হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

পেন্টাগনের তথ্য ফাঁস, সর্বাত্মক যুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে ছিল ন্যাটো-রাশিয়া

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

মঙ্গলবার, ১১ এপ্রিল ২০২৩, ০৪:০৭ পূর্বাহ্ন


ওয়াশিংটন, ১০ এপ্রিল – রাশিয়া এবং ন্যাটো সামরিক জোট বছরখানেক আগে সর্বাত্মক যুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে গিয়ে ঠেকেছিল। সেই সময় রাশিয়ার একটি যুদ্ধবিমান ব্রিটেনের একটি গোয়েন্দা বিমানকে প্রায় ভূপাতিত করে ফেলে। ব্রিটিশ যুদ্ধবিমানটি ভূপাতিত হলেই রাশিয়া এবং মার্কিন নেতৃত্বাধীন ন্যাটো জোটের মধ্যে সর্বাত্মক যুদ্ধ শুরু হয়ে যেত।

মার্কিন দৈনিক ‘ওয়াশিংটন পোস্ট’ রোববার এক রিপোর্টে এ তথ্য জানিয়েছে। সম্প্রতি পেন্টাগন থেকে বিভিন্ন সামরিক বিষয়ে যে তথ্য ফাঁস হয়ে গেছে তা থেকে ওয়াশিংটন পোস্ট এ রিপোর্ট তৈরি করেছে।

আরও পড়ুন

কানাডার নতুন বাজেটে কার ভাগ্যে কতটা প্রাপ্তি

পত্রিকার তথ্যমতে, ২০২২ সালের সেপ্টেম্বর মাসের শেষ দিকে এ ঘটনা ঘটে। অক্টোবর মাসে ব্রিটিশ প্রতিরক্ষামন্ত্রী বেন ওয়ালেস এ ঘটনা পার্লামেন্টকে জানান। সে সময় তিনি ব্রিটিশ পার্লামেন্টকে বলেছিলেন যে, রাশিয়া দাবি করেছে তাদের যুদ্ধবিমানের কারিগরি ত্রুটির কারণে ব্রিটিশ গোয়েন্দা বিমানের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র ছুটে গেছে, ওই ঘটনা ইচ্ছাকৃত ছিল না।

ওয়াশিংটন পোস্ট যে ডকুমেন্ট হাতে পেয়েছে তাতে বলা হয়েছে যে, আমেরিকার রাজকীয় বিমান বাহিনীর গোয়েন্দা বিমান প্রায় ভূপতিত হওয়ার কাছাকাছি চলে গিয়েছিল। গত অক্টোবরে ব্রিটিশ সরকার জানায় যে, রাশিয়ার দুটি সুখোই এসইউ-২৭ জঙ্গিবিমান কৃষ্ণ সাগরের আকাশে ব্রিটেনের ওই গোয়েন্দা বিমানকে বাধা দেয়। সে সময় রাশিয়ার একটি বিমান থেকে ব্রিটিশ বিমানের কাছেই ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়।

ওয়াশিংটন পোস্ট বলছে, রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে যদি ব্রিটিশ বিমানটি ভূপাতিত হতো তাহলে ন্যাটো জোটের সামনে আর্টিকেল ফাইভ বাস্তবায়নের প্রশ্ন এসে পড়তো। তাতে রাশিয়ার সঙ্গে ন্যাটো জোটের সংঘাত অনিবার্য হয়ে উঠত।

ফাঁস হওয়া এই ডকুমেন্ট সম্পর্কে আমেরিকা, ব্রিটেন অথবা রাশিয়া কেউই কোনো মন্তব্য করেনি। তবে ওয়াশিংটন পোস্ট বলছে, এ ঘটনার পর কৃষ্ণ সাগরের আকাশে ব্রিটেন গোয়েন্দা বিমান পরিচালনার ক্ষেত্রে আরও সতর্কতামূলক পদক্ষেপ নেয়। এর আওতায় ব্রিটিশ গোয়েন্দা বিমানগুলোকে ক্রিমিয়া উপদ্বীপ থেকে দূরে রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়।

সূত্র: যুগান্তর
এম ইউ/১০ এপ্রিল ২০২৩




coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

পেন্টাগনের তথ্য ফাঁস, সর্বাত্মক যুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে ছিল ন্যাটো-রাশিয়া

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

পেন্টাগনের তথ্য ফাঁস, সর্বাত্মক যুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে ছিল ন্যাটো-রাশিয়া

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১১ এপ্রিল ২০২৩, ০৪:০৭ পূর্বাহ্ন
Print Image
[ad_1] ওয়াশিংটন, ১০ এপ্রিল – রাশিয়া এবং ন্যাটো সামরিক জোট বছরখানেক আগে সর্বাত্মক যুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে গিয়ে ঠেকেছিল। সেই সময় রাশিয়ার একটি যুদ্ধবিমান ব্রিটেনের একটি গোয়েন্দা বিমানকে প্রায় ভূপাতিত করে ফেলে। ব্রিটিশ যুদ্ধবিমানটি ভূপাতিত হলেই রাশিয়া এবং মার্কিন নেতৃত্বাধীন ন্যাটো জোটের মধ্যে সর্বাত্মক যুদ্ধ শুরু হয়ে যেত। মার্কিন দৈনিক ‘ওয়াশিংটন পোস্ট’ রোববার এক রিপোর্টে এ তথ্য জানিয়েছে। সম্প্রতি পেন্টাগন থেকে বিভিন্ন সামরিক বিষয়ে যে তথ্য ফাঁস হয়ে গেছে তা থেকে ওয়াশিংটন পোস্ট এ রিপোর্ট তৈরি করেছে। পত্রিকার তথ্যমতে, ২০২২ সালের সেপ্টেম্বর মাসের শেষ দিকে এ ঘটনা ঘটে। অক্টোবর মাসে ব্রিটিশ প্রতিরক্ষামন্ত্রী বেন ওয়ালেস এ ঘটনা পার্লামেন্টকে জানান। সে সময় তিনি ব্রিটিশ পার্লামেন্টকে বলেছিলেন যে, রাশিয়া দাবি করেছে তাদের যুদ্ধবিমানের কারিগরি ত্রুটির কারণে ব্রিটিশ গোয়েন্দা বিমানের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র ছুটে গেছে, ওই ঘটনা ইচ্ছাকৃত ছিল না। ওয়াশিংটন পোস্ট যে ডকুমেন্ট হাতে পেয়েছে তাতে বলা হয়েছে যে, আমেরিকার রাজকীয় বিমান বাহিনীর গোয়েন্দা বিমান প্রায় ভূপতিত হওয়ার কাছাকাছি চলে গিয়েছিল। গত অক্টোবরে ব্রিটিশ সরকার জানায় যে, রাশিয়ার দুটি সুখোই এসইউ-২৭ জঙ্গিবিমান কৃষ্ণ সাগরের আকাশে ব্রিটেনের ওই গোয়েন্দা বিমানকে বাধা দেয়। সে সময় রাশিয়ার একটি বিমান থেকে ব্রিটিশ বিমানের কাছেই ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়। ওয়াশিংটন পোস্ট বলছে, রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে যদি ব্রিটিশ বিমানটি ভূপাতিত হতো তাহলে ন্যাটো জোটের সামনে আর্টিকেল ফাইভ বাস্তবায়নের প্রশ্ন এসে পড়তো। তাতে রাশিয়ার সঙ্গে ন্যাটো জোটের সংঘাত অনিবার্য হয়ে উঠত। ফাঁস হওয়া এই ডকুমেন্ট সম্পর্কে আমেরিকা, ব্রিটেন অথবা রাশিয়া কেউই কোনো মন্তব্য করেনি। তবে ওয়াশিংটন পোস্ট বলছে, এ ঘটনার পর কৃষ্ণ সাগরের আকাশে ব্রিটেন গোয়েন্দা বিমান পরিচালনার ক্ষেত্রে আরও সতর্কতামূলক পদক্ষেপ নেয়। এর আওতায় ব্রিটিশ গোয়েন্দা বিমানগুলোকে ক্রিমিয়া উপদ্বীপ থেকে দূরে রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়। সূত্র: যুগান্তরএম ইউ/১০ এপ্রিল ২০২৩ [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×