হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

হুমায়ুন কবির চৌধুরী’র প্রার্থীতার বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন খোদ প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা

বিশেষ প্রতিবেদক :

বিশেষ প্রতিবেদক :

শুক্রবার, ৫ জুলাই ২০২৪, ১১:৩৭ অপরাহ্ন

উখিয়ায় রাজাপালং ইউনিয়ন পরিষদ উপ-নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রভাবশালী এক প্রার্থীর মনোনয়ন / প্রার্থীতার বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন খোদ প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা। সরকারি কলেজে চাকরিতে বহাল থেকে নির্বাচনে প্রার্থীতা জন্য মনোনয়ন ফরম জমা ও মনোনয়ন বৈধতা পেয়েছেন অধ্যাপক হুমায়ুন কবির চৌধুরী। মনোনয়ন যাচাই বাছাইকালে উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তার ভূমিকা নিয়ে হতাশ হয়েছে প্রতিদ্বন্দ্বী অপর ৩ প্রার্থী।

তফসিল অনুযায়ী শুক্রবার (৫ জুলাই) মনোনয়ন যাচাই-বাছাই এর শেষ দিন ছিল। ওই দিন মনোনয়নপত্র যাছাই বাছাই কালে প্রবল আপত্তি তুলেন উপস্থিত অন্যান্য প্রার্থীরা।

নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, ৫ জন প্রার্থীর মনোনয়ন ফরম যাচাই-বাছাই শেষে সকল কে বৈধ প্রার্থী হিসাবে তালিকা প্রকাশ করেছেন উখিয়া উপজেলা নির্বাচন অফিসার ও রাজাপালং ইউনিয়ন পরিষদ উপ-নির্বাচন-২০২৪ এর রিটার্ণিং অফিসার মুহাম্মদ মিজানুর রহমান।

বৈধ প্রার্থীরা হলেন, হুমায়ুন কবির চৌধুরী, সাদমান জামী চৌধুরী, মোঃ ফরিদুল আলম মকবুল হোসাইন মিথুন ও আব্দুল মালেক চৌধুরী। এবারের নির্বাচনে দলীয় কোন প্রতীক না থাকায় সবাইকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে তালিকায় প্রকাশ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন

উখিয়া থানা পুলিশের অভিযানে ১৫ জন গ্রেপ্তার

রিটার্ণিং অফিসার ৫ জন প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধতা দিলেও হুমায়ুন কবির চৌধুরীর মনোনয়ন বৈধতা নিয়ে অভিযোগ তুলেছেন অপর প্রার্থী সাদমান জামী চৌধুরীর ব্যক্তিগত আইনজীবী ব্যারিষ্টার সাফফাত ফারদিন রামীম। তিনি জানান, সরকারি গেজেট ভুক্ত হয়ে চাকরিতে নিযুক্ত বা বহাল থাকার পর নির্বাচনে প্রতিদ্বিতা করতে পারে না। সরকারি বিধিতে পদত্যাগ করে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার বিধান রয়েছে। কিন্তু সেটি অনুসরণ না করেই অধ্যাপক হুমায়ুন কবির চৌধুরী মন্টু নির্বাচনের প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। সরকারি গেজেট ভুক্ত কর্মকর্তা বা কলেজ প্রভাষক এর পদত্যাগ পত্র রাষ্ট্রপতি গ্রহণ ও গৃহীত না করলে তা কার্যকর হবে না।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানা গেছে, রাষ্ট্রপতির আদেশ ক্রমে বিগত ১৬-০৪-২০২৩ ইং তারিখে বাংলাদেশ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সরকারি কলেজ শাখা বাংলাদেশ সচিবালয় ঢাকার উপসচিব তানজিলা খানম স্বাক্ষরিত স্মারক নং-৩৭,০০,০০০০,০৮৫,১৫,১৩৪ (এ) ২২-১২০৫ নং মূলে প্রজ্ঞাপনে কক্সবাজার জেলার উখিয়া উপজেলাধীন সরকারি করণকৃত বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছা মুজিব মহিলা কলেজের সরকারি করণ করা হয়। উক্ত সরকারি কলেজের শিক্ষক হলেন হুমায়ুন কবির চৌধুরী। উক্ত প্রজ্ঞাপনে সরকারিকৃত কলেজ শিক্ষক ও কর্মচারী আত্তীকরণ বিধিমালা বিধি-৫ এবং বিধি-৬ এ বর্নিত বিধান মোতাবেক সরকারি করণের তারিখ ৭ অক্টোবর ২০১৮ হতে অধ্যাপক হুমায়ুন কবির চৌধুরীকে রাজস্ব খাতে অস্থায়ী ভাবে নিয়োগ করা হয়েছে।

ব্যারিস্টার সাফফাত ফারদিন রামিম আরও বলেছেন, অনুরূপ রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে তার পদত্যাগপত্র কার্যকর না করে সরকারি চাকরিতে বহাল থেকে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে স্থানীয় সরকার আইন-২০০৯ এর ২৬ (ঙ) ধারায় অযোগ্য হওয়ার পরেও তাকে বৈধ প্রার্থী হিসাবে তালিকা প্রকাশ করা মোটেও আইনসিদ্ধ হয়নি।

প্রার্থী সাদমান জামী চৌধুরী সাংবাদিকদের জানান, সরকারি গেজেট ভুক্ত সরকারি কলেজের অধ্যাপনা করে অধ্যাপক হুমায়ুন কবির মন্টুর প্রার্থিতা বৈধতা ঘোষণা নিয়ে আমরা অবাক হয়েছি। আমরা জোর আপত্তি তোলার পরও উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা তা রহস্যজনক কারনে এড়িয়ে যায়।

অপর প্রার্থী ফরিদুল আলম অনুরূপভাবে তার বিষয় নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছে। যথাযথ প্রক্রিয়ায় পদত্যাগ না করে ইউপি নির্বাচনে হুমায়ুন কবির চৌধুরী প্রার্থী হওয়া কতটুকু বৈধতা পায় তা ভাবিয়ে তুলেছে।

মকবুল হোসাইন মিথুন বলেন, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নিরপেক্ষ দৃষ্টিতে কাগজপত্র পর্যালোচনা করলে হুমায়ুন কবির চৌধুরীর মনোনয়নপত্র বৈধতা না পাওয়ারই সম্ভাবনা বেশি ছিলো।

প্রার্থী হুমায়ুন কবির চৌধুরীর ব্যক্তিগত আইনজীবি এডভোকেট দুলাল মল্লিক জানান, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে যথাযথ প্রক্রিয়া পদত্যাগ পত্র জমা দিয়ে অধ্যাপক হুমায়ুন প্রার্থী হয়েছেন। তাই তার প্রার্থীতা বৈধতা পেতে কোন বাধা ছিলো না।

এ ব্যাপারে উখিয়া উপজেলা নির্বাচন অফিসার ও রাজাপালং ইউনিয়ন পরিষদ উপ-নির্বাচন-২০২৪ এর রিটানিং অফিসার মুহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেছেন, অধ্যাপক হুমায়ুন কবির চৌধুরীর প্রার্থীতা বিষয়ে কারো অভিযোগ থাকলে আগামী তিন দিনের মধ্যে জেলা নির্বাচন অফিসার বরাবরে আপীল করার সুযোগ রয়েছে।

হুমায়ুন কবির চৌধুরী প্রার্থীতা বৈধতা ঘোষণা নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে সচেতন মহলের মধ্যে। তাদের মতে শুরু যেখানে অনিয়ম দিয়ে , সেখানে সুষ্ঠু ও নিরপক্ষ, প্রতিদ্বন্দ্বীতাপূর্ণ, শান্তিপূর্ণ এবং লেভেল প্লেয়িং ফিল্ডও বজায় রেখে নির্বাচন সম্পন্ন হওয়ার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে।

coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

উখিয়া
Card Image

হুমায়ুন কবির চৌধুরী’র প্রার্থীতার বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন খোদ প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

হুমায়ুন কবির চৌধুরী’র প্রার্থীতার বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন খোদ প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা

প্রতিবেদক: বিশেষ প্রতিবেদক : | প্রকাশিত: শুক্রবার, ৫ জুলাই ২০২৪, ১১:৩৭ অপরাহ্ন
Print Image
উখিয়ায় রাজাপালং ইউনিয়ন পরিষদ উপ-নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রভাবশালী এক প্রার্থীর মনোনয়ন / প্রার্থীতার বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন খোদ প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা। সরকারি কলেজে চাকরিতে বহাল থেকে নির্বাচনে প্রার্থীতা জন্য মনোনয়ন ফরম জমা ও মনোনয়ন বৈধতা পেয়েছেন অধ্যাপক হুমায়ুন কবির চৌধুরী। মনোনয়ন যাচাই বাছাইকালে উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তার ভূমিকা নিয়ে হতাশ হয়েছে প্রতিদ্বন্দ্বী অপর ৩ প্রার্থী। তফসিল অনুযায়ী শুক্রবার (৫ জুলাই) মনোনয়ন যাচাই-বাছাই এর শেষ দিন ছিল। ওই দিন মনোনয়নপত্র যাছাই বাছাই কালে প্রবল আপত্তি তুলেন উপস্থিত অন্যান্য প্রার্থীরা। নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, ৫ জন প্রার্থীর মনোনয়ন ফরম যাচাই-বাছাই শেষে সকল কে বৈধ প্রার্থী হিসাবে তালিকা প্রকাশ করেছেন উখিয়া উপজেলা নির্বাচন অফিসার ও রাজাপালং ইউনিয়ন পরিষদ উপ-নির্বাচন-২০২৪ এর রিটার্ণিং অফিসার মুহাম্মদ মিজানুর রহমান। বৈধ প্রার্থীরা হলেন, হুমায়ুন কবির চৌধুরী, সাদমান জামী চৌধুরী, মোঃ ফরিদুল আলম মকবুল হোসাইন মিথুন ও আব্দুল মালেক চৌধুরী। এবারের নির্বাচনে দলীয় কোন প্রতীক না থাকায় সবাইকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে তালিকায় প্রকাশ করা হয়েছে। রিটার্ণিং অফিসার ৫ জন প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধতা দিলেও হুমায়ুন কবির চৌধুরীর মনোনয়ন বৈধতা নিয়ে অভিযোগ তুলেছেন অপর প্রার্থী সাদমান জামী চৌধুরীর ব্যক্তিগত আইনজীবী ব্যারিষ্টার সাফফাত ফারদিন রামীম। তিনি জানান, সরকারি গেজেট ভুক্ত হয়ে চাকরিতে নিযুক্ত বা বহাল থাকার পর নির্বাচনে প্রতিদ্বিতা করতে পারে না। সরকারি বিধিতে পদত্যাগ করে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার বিধান রয়েছে। কিন্তু সেটি অনুসরণ না করেই অধ্যাপক হুমায়ুন কবির চৌধুরী মন্টু নির্বাচনের প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। সরকারি গেজেট ভুক্ত কর্মকর্তা বা কলেজ প্রভাষক এর পদত্যাগ পত্র রাষ্ট্রপতি গ্রহণ ও গৃহীত না করলে তা কার্যকর হবে না। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানা গেছে, রাষ্ট্রপতির আদেশ ক্রমে বিগত ১৬-০৪-২০২৩ ইং তারিখে বাংলাদেশ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সরকারি কলেজ শাখা বাংলাদেশ সচিবালয় ঢাকার উপসচিব তানজিলা খানম স্বাক্ষরিত স্মারক নং-৩৭,০০,০০০০,০৮৫,১৫,১৩৪ (এ) ২২-১২০৫ নং মূলে প্রজ্ঞাপনে কক্সবাজার জেলার উখিয়া উপজেলাধীন সরকারি করণকৃত বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছা মুজিব মহিলা কলেজের সরকারি করণ করা হয়। উক্ত সরকারি কলেজের শিক্ষক হলেন হুমায়ুন কবির চৌধুরী। উক্ত প্রজ্ঞাপনে সরকারিকৃত কলেজ শিক্ষক ও কর্মচারী আত্তীকরণ বিধিমালা বিধি-৫ এবং বিধি-৬ এ বর্নিত বিধান মোতাবেক সরকারি করণের তারিখ ৭ অক্টোবর ২০১৮ হতে অধ্যাপক হুমায়ুন কবির চৌধুরীকে রাজস্ব খাতে অস্থায়ী ভাবে নিয়োগ করা হয়েছে। ব্যারিস্টার সাফফাত ফারদিন রামিম আরও বলেছেন, অনুরূপ রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে তার পদত্যাগপত্র কার্যকর না করে সরকারি চাকরিতে বহাল থেকে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে স্থানীয় সরকার আইন-২০০৯ এর ২৬ (ঙ) ধারায় অযোগ্য হওয়ার পরেও তাকে বৈধ প্রার্থী হিসাবে তালিকা প্রকাশ করা মোটেও আইনসিদ্ধ হয়নি। প্রার্থী সাদমান জামী চৌধুরী সাংবাদিকদের জানান, সরকারি গেজেট ভুক্ত সরকারি কলেজের অধ্যাপনা করে অধ্যাপক হুমায়ুন কবির মন্টুর প্রার্থিতা বৈধতা ঘোষণা নিয়ে আমরা অবাক হয়েছি। আমরা জোর আপত্তি তোলার পরও উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা তা রহস্যজনক কারনে এড়িয়ে যায়। অপর প্রার্থী ফরিদুল আলম অনুরূপভাবে তার বিষয় নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছে। যথাযথ প্রক্রিয়ায় পদত্যাগ না করে ইউপি নির্বাচনে হুমায়ুন কবির চৌধুরী প্রার্থী হওয়া কতটুকু বৈধতা পায় তা ভাবিয়ে তুলেছে। মকবুল হোসাইন মিথুন বলেন, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নিরপেক্ষ দৃষ্টিতে কাগজপত্র পর্যালোচনা করলে হুমায়ুন কবির চৌধুরীর মনোনয়নপত্র বৈধতা না পাওয়ারই সম্ভাবনা বেশি ছিলো। প্রার্থী হুমায়ুন কবির চৌধুরীর ব্যক্তিগত আইনজীবি এডভোকেট দুলাল মল্লিক জানান, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে যথাযথ প্রক্রিয়া পদত্যাগ পত্র জমা দিয়ে অধ্যাপক হুমায়ুন প্রার্থী হয়েছেন। তাই তার প্রার্থীতা বৈধতা পেতে কোন বাধা ছিলো না। এ ব্যাপারে উখিয়া উপজেলা নির্বাচন অফিসার ও রাজাপালং ইউনিয়ন পরিষদ উপ-নির্বাচন-২০২৪ এর রিটানিং অফিসার মুহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেছেন, অধ্যাপক হুমায়ুন কবির চৌধুরীর প্রার্থীতা বিষয়ে কারো অভিযোগ থাকলে আগামী তিন দিনের মধ্যে জেলা নির্বাচন অফিসার বরাবরে আপীল করার সুযোগ রয়েছে। হুমায়ুন কবির চৌধুরী প্রার্থীতা বৈধতা ঘোষণা নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে সচেতন মহলের মধ্যে। তাদের মতে শুরু যেখানে অনিয়ম দিয়ে , সেখানে সুষ্ঠু ও নিরপক্ষ, প্রতিদ্বন্দ্বীতাপূর্ণ, শান্তিপূর্ণ এবং লেভেল প্লেয়িং ফিল্ডও বজায় রেখে নির্বাচন সম্পন্ন হওয়ার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে।

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×