হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

সালমান শাহ হত্যা মামলার আলোচিত আসামি কে এই আজিজ মোহাম্মদ ভাই

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

বুধবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৫, ০১:২০ অপরাহ্ন


ঢাকা, ২৯ অক্টোবর – বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় নাম সালমান শাহ। মাত্র ২৫ বছর বয়সে তার মৃত্যু দেশের লাখো দর্শককে শোকাহত করেছিল। ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর ঢাকার ইস্কাটনের বাসায় রহস্যজনকভাবে তার লাশ ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। যেটিকে ‘অপমৃত্যু’ বলে উল্লেখ করা হয়েছিল। তবে সেটি এবার নতুন মোড় নিয়েছে। দীর্ঘ ২৯ বছর পর মামলাটি রূপ নিয়েছে হত্যা মামলায়।

সালমান শাহ হত্যা মামলায় সর্বমোট ১১ জনকে আসামি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। হত্যা মামলায় প্রধান আসামি নায়কের সাবেক স্ত্রী সামিরা হক। অন্য ১০ আসামির মধ্যে প্রযোজক আজিজ মোহাম্মদ ভাইও রয়েছেন। কিন্তু কে এই আজিজ মোহাম্মদ ভাই? নামের শেষে ‘ভাই’ থাকায় অনেকেই ধরে নেন তিনি কোনো গডফাদার বা মাফিয়া ডনের সঙ্গে যুক্ত। সত্যিটা একটু ভিন্ন। আসলে ‘ভাই’ শব্দটি তার পরিবারের বংশপদবী। তার বাবার নাম মোহাম্মদ ভাই, মায়ের নাম খাদিজা মোহাম্মদ ভাই। এমনকি নারীদের নামেও ‘ভাই’ আছে।

আরও পড়ুন

নারায়ণগঞ্জে পুলিশ সদস্যকে পিটিয়ে হাত-পা ভাঙল ও রগ কাটল মাদক কারবারিরা

আজিজ মোহাম্মদ ভাইয়ের পরিবার ১৯৪৭ সালে ভারতের গুজরাট থেকে পূর্ব পাকিস্তানে (বর্তমান বাংলাদেশ) আসে। পরিবার পারস্য বংশোদ্ভূত এবং ‘বাহাইয়ান’ সম্প্রদায়ের। উপমহাদেশের উচ্চারণে ‘বাহাই’ পরবর্তীতে ‘ভাই’ হয়ে গেছে।

পরিবারের আর্থিক অবস্থান সমৃদ্ধ। পুরান ঢাকায় বসবাস শুরু করা এই পরিবার ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ডে সক্রিয়। আজিজ মোহাম্মদ ভাই ১৯৬২ সালে জন্মগ্রহণ করেন, আরমানিটোলায়। তিনি নিজে ব্যবসা শুরু করেন এবং ধীরে ধীরে সম্পদ বৃদ্ধি পায়। তার ব্যবসা বিস্তৃত ঢাকা, মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড, হংকং ও সিঙ্গাপুরে হোটেল ও রিসোর্ট পর্যন্ত। তবে মাদক ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত থাকার প্রমাণও আছে।

ব্যবসার পাশাপাশি ৯০-এর দশকে আজিজ মোহাম্মদ ভাই এমবি ফিল্মসের ব্যানারে চলচ্চিত্র প্রযোজনায় আসেন। তার অধীনে ৫০টির মতো চলচ্চিত্র প্রযোজিত হয়েছে। দেশের বিজ্ঞাপন জগতে গ্ল্যামার আনতেও তার অবদান উল্লেখযোগ্য।

বর্তমানে আজিজ মোহাম্মদ ভাই সপরিবারে থাইল্যান্ডে বসবাস করেন এবং সেখানে থেকেই ব্যবসা পরিচালনা করেন। স্ত্রী নওরিন মোহাম্মদ ভাই দেশে এসে ব্যবসা দেখেন।

এনএন


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

সালমান শাহ হত্যা মামলার আলোচিত আসামি কে এই আজিজ মোহাম্মদ ভাই

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

সালমান শাহ হত্যা মামলার আলোচিত আসামি কে এই আজিজ মোহাম্মদ ভাই

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৫, ০১:২০ অপরাহ্ন
Print Image
[ad_1] ঢাকা, ২৯ অক্টোবর – বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় নাম সালমান শাহ। মাত্র ২৫ বছর বয়সে তার মৃত্যু দেশের লাখো দর্শককে শোকাহত করেছিল। ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর ঢাকার ইস্কাটনের বাসায় রহস্যজনকভাবে তার লাশ ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। যেটিকে ‘অপমৃত্যু’ বলে উল্লেখ করা হয়েছিল। তবে সেটি এবার নতুন মোড় নিয়েছে। দীর্ঘ ২৯ বছর পর মামলাটি রূপ নিয়েছে হত্যা মামলায়।সালমান শাহ হত্যা মামলায় সর্বমোট ১১ জনকে আসামি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। হত্যা মামলায় প্রধান আসামি নায়কের সাবেক স্ত্রী সামিরা হক। অন্য ১০ আসামির মধ্যে প্রযোজক আজিজ মোহাম্মদ ভাইও রয়েছেন। কিন্তু কে এই আজিজ মোহাম্মদ ভাই? নামের শেষে ‘ভাই’ থাকায় অনেকেই ধরে নেন তিনি কোনো গডফাদার বা মাফিয়া ডনের সঙ্গে যুক্ত। সত্যিটা একটু ভিন্ন। আসলে ‘ভাই’ শব্দটি তার পরিবারের বংশপদবী। তার বাবার নাম মোহাম্মদ ভাই, মায়ের নাম খাদিজা মোহাম্মদ ভাই। এমনকি নারীদের নামেও ‘ভাই’ আছে।আজিজ মোহাম্মদ ভাইয়ের পরিবার ১৯৪৭ সালে ভারতের গুজরাট থেকে পূর্ব পাকিস্তানে (বর্তমান বাংলাদেশ) আসে। পরিবার পারস্য বংশোদ্ভূত এবং ‘বাহাইয়ান’ সম্প্রদায়ের। উপমহাদেশের উচ্চারণে ‘বাহাই’ পরবর্তীতে ‘ভাই’ হয়ে গেছে।পরিবারের আর্থিক অবস্থান সমৃদ্ধ। পুরান ঢাকায় বসবাস শুরু করা এই পরিবার ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ডে সক্রিয়। আজিজ মোহাম্মদ ভাই ১৯৬২ সালে জন্মগ্রহণ করেন, আরমানিটোলায়। তিনি নিজে ব্যবসা শুরু করেন এবং ধীরে ধীরে সম্পদ বৃদ্ধি পায়। তার ব্যবসা বিস্তৃত ঢাকা, মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড, হংকং ও সিঙ্গাপুরে হোটেল ও রিসোর্ট পর্যন্ত। তবে মাদক ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত থাকার প্রমাণও আছে।ব্যবসার পাশাপাশি ৯০-এর দশকে আজিজ মোহাম্মদ ভাই এমবি ফিল্মসের ব্যানারে চলচ্চিত্র প্রযোজনায় আসেন। তার অধীনে ৫০টির মতো চলচ্চিত্র প্রযোজিত হয়েছে। দেশের বিজ্ঞাপন জগতে গ্ল্যামার আনতেও তার অবদান উল্লেখযোগ্য।বর্তমানে আজিজ মোহাম্মদ ভাই সপরিবারে থাইল্যান্ডে বসবাস করেন এবং সেখানে থেকেই ব্যবসা পরিচালনা করেন। স্ত্রী নওরিন মোহাম্মদ ভাই দেশে এসে ব্যবসা দেখেন।এনএন [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×