হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

সভা-সমাবেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ গণবিরোধী সিদ্ধান্ত

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

শুক্রবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২৩, ০২:০৭ পূর্বাহ্ন


ঢাকা, ১৪ ডিসেম্বর – জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগ পর্যন্ত রাজনৈতিক দলের সভা-সমাবেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে জামায়াতে ইসলামী।

বৃহস্পতিবার (১৪ ডিসেম্বর) রাতে দলটির কেন্দ্রীয় প্রচার বিভাগের সদস্য মুজিবুল আলম স্বাক্ষরিত বিবৃতিতে ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা এটিএম মা’ছুম বলেন, ১৮ ডিসেম্বর থেকে জাতীয় নির্বাচনের ভোটগ্রহণের আগ পর্যন্ত সরকারের তল্পিবাহক নির্বাচন কমিশন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে চিঠি দিয়েছে যেন ভোটের প্রচার ছাড়া অন্য কোনো রাজনৈতিক কর্মসূচি অর্থাৎ মিটিং-মিছিল আয়োজনের অনুমতি দেওয়া না হয়। আজ্ঞাবহ নির্বাচন কমিশনের এটি একটি গণবিরোধী সিদ্ধান্ত।

বাংলাদেশের সংবিধান সব নাগরিককে মিটিং-মিছিল ও সভা-সমাবেশ করার অধিকার দিয়েছে। এই অধিকার কোনো সময়ের জন্য স্থগিত বা খর্ব করার কোনো এখতিয়ার কাউকে দেয়নি। সংবিধান অনুযায়ী জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হলে তখন সংবিধানের কয়েকটি ধারা স্থগিত হয়ে যায়। আমাদের জানামতে, বাংলাদেশে জরুরি অবস্থা ঘোষিত হয়নি। নির্বাচন কমিশন এই ধরনের আবদার করে সংবিধান লঙ্ঘন করেছেন। গণতান্ত্রিক বিশ্বে এর কোনো নজির নেই। আমরা আজ্ঞাবহ নির্বাচন কমিশনের সংবিধান ও গণতন্ত্র বিরোধী সিদ্ধান্তের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

আরও পড়ুন

ফ্রান্সে জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির প্রতিবাদে বিক্ষোভে ৫ লাখ ৭৫ হাজার মানুষ

তিনি আরও বলেন, দেশবাসী মনে করে আওয়ামী লীগের ভোটারবিহীন একতরফা ও ভাগ-বাটোয়ারা নির্বাচনের অপচেষ্টাকে পৃষ্ঠপোষকতা দিতেই বিতর্কিত ও গণধিকৃত নির্বাচন কমিশন এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ফ্যাসিস্ট সরকার বিরোধীদলকে নির্বাচন থেকে দূরে রাখতে নানা ছক কষছে এবং সেই আলোকে আজ্ঞাবহ নির্বাচন কমিশনারের মাধ্যমে গণবিরোধী নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা করিয়েছে। মূলত: আওয়ামী লীগকে বিনা ভোটে আবারো ক্ষমতায় বসানোর জন্যই এ তফসিল ঘোষণা করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের সভা-সমাবেশের উপর নিষেধাজ্ঞায় আবারো প্রমাণিত হলো তারা পক্ষপাতদুষ্ট।

তিনি বলেন, কমিশনের এই দুরভিসন্ধি একাধারে অনৈতিক, অবৈধ ও অসাংবিধানিক। দেশবাসী আজ্ঞাবহ নির্বাচন কমিশনের এই অন্যায় সিদ্ধান্তকে ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করছে। গণতন্ত্রকে সংকুচিত করার এই অশুভ পাঁয়তারা বাংলাদেশের চলমান রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও অস্থিতিশীল করে তুলবে। জামায়াতসহ বিরোধীদলের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার চলমান আন্দোলন সংবিধান স্বীকৃত গণতান্ত্রিক অধিকার। এই অধিকারে বাধা দেয়ার এখতিয়ার কারো নেই। আমর আশা করছি দেশ ও জাতির বৃহত্তর স্বার্থে এই গণবিরোধী সিদ্ধান্ত থেকে কমিশন সরে আসবে।

সূ‌ত্র: ঢাকা পোস্ট
আইএ/ ১৪ ডিসেম্বর ২০২৩

coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

সভা-সমাবেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ গণবিরোধী সিদ্ধান্ত

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

সভা-সমাবেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ গণবিরোধী সিদ্ধান্ত

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২৩, ০২:০৭ পূর্বাহ্ন
Print Image
[ad_1] ঢাকা, ১৪ ডিসেম্বর – জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগ পর্যন্ত রাজনৈতিক দলের সভা-সমাবেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। বৃহস্পতিবার (১৪ ডিসেম্বর) রাতে দলটির কেন্দ্রীয় প্রচার বিভাগের সদস্য মুজিবুল আলম স্বাক্ষরিত বিবৃতিতে ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা এটিএম মা’ছুম বলেন, ১৮ ডিসেম্বর থেকে জাতীয় নির্বাচনের ভোটগ্রহণের আগ পর্যন্ত সরকারের তল্পিবাহক নির্বাচন কমিশন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে চিঠি দিয়েছে যেন ভোটের প্রচার ছাড়া অন্য কোনো রাজনৈতিক কর্মসূচি অর্থাৎ মিটিং-মিছিল আয়োজনের অনুমতি দেওয়া না হয়। আজ্ঞাবহ নির্বাচন কমিশনের এটি একটি গণবিরোধী সিদ্ধান্ত। বাংলাদেশের সংবিধান সব নাগরিককে মিটিং-মিছিল ও সভা-সমাবেশ করার অধিকার দিয়েছে। এই অধিকার কোনো সময়ের জন্য স্থগিত বা খর্ব করার কোনো এখতিয়ার কাউকে দেয়নি। সংবিধান অনুযায়ী জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হলে তখন সংবিধানের কয়েকটি ধারা স্থগিত হয়ে যায়। আমাদের জানামতে, বাংলাদেশে জরুরি অবস্থা ঘোষিত হয়নি। নির্বাচন কমিশন এই ধরনের আবদার করে সংবিধান লঙ্ঘন করেছেন। গণতান্ত্রিক বিশ্বে এর কোনো নজির নেই। আমরা আজ্ঞাবহ নির্বাচন কমিশনের সংবিধান ও গণতন্ত্র বিরোধী সিদ্ধান্তের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। তিনি আরও বলেন, দেশবাসী মনে করে আওয়ামী লীগের ভোটারবিহীন একতরফা ও ভাগ-বাটোয়ারা নির্বাচনের অপচেষ্টাকে পৃষ্ঠপোষকতা দিতেই বিতর্কিত ও গণধিকৃত নির্বাচন কমিশন এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ফ্যাসিস্ট সরকার বিরোধীদলকে নির্বাচন থেকে দূরে রাখতে নানা ছক কষছে এবং সেই আলোকে আজ্ঞাবহ নির্বাচন কমিশনারের মাধ্যমে গণবিরোধী নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা করিয়েছে। মূলত: আওয়ামী লীগকে বিনা ভোটে আবারো ক্ষমতায় বসানোর জন্যই এ তফসিল ঘোষণা করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের সভা-সমাবেশের উপর নিষেধাজ্ঞায় আবারো প্রমাণিত হলো তারা পক্ষপাতদুষ্ট। তিনি বলেন, কমিশনের এই দুরভিসন্ধি একাধারে অনৈতিক, অবৈধ ও অসাংবিধানিক। দেশবাসী আজ্ঞাবহ নির্বাচন কমিশনের এই অন্যায় সিদ্ধান্তকে ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করছে। গণতন্ত্রকে সংকুচিত করার এই অশুভ পাঁয়তারা বাংলাদেশের চলমান রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও অস্থিতিশীল করে তুলবে। জামায়াতসহ বিরোধীদলের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার চলমান আন্দোলন সংবিধান স্বীকৃত গণতান্ত্রিক অধিকার। এই অধিকারে বাধা দেয়ার এখতিয়ার কারো নেই। আমর আশা করছি দেশ ও জাতির বৃহত্তর স্বার্থে এই গণবিরোধী সিদ্ধান্ত থেকে কমিশন সরে আসবে। সূ‌ত্র: ঢাকা পোস্টআইএ/ ১৪ ডিসেম্বর ২০২৩

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×