হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষে শুরু হয়েছে ইলিশ ধরা

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

রবিবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৫, ১১:০৮ পূর্বাহ্ন


ঢাকা, ২৬ অক্টোবর – ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষে ইলিশ ধরা শুরু হয়েছে। নিষেধাজ্ঞার সময় অবসর জেলেদের সময় ভালো কাটেনি। সরকারি সহায়তা পেলেও তা ছিল খুবই কম। মৎস্য বিভাগ বলছে এবারের অভিযান কঠোর হয়েছে। যার ফলে ইলিশ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন হবে।

শনিবার (২৫ অক্টোবর) দিবাগত রাত ১২টা থেকেই ইলিশ ধরা শুরু করেছেন জেলেরা।

আরও পড়ুন

জাপানের সঙ্গে ২৩টি বড় চুক্তি ও স্মারক সই: ২ লাখ নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ

শনিবার সরেজমিনে মেঘনা উপকূলীয় এলাকা ঘুরে দেখা গেছে জেলেদের ইলিশ ধরার প্রস্তুতি নিয়ে ব্যস্ততা। এসব এলাকার বেশিরভাগ লোকজনই ইলিশসহ অন্যান্য মাছ আহরণ করে জীবিকা নির্বাহ করেন। চাঁদপুর শহরের যমুনা রোড, টিলাবাড়ি, পুরান বাজার রনাগোয়াল, দোকানঘর, বহরিয়া ও হরিণা ফেরিঘাট এলাকায় অধিকাংশ জেলে জাল এবং নৌকা মেরামত করেছেন। এ ছাড়া, দেশের বিভিন্ন স্থানে জেলে পাড়াগুলোতে জাল এবং নৌকা মেরামত করেছেন তারা।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে জানা গেছে, গত ৪ অক্টোবর থেকে ২২ দিনের জন্য ইলিশ ধরা, বিক্রি, পরিবহনসহ সব কাজে নিষেধাজ্ঞা দেয় মৎস্য অধিদপ্তর। জেলার মতলব উত্তর উপজেলার ষাটনল থেকে হাইমচর উপজেলার চরভৈরবী পর্যন্ত প্রায় ৭০ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে মা ইলিশ ডিম ছাড়ার জন্য অভয়াশ্রম এলাকা ঘোষণা করা হয়। এসব এলাকায় নিবন্ধিত জেলে পরিবার হচ্ছে প্রায় ৪৫ হাজার ৬১৫। এসব জেলেদের ২২ দিনের জন্য ২৫ কেজি করে খাদ্য সহায়তা হিসেবে চাল দিয়েছে সরকার। নিষেধাজ্ঞায় কঠোরভাবে অভিযান বাস্তবায়ন করায় মা ইলিশ অবাধে ডিম ছাড়তে পাড়ায় উৎপাদন অনেক বাড়বে বলে আশা করছে মৎস্য বিভাগ।

লক্ষীপুর মডেল ইউনিয়নের জেলেরা জানান, গত ২২ দিন খুবই কষ্টের মধ্যে সংসার চলেছে। ২৫ কেজি চাল দিয়ে বর্তমান বাজারে কিছুই হয় না। জাল ও নৌকা প্রস্তুত করেছেন। নদীতে নামবেন। ইলিশ পেলে চলবে তাদের সংসার।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা শ্রীবাস চন্দ্র বলেন, জেলা ও উপজেলা টাস্কফোর্সের ২২ দিনের অভিযান কঠোর হয়েছে। যার ফলে ইলিশ নিরাপদে ডিম ছাড়তে পেরেছে। ইলিশ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

তিনি বলেন, মা ইলিশ রক্ষায় সরকার ২২ দিনের যে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল তা বাস্তবায়নে আমাদের জেলা ও উপজেলা টাস্কফোর্সের সর্বাত্মক চেষ্টা অব্যাহত ছিল। জেলা প্রশাসন, মৎস্য বিভাগ, কোস্টগার্ড ও নৌপুলিশ সবাই মিলে এই অভিযান সফল করেছি। এরপরও কিছু অসাধু জেলে মাছ আহরণ করেছে। যার ফলে অভিযানকালে ৮১টি মামলা হয়েছে। ১২৫ জনের জেল হয়েছে এবং ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জেলেদের যাতে কষ্ট না হয় সেজন্য সরকার এ বছর অভিযানের পূর্ব থেকেই ২৫ কেজি করে খাদ্য সহায়তা হিসেবে চাল দেওয়া হয়েছে। আমরা আশা করি গত বছরের তুলনায় এ বছর ইলিশ উৎপাদন আরও বৃদ্ধি পাবে।

সূত্র: বাংলাদেশ জার্নাল
এনএন/ ২৬ অক্টোবর ২০২৫


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষে শুরু হয়েছে ইলিশ ধরা

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষে শুরু হয়েছে ইলিশ ধরা

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৫, ১১:০৮ পূর্বাহ্ন
Print Image
[ad_1] ঢাকা, ২৬ অক্টোবর – ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষে ইলিশ ধরা শুরু হয়েছে। নিষেধাজ্ঞার সময় অবসর জেলেদের সময় ভালো কাটেনি। সরকারি সহায়তা পেলেও তা ছিল খুবই কম। মৎস্য বিভাগ বলছে এবারের অভিযান কঠোর হয়েছে। যার ফলে ইলিশ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন হবে।শনিবার (২৫ অক্টোবর) দিবাগত রাত ১২টা থেকেই ইলিশ ধরা শুরু করেছেন জেলেরা।শনিবার সরেজমিনে মেঘনা উপকূলীয় এলাকা ঘুরে দেখা গেছে জেলেদের ইলিশ ধরার প্রস্তুতি নিয়ে ব্যস্ততা। এসব এলাকার বেশিরভাগ লোকজনই ইলিশসহ অন্যান্য মাছ আহরণ করে জীবিকা নির্বাহ করেন। চাঁদপুর শহরের যমুনা রোড, টিলাবাড়ি, পুরান বাজার রনাগোয়াল, দোকানঘর, বহরিয়া ও হরিণা ফেরিঘাট এলাকায় অধিকাংশ জেলে জাল এবং নৌকা মেরামত করেছেন। এ ছাড়া, দেশের বিভিন্ন স্থানে জেলে পাড়াগুলোতে জাল এবং নৌকা মেরামত করেছেন তারা।জেলা মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে জানা গেছে, গত ৪ অক্টোবর থেকে ২২ দিনের জন্য ইলিশ ধরা, বিক্রি, পরিবহনসহ সব কাজে নিষেধাজ্ঞা দেয় মৎস্য অধিদপ্তর। জেলার মতলব উত্তর উপজেলার ষাটনল থেকে হাইমচর উপজেলার চরভৈরবী পর্যন্ত প্রায় ৭০ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে মা ইলিশ ডিম ছাড়ার জন্য অভয়াশ্রম এলাকা ঘোষণা করা হয়। এসব এলাকায় নিবন্ধিত জেলে পরিবার হচ্ছে প্রায় ৪৫ হাজার ৬১৫। এসব জেলেদের ২২ দিনের জন্য ২৫ কেজি করে খাদ্য সহায়তা হিসেবে চাল দিয়েছে সরকার। নিষেধাজ্ঞায় কঠোরভাবে অভিযান বাস্তবায়ন করায় মা ইলিশ অবাধে ডিম ছাড়তে পাড়ায় উৎপাদন অনেক বাড়বে বলে আশা করছে মৎস্য বিভাগ।লক্ষীপুর মডেল ইউনিয়নের জেলেরা জানান, গত ২২ দিন খুবই কষ্টের মধ্যে সংসার চলেছে। ২৫ কেজি চাল দিয়ে বর্তমান বাজারে কিছুই হয় না। জাল ও নৌকা প্রস্তুত করেছেন। নদীতে নামবেন। ইলিশ পেলে চলবে তাদের সংসার।জেলা মৎস্য কর্মকর্তা শ্রীবাস চন্দ্র বলেন, জেলা ও উপজেলা টাস্কফোর্সের ২২ দিনের অভিযান কঠোর হয়েছে। যার ফলে ইলিশ নিরাপদে ডিম ছাড়তে পেরেছে। ইলিশ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।তিনি বলেন, মা ইলিশ রক্ষায় সরকার ২২ দিনের যে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল তা বাস্তবায়নে আমাদের জেলা ও উপজেলা টাস্কফোর্সের সর্বাত্মক চেষ্টা অব্যাহত ছিল। জেলা প্রশাসন, মৎস্য বিভাগ, কোস্টগার্ড ও নৌপুলিশ সবাই মিলে এই অভিযান সফল করেছি। এরপরও কিছু অসাধু জেলে মাছ আহরণ করেছে। যার ফলে অভিযানকালে ৮১টি মামলা হয়েছে। ১২৫ জনের জেল হয়েছে এবং ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জেলেদের যাতে কষ্ট না হয় সেজন্য সরকার এ বছর অভিযানের পূর্ব থেকেই ২৫ কেজি করে খাদ্য সহায়তা হিসেবে চাল দেওয়া হয়েছে। আমরা আশা করি গত বছরের তুলনায় এ বছর ইলিশ উৎপাদন আরও বৃদ্ধি পাবে।সূত্র: বাংলাদেশ জার্নালএনএন/ ২৬ অক্টোবর ২০২৫ [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×