আঙ্কারা, ১০ জানুয়ারি – সৌদি আরব ও পাকিস্তানের মধ্যে গঠিত নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা জোটে তৃতীয় দেশ হিসেবে যোগ দিতে যাচ্ছে তুরস্ক। মার্কিন সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গ-এর বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম জিও নিউজ।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সৌদি আরব ও পাকিস্তানের সঙ্গে তুরস্কের এ সংক্রান্ত আলোচনা বর্তমানে চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। সব আনুষ্ঠানিকতা শেষ হলে স্ট্র্যাটেজিক মিউচ্যুয়াল ডিফেন্স এগ্রিমেন্টে (এসডিএমএ) আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্ত হবে আঙ্কারা।
হাসপাতালে ভর্তি শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী
গত ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫ সালে সৌদি আরব ও পাকিস্তানের মধ্যে এসডিএমএ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। যদিও চুক্তির শর্তাবলি বিস্তারিতভাবে প্রকাশ করা হয়নি, তবে দুই দেশের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন—চুক্তিভুক্ত কোনো দেশের ওপর বহিঃশক্তির হামলা হলে অপর দেশ সর্বাত্মকভাবে আক্রান্ত দেশের পাশে দাঁড়াবে।
চুক্তিটির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে পাকিস্তানের পরমাণু সক্ষমতা। বিশ্বের একমাত্র মুসলিম দেশ হিসেবে পাকিস্তানের পরমাণু অস্ত্র এই প্রতিরক্ষা কাঠামোর আওতায় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এছাড়া প্রায় ছয় লাখ সেনাসদস্যের সমন্বয়ে গঠিত পাকিস্তানের সেনাবাহিনী বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী বাহিনী হিসেবে পরিচিত। যদিও পাকিস্তান অর্থনৈতিকভাবে একটি উন্নয়নশীল দেশ, তবুও তার সামরিক সক্ষমতা এই জোটকে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্য, মধ্যএশিয়া, এশিয়া ও আফ্রিকা অঞ্চলে কৌশলগত প্রভাব বাড়াতে সৌদি আরব ও পাকিস্তানের সঙ্গে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা তুরস্কের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
ব্লুমবার্গ জানায়, গত অক্টোবর থেকে সৌদি ও পাকিস্তানি কর্মকর্তাদের সঙ্গে তুরস্কের উচ্চপর্যায়ের আলোচনা চলছে। আলোচনা সফলভাবে শেষ হলে শিগগিরই তুরস্কের এসডিএমএ জোটে যোগ দেওয়ার ঘোষণা আসতে পারে।
এনএন/ ১০ জানুয়ারি ২০২৬




মন্তব্য করুন