হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

চকরিয়ায় চাঁদাবাজি মামলায় তদন্তকালে পৌর কাউন্সিলর ও বাদি মাদরাসা সুপারকে পিটিয়েছে আসামি

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

বৃহস্পতিবার, ৮ জুন ২০২৩, ১০:২৭ অপরাহ্ন

এম জিয়াবুল হক, চকরিয়া::

কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলা সদরে মজিদিয়া মাদরাসা মার্কেটের দোকানীদের কাছ থেকে চাঁদা দাবির অভিযোগে রুজু হওয়া মামলায় পিবিআই পুলিশের তদন্তকালে মাদরাসা কমিটির সভাপতি পৌরসভার কাউন্সিলর মুজিবুল হক মুজিবকে পিটিয়ে গুরুতর জখম করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকাল সাড়ে তিনটার দিকে পৌরসদরের সরকারি হাসপাতাল সড়কে মজিদিয়া মাদরাসা মার্কেটে এ হামলার ঘটনা ঘটেছে। এসময় তাঁকে উদ্ধারে এগিয়ে এসে হামলা ও মারধরের শিকার হয়েছে মাদরাসার সুপার মাওলানা নুরুল আবছার সিদ্দিকী।
পরে ঘটনার খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থল পৌঁছে চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জেপি দেওয়ান ও চকরিয়া থানার ওসি চন্দন কুমার চক্রবর্তী আহত পৌর কাউন্সিলর ও মাদরাসা সুপারকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠিয়েছে।

হামলার এ ঘটনায় চাঁদাবাজি মামলার আসামি নাছির উদ্দিন ও তার ভাইয়েরা জড়িত রয়েছে বলে তাৎক্ষণিক সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেছেন আহত চকরিয়া পৌরসভার ৮ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ও প্যানেল মেয়র মুজিবুল হক মুজিব।

চকরিয়া পৌরসভার কাউন্সিলর মুজিবুল হক মুজিব অভিযোগ করেন, চকরিয়া সোসাইটিপাড়ার বাসিন্দা নাছির উদ্দিন গং অতিসম্প্রতি চকরিয়া মজিদিয়া দারুচ্ছুন্নাহ পৌর দাখিল মাদ্রাসার নামীয় মাদরাসা মার্কেটের ব্যবসায়ীদের নিকট থেকে চাঁদা দাবী করায় গত ১৮ মে চকরিয়া উপজেলা সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন মাদরাসার সুপার নুরুল আবছার সিদ্দিকী।

আরও পড়ুন

পোশাক খাতে অস্থিরতা সৃষ্টি: শতাধিক ব্যক্তির ব্যাংক হিসাব স্থগিতের নির্দেশ এনবিআরের, কড়া নজরে ১২৫ প্রতিষ্ঠান

আদালত মামলাটি পুলিশ বুরো অব ইনভেস্টিগেশন ( পিবিআই) কক্সবাজারের পুলিশ সুপারকে তদন্তপুর্বক প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দেন। এরই আলোকে বৃহস্পতিবার ৮ জুন বিকেল সাড়ে ৩টায় মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা পিআইবি পুলিশের পরিদর্শক মুসলিম উদ্দিন বাবুল ঘটনাস্থলে এসে তদন্ত শুরু করেন।

কাউন্সিলর মুজিবুল হক বলেন, তদন্তকালে মাদরাসা কমিটির সভাপতি হিসেবে ঙআমি এবং মাদরাসার সুপার নুরুল আবছার মজিদিয়া মাদরাসার সামনে উপস্থিত হই। পরে তদন্তকারি কর্মকর্তা মুসলিম উদ্দিন বাবুল তদন্তকার্য শেষ করে স্থান ত্যাগ করার প্রাক্কালে মামলার আসামী সোসাইটি জামে মসজিদ কমিটির সভাপতি নাছিরউদ্দিনের নেতৃত্বে তার ভাইয়েরা মিলে অতর্কিতভাবে আমি ও মাদরাসার সুপার নুরুল আবছার সিদ্দিকীর উপর হামলা করে। একপর্যায়ে তাঁরা আমরা দু’জনকেই বেদম প্রহার করে।
পরে খবর পেয়ে চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জেপি দেওয়ান ও চকরিয়া থানার ওসি চন্দন কুমার চক্রবর্তীর নেতৃত্বে একদল আইন শৃঙ্খলাবাহিনী দ্রুত এসে আমাদের উদ্ধার করেন।
এ ব্যাপারে তাঁরা মাদরাসা কমিটির পক্ষথেকে মামলা রুজু করার প্রক্রিয়া করছেন বলেও জানান কাউন্সিলর মুজিবুল হক মুজিব।

মজিদিয়া মাদরাসা মাদরাসার সুপার মাওলানা নুরুল আবছার সিদ্দিকী অভিযোগ করেন, মজিদিয়া দারুচ্ছুন্নাহ পৌর দাখিল মাদারাসা কারও ব্যক্তিগত সম্পদ নয়। নিয়মনাযায়ি অনুষ্টিত নির্বাচনে কাউন্সিলর মুজিবুল হক সভাপতি নির্বাচিত হন। সভাপতি হিসেবে মাদরাসার পক্ষে দায়ের করা মামলার তদন্তকাজে সহায়তা করা তাঁর দায়িত্ব। কিন্তু চাঁদা দাবীকারি ও তদন্তাধীন মামলার প্রধান আসামী নাছিরউদ্দিনের নেতৃত্বে চার সহোদর প্রাণনাশের উদ্দেশ্যে আমরা দু’জনের উপর ন্যাক্কারজনক হামলা করে। তিনি হামলাকারিদের শাস্তি দাবী করেন।

এদিকে চকরিয়া পৌরসভার কাউন্সিলর মুজিবুল হক মুজিবের উপর হামলার ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতারপূর্বক শাস্তির আওতায় আনার দাবী জানিয়ে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় চকরিয়া শহরে সংবাদ সম্মেলন করেছেন পৌরসভার মহিলা কাউন্সিলর আনজুমান আরা, রাশেদা বেগম, পুরুষ কাউন্সিলর নুরুল আমিন, বেলালউদ্দিন ও সাইফুল ইসলাম। কাউন্সিলর বেলালউদ্দিন বলেন, আমরা কাউন্সিলর মুজিবের উপর হামলার ন্যায় বিচার চাই। ন্যায় বিচার না পেলে জনগণকে সাথে নিয়ে রাস্তায় নামবো। ##

coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

কক্সবাজার
Card Image

চকরিয়ায় চাঁদাবাজি মামলায় তদন্তকালে পৌর কাউন্সিলর ও বাদি মাদরাসা সুপারকে পিটিয়েছে আসামি

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

চকরিয়ায় চাঁদাবাজি মামলায় তদন্তকালে পৌর কাউন্সিলর ও বাদি মাদরাসা সুপারকে পিটিয়েছে আসামি

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৮ জুন ২০২৩, ১০:২৭ অপরাহ্ন
Print Image
এম জিয়াবুল হক, চকরিয়া:: কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলা সদরে মজিদিয়া মাদরাসা মার্কেটের দোকানীদের কাছ থেকে চাঁদা দাবির অভিযোগে রুজু হওয়া মামলায় পিবিআই পুলিশের তদন্তকালে মাদরাসা কমিটির সভাপতি পৌরসভার কাউন্সিলর মুজিবুল হক মুজিবকে পিটিয়ে গুরুতর জখম করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকাল সাড়ে তিনটার দিকে পৌরসদরের সরকারি হাসপাতাল সড়কে মজিদিয়া মাদরাসা মার্কেটে এ হামলার ঘটনা ঘটেছে। এসময় তাঁকে উদ্ধারে এগিয়ে এসে হামলা ও মারধরের শিকার হয়েছে মাদরাসার সুপার মাওলানা নুরুল আবছার সিদ্দিকী। পরে ঘটনার খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থল পৌঁছে চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জেপি দেওয়ান ও চকরিয়া থানার ওসি চন্দন কুমার চক্রবর্তী আহত পৌর কাউন্সিলর ও মাদরাসা সুপারকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠিয়েছে। হামলার এ ঘটনায় চাঁদাবাজি মামলার আসামি নাছির উদ্দিন ও তার ভাইয়েরা জড়িত রয়েছে বলে তাৎক্ষণিক সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেছেন আহত চকরিয়া পৌরসভার ৮ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ও প্যানেল মেয়র মুজিবুল হক মুজিব। চকরিয়া পৌরসভার কাউন্সিলর মুজিবুল হক মুজিব অভিযোগ করেন, চকরিয়া সোসাইটিপাড়ার বাসিন্দা নাছির উদ্দিন গং অতিসম্প্রতি চকরিয়া মজিদিয়া দারুচ্ছুন্নাহ পৌর দাখিল মাদ্রাসার নামীয় মাদরাসা মার্কেটের ব্যবসায়ীদের নিকট থেকে চাঁদা দাবী করায় গত ১৮ মে চকরিয়া উপজেলা সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন মাদরাসার সুপার নুরুল আবছার সিদ্দিকী। আদালত মামলাটি পুলিশ বুরো অব ইনভেস্টিগেশন ( পিবিআই) কক্সবাজারের পুলিশ সুপারকে তদন্তপুর্বক প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দেন। এরই আলোকে বৃহস্পতিবার ৮ জুন বিকেল সাড়ে ৩টায় মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা পিআইবি পুলিশের পরিদর্শক মুসলিম উদ্দিন বাবুল ঘটনাস্থলে এসে তদন্ত শুরু করেন। কাউন্সিলর মুজিবুল হক বলেন, তদন্তকালে মাদরাসা কমিটির সভাপতি হিসেবে ঙআমি এবং মাদরাসার সুপার নুরুল আবছার মজিদিয়া মাদরাসার সামনে উপস্থিত হই। পরে তদন্তকারি কর্মকর্তা মুসলিম উদ্দিন বাবুল তদন্তকার্য শেষ করে স্থান ত্যাগ করার প্রাক্কালে মামলার আসামী সোসাইটি জামে মসজিদ কমিটির সভাপতি নাছিরউদ্দিনের নেতৃত্বে তার ভাইয়েরা মিলে অতর্কিতভাবে আমি ও মাদরাসার সুপার নুরুল আবছার সিদ্দিকীর উপর হামলা করে। একপর্যায়ে তাঁরা আমরা দু'জনকেই বেদম প্রহার করে। পরে খবর পেয়ে চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জেপি দেওয়ান ও চকরিয়া থানার ওসি চন্দন কুমার চক্রবর্তীর নেতৃত্বে একদল আইন শৃঙ্খলাবাহিনী দ্রুত এসে আমাদের উদ্ধার করেন। এ ব্যাপারে তাঁরা মাদরাসা কমিটির পক্ষথেকে মামলা রুজু করার প্রক্রিয়া করছেন বলেও জানান কাউন্সিলর মুজিবুল হক মুজিব। মজিদিয়া মাদরাসা মাদরাসার সুপার মাওলানা নুরুল আবছার সিদ্দিকী অভিযোগ করেন, মজিদিয়া দারুচ্ছুন্নাহ পৌর দাখিল মাদারাসা কারও ব্যক্তিগত সম্পদ নয়। নিয়মনাযায়ি অনুষ্টিত নির্বাচনে কাউন্সিলর মুজিবুল হক সভাপতি নির্বাচিত হন। সভাপতি হিসেবে মাদরাসার পক্ষে দায়ের করা মামলার তদন্তকাজে সহায়তা করা তাঁর দায়িত্ব। কিন্তু চাঁদা দাবীকারি ও তদন্তাধীন মামলার প্রধান আসামী নাছিরউদ্দিনের নেতৃত্বে চার সহোদর প্রাণনাশের উদ্দেশ্যে আমরা দু'জনের উপর ন্যাক্কারজনক হামলা করে। তিনি হামলাকারিদের শাস্তি দাবী করেন। এদিকে চকরিয়া পৌরসভার কাউন্সিলর মুজিবুল হক মুজিবের উপর হামলার ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতারপূর্বক শাস্তির আওতায় আনার দাবী জানিয়ে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় চকরিয়া শহরে সংবাদ সম্মেলন করেছেন পৌরসভার মহিলা কাউন্সিলর আনজুমান আরা, রাশেদা বেগম, পুরুষ কাউন্সিলর নুরুল আমিন, বেলালউদ্দিন ও সাইফুল ইসলাম। কাউন্সিলর বেলালউদ্দিন বলেন, আমরা কাউন্সিলর মুজিবের উপর হামলার ন্যায় বিচার চাই। ন্যায় বিচার না পেলে জনগণকে সাথে নিয়ে রাস্তায় নামবো। ##

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×