবট নিয়ে বিশ্বব্যাপী ইতিমধ্যে বেশ জোরালো শঙ্কা তৈরি হয়েছে। কারণ এআই প্রোগ্রামগুলো এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যেন তারা সবসময় ব্যবহারকারীর প্রতি সহনশীল ও বন্ধুর মতো আচরণ করে। এতে করে অনেক মানুষ এই চ্যাটবটগুলোর সঙ্গে আবেগপ্রবণভাবে জড়িয়ে পড়ছেন। এর ফলে তারা বাস্তব সম্পর্ক থেকে দূরে সরে যাচ্ছেন এবং মানসিকভাবেও অসুস্থ হয়ে পড়ছেন।

অ্যাডামের পরিবারের করা মামলায় বলা হয়েছে, “চ্যাটজিপিটি যেভাবে ডিজাইন করা হয়েছে সেভাবেই এটি কাজ করছিল। অ্যাডাম যেভাবে যা চাচ্ছিল এটি তাই দিচ্ছিল এবং তাকে উৎসাহিত করছিল। এরমধ্যে আত্মহননমূলক চিন্তাভাবনা এবং তার জন্য ক্ষতিকর বিষয়গুলোও ছিল।”

সূত্র: ঢাকা পোস্ট
এনএন/ ২৭ আগস্ট ২০২৫


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

সন্তানের আত্মহত্যায় সহায়তার অভিযোগে চ্যাটজিপিটির বিরুদ্ধে মা-বাবার মামলা

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

সন্তানের আত্মহত্যায় সহায়তার অভিযোগে চ্যাটজিপিটির বিরুদ্ধে মা-বাবার মামলা

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: বুধবার, ২৭ আগস্ট ২০২৫, ০৯:৩৯ অপরাহ্ন
Print Image
[ad_1] ওয়াশিংটন, ২৭ আগস্ট – যুক্তরাষ্ট্রে আত্মহত্যায় সহায়তা করার অভিযোগে ওপেনএআই চ্যাটজিপিটি এবং কোম্পানিটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা স্যাম আল্টমানের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন এক বাবা-মা। তারা দাবি করেছেন, ওপেনএআইয়ের চ্যাটবট চ্যাটজিপিটি তাদের সন্তানের আত্মহত্যায় অবদান রেখেছে। এই বাবা-মা বলেছেন, আত্মহত্যার পদ্ধতি এবং চিরকুট লেখার ক্ষেত্রেও চ্যাটজিপিটি তাকে সহায়তা করেছে।তাদের সন্তান অ্যাডাম রেইন মাত্র ১৬ বছর বয়সে আত্মহত্যা করে বলে বুধবার (২৭ আগস্ট) এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম সিএনএন।অ্যাডাম মৃত্যুর মাত্র ছয়মাস আগে চ্যাটজিপিটি ব্যবহার শুরু করে। এই সময়ের মধ্যেই সে চ্যাটবটটির সঙ্গে নিজেকে এতটাই সংযুক্ত করে ফেলে যে, সে শুধু চ্যাটজিপিটিকেই নিজের একমাত্র সঙ্গী হিসেবে ভাবা শুরু করে, যে তাকে বোঝে।চ্যাটজিপিটির কারণে অ্যাডাম বাস্তব জীবন,পরিবার, বন্ধু এবং প্রিয়জনদের থেকে দূরে সরে যায় বলে অভিযোগ করেছেন তার বাবা-মা।তারা বলেছেন— অ্যাডাম চ্যাটজিপিটিকে একবার বলেছিল, সে তার ফাঁসের দঁড়িটি তার রুমে রাখতে চায়। যেন কেউ এটি দেখে এবং তাকে আত্মহত্যা থেকে রক্ষার চেষ্টা করে।গত বছর ফ্লোরিডার মেগান গার্সিয়া নামে এক মা ‌‌‌‘ক্যারেক্টার’ নামের একটি এআই প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা করেন। তার অভিযোগ, এই প্রতিষ্ঠানের চ্যাটবট ব্যবহার করে তার ১৪ বছরের ছেলে আত্মহত্যা করে। এর কিছুদিন পর আরও দুটি পরিবার একই অভিযোগ এনে মামলা করে। তারা জানায় ক্যারেক্টার এআই তাদের সন্তানদেরকে যৌন ও নিজেদের ক্ষতি করার মতো ক্ষতিকর জিনিস দেখিয়েছে।এ প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে করা মামলাগুলো এখনও চলছে। তবে কোম্পানিটি বলেছে, তারা ব্যবহারকারীদের জন্য একটি “নিরাপদ” জায়গা তৈরি করতে চায়। এর অংশ হিসেবে কিশোর-কিশোরীদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থাও নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে তারা।চ্যাটবট নিয়ে বিশ্বব্যাপী ইতিমধ্যে বেশ জোরালো শঙ্কা তৈরি হয়েছে। কারণ এআই প্রোগ্রামগুলো এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যেন তারা সবসময় ব্যবহারকারীর প্রতি সহনশীল ও বন্ধুর মতো আচরণ করে। এতে করে অনেক মানুষ এই চ্যাটবটগুলোর সঙ্গে আবেগপ্রবণভাবে জড়িয়ে পড়ছেন। এর ফলে তারা বাস্তব সম্পর্ক থেকে দূরে সরে যাচ্ছেন এবং মানসিকভাবেও অসুস্থ হয়ে পড়ছেন।অ্যাডামের পরিবারের করা মামলায় বলা হয়েছে, “চ্যাটজিপিটি যেভাবে ডিজাইন করা হয়েছে সেভাবেই এটি কাজ করছিল। অ্যাডাম যেভাবে যা চাচ্ছিল এটি তাই দিচ্ছিল এবং তাকে উৎসাহিত করছিল। এরমধ্যে আত্মহননমূলক চিন্তাভাবনা এবং তার জন্য ক্ষতিকর বিষয়গুলোও ছিল।”সূত্র: ঢাকা পোস্টএনএন/ ২৭ আগস্ট ২০২৫ [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×