হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

সিগারেটের সর্বনিম্ন দাম ১৭ ও সর্বোচ্চ ৩৫ টাকা করার প্রস্তাব

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬, ০৬:১৭ অপরাহ্ন


ঢাকা, ১১ মে – তরুণ সমাজকে ধূমপানে নিরুৎসাহিত করতে এবং অকাল মৃত্যু রোধের পাশাপাশি সরকারের রাজস্ব আয় বাড়ানোর লক্ষ্যে প্রতিটি সিগারেটের সর্বনিম্ন মূল্য ১৭ টাকা এবং সর্বোচ্চ ৩৫ টাকা নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়েছে। সোমবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন এবং ইউনাইটেড ফোরাম অ্যাগেইনস্ট টোব্যাকো এই প্রস্তাবনা তুলে ধরে। সংবাদ সম্মেলনে প্রিমিয়াম, উচ্চ, মধ্যম ও নিম্ন এই চারটি স্তরে সিগারেটের দাম বাড়ানোর সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা পেশ করা হয়।

প্রস্তাব অনুযায়ী, প্রিমিয়াম স্তরের প্রতি ১০ শলাকার প্যাকেটের খুচরা মূল্য ২০০ টাকা করার দাবি জানানো হয়েছে। এর সাথে ৬৭ শতাংশ আবগারি শুল্ক ও নির্দিষ্ট কর যুক্ত করলে প্রতিটি সিগারেটের খুচরা মূল্য দাঁড়াবে ৩৫ টাকা। উচ্চ মূল্যস্তরের প্রতি প্যাকেটের দাম ১৫০ টাকা করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে, যা কার্যকর হলে প্রতি শলাকার দাম পড়বে প্রায় ২৫ টাকা ৪৫ পয়সা। এছাড়া মধ্যম ও নিম্নস্তরের ১০ শলাকার প্যাকেটের দাম ১০০ টাকা করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে, যাতে প্রতিটি সিগারেটের দাম দাঁড়াবে ১৭ টাকা ১ পয়সা।

আরও পড়ুন

কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসসহ ৩ খেলায় নিয়মিত অনুশীলনের নির্দেশ

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ২০২৬-২৭ অর্থবছর থেকে এই দাম কার্যকর করা হলে প্রায় পাঁচ লাখ প্রাপ্তবয়স্ক ধূমপান ছাড়তে উদ্বুদ্ধ হবেন এবং ৩ লাখ ৭২ হাজারের বেশি তরুণ ধূমপানে নিরুৎসাহিত হবেন। এর ফলে দীর্ঘমেয়াদে প্রায় পৌনে চার লাখ মানুষের অকাল মৃত্যু ঠেকানো সম্ভব হবে। একই সাথে তামাক কর থেকে সরকারের রাজস্ব আয় ৮৫ হাজার কোটি টাকায় উন্নীত হবে, যা বর্তমানের চেয়ে ৪৪ হাজার কোটি টাকা বেশি।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. মুশতাক হোসেন বলেন, নিত্যপণ্যের দাম বাড়লেও সিগারেটের দাম সেভাবে বাড়ছে না। অর্থনৈতিক কারণেই তরুণ ও নিম্ন আয়ের মানুষকে ধূমপান থেকে দূরে রাখা জরুরি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. সুফিয়ান নাহিন শিমুল বলেন, সিগারেটের প্রায় ৯০ শতাংশ বাজার নিম্ন ও মধ্যমস্তরের দখলে থাকায় এই স্তরে দাম বাড়ানো হলে ভোক্তারা ধূমপান কমাতে বাধ্য হবে। জাতীয় বক্ষব্যাধি ইনস্টিটিউটের সহকারী অধ্যাপক ডা. মুহাম্মদ সাখাওয়াত হোসাইন জানান, ফুসফুস ক্যান্সারে আক্রান্তদের একটি বড় অংশই ধূমপায়ী। তাই জনস্বাস্থ্য রক্ষায় তামাকের দাম বাড়ানো এখন সময়ের দাবি।

এস এম/ ১১ মে ২০২৬


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

জাতীয়
Card Image

সিগারেটের সর্বনিম্ন দাম ১৭ ও সর্বোচ্চ ৩৫ টাকা করার প্রস্তাব

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

সিগারেটের সর্বনিম্ন দাম ১৭ ও সর্বোচ্চ ৩৫ টাকা করার প্রস্তাব

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬, ০৬:১৭ অপরাহ্ন
Print Image
[ad_1] ঢাকা, ১১ মে – তরুণ সমাজকে ধূমপানে নিরুৎসাহিত করতে এবং অকাল মৃত্যু রোধের পাশাপাশি সরকারের রাজস্ব আয় বাড়ানোর লক্ষ্যে প্রতিটি সিগারেটের সর্বনিম্ন মূল্য ১৭ টাকা এবং সর্বোচ্চ ৩৫ টাকা নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়েছে। সোমবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন এবং ইউনাইটেড ফোরাম অ্যাগেইনস্ট টোব্যাকো এই প্রস্তাবনা তুলে ধরে। সংবাদ সম্মেলনে প্রিমিয়াম, উচ্চ, মধ্যম ও নিম্ন এই চারটি স্তরে সিগারেটের দাম বাড়ানোর সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা পেশ করা হয়।প্রস্তাব অনুযায়ী, প্রিমিয়াম স্তরের প্রতি ১০ শলাকার প্যাকেটের খুচরা মূল্য ২০০ টাকা করার দাবি জানানো হয়েছে। এর সাথে ৬৭ শতাংশ আবগারি শুল্ক ও নির্দিষ্ট কর যুক্ত করলে প্রতিটি সিগারেটের খুচরা মূল্য দাঁড়াবে ৩৫ টাকা। উচ্চ মূল্যস্তরের প্রতি প্যাকেটের দাম ১৫০ টাকা করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে, যা কার্যকর হলে প্রতি শলাকার দাম পড়বে প্রায় ২৫ টাকা ৪৫ পয়সা। এছাড়া মধ্যম ও নিম্নস্তরের ১০ শলাকার প্যাকেটের দাম ১০০ টাকা করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে, যাতে প্রতিটি সিগারেটের দাম দাঁড়াবে ১৭ টাকা ১ পয়সা।সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ২০২৬-২৭ অর্থবছর থেকে এই দাম কার্যকর করা হলে প্রায় পাঁচ লাখ প্রাপ্তবয়স্ক ধূমপান ছাড়তে উদ্বুদ্ধ হবেন এবং ৩ লাখ ৭২ হাজারের বেশি তরুণ ধূমপানে নিরুৎসাহিত হবেন। এর ফলে দীর্ঘমেয়াদে প্রায় পৌনে চার লাখ মানুষের অকাল মৃত্যু ঠেকানো সম্ভব হবে। একই সাথে তামাক কর থেকে সরকারের রাজস্ব আয় ৮৫ হাজার কোটি টাকায় উন্নীত হবে, যা বর্তমানের চেয়ে ৪৪ হাজার কোটি টাকা বেশি।জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. মুশতাক হোসেন বলেন, নিত্যপণ্যের দাম বাড়লেও সিগারেটের দাম সেভাবে বাড়ছে না। অর্থনৈতিক কারণেই তরুণ ও নিম্ন আয়ের মানুষকে ধূমপান থেকে দূরে রাখা জরুরি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. সুফিয়ান নাহিন শিমুল বলেন, সিগারেটের প্রায় ৯০ শতাংশ বাজার নিম্ন ও মধ্যমস্তরের দখলে থাকায় এই স্তরে দাম বাড়ানো হলে ভোক্তারা ধূমপান কমাতে বাধ্য হবে। জাতীয় বক্ষব্যাধি ইনস্টিটিউটের সহকারী অধ্যাপক ডা. মুহাম্মদ সাখাওয়াত হোসাইন জানান, ফুসফুস ক্যান্সারে আক্রান্তদের একটি বড় অংশই ধূমপায়ী। তাই জনস্বাস্থ্য রক্ষায় তামাকের দাম বাড়ানো এখন সময়ের দাবি।এস এম/ ১১ মে ২০২৬ [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×