হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

সিসি ক্যামেরার তার কে কেটেছে, খুঁজে বের করা হবে

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

সোমবার, ১৭ জুলাই ২০২৩, ০৭:০৭ অপরাহ্ন


ঢাকা, ১৭ জুলাই – নির্বাচন কমিশনার মো. আহসান হাবিব খান বলেছেন, পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়া পৌরসভা নির্বাচনে পাঁচটি কেন্দ্রের সিসি ক্যামেরার তার কোন পক্ষের নির্দেশনায় কাটা হয়েছে তা খুঁজে বের করবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এজন্য স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলো নির্দেশনা দিয়েছে নির্বাচন আয়োজনকারী সংস্থাটি।

সোমবার (১৭ জুলাই) নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের কাছে এ কথা বলেন আহসান হাবিব।

আরও পড়ুন

পোশাক খাতে অস্থিরতা সৃষ্টি: শতাধিক ব্যক্তির ব্যাংক হিসাব স্থগিতের নির্দেশ এনবিআরের, কড়া নজরে ১২৫ প্রতিষ্ঠান

আহসান হাবিব বলেন, দূর থেকে কাশবন ঘন লাগে। কাছে গেলে ফাঁকা ফাঁকা লাগে। আপনারাই (সাংবাদিকরা) কিন্তু আমাদের মুভমেন্ট, কর্মকাণ্ড কাছ থেকে দেখেছেন। আপনাদের কী মনে হয় আমাদের আন্তরিকতার ঘাটতি ছিল? আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি। ভোটার উপস্থিতি কম হতে পারে।

তিনি বলেন, আমরা চ্যালেঞ্জের মধ্যে ছিলাম বেনাপোল নির্বাচন নিয়ে। সেখানে ১২ বছর ধরে নির্বাচন হচ্ছে না। আরেকটা হচ্ছে ভাণ্ডারিয়া। অনেক মামলার মধ্য দিয়ে অবশেষে আল্লাহর রহমতে হলো। কী পরিমাণ ভোটার যে ওখানে হাজির হয়েছে এবং কী সুন্দর যে ভোট হচ্ছে! আমরা কিন্তু ক্ষণে ক্ষণে সবার সঙ্গে কথা বলছি। জানছি ওখানে ভালো ভোট হচ্ছে।

তিনি বলেন, ওইখানকার (প্রার্থীদের) রিকোয়েস্টের ভিত্তিতেই কিন্তু আমরা ইভিএম ও সিসি ক্যামেরা দিয়েছিলাম। বেনাপোলের সিসি ক্যামেরা ওকে। ওয়ার্কিং ফাইন। কিন্তু ভাণ্ডারিয়ায় কিছু কিছু মিসক্রিয়েন্ট গতকাল রাতে সিসি ক্যামেরার ক্যাবল কেটে দিয়েছে। কাটা পড়েছে বললাম না। সকাল থেকে ডিসি, এসপি, গোয়েন্দা সংস্থা লাগিয়ে চেক করেছি। ওপরের ফুটেজ দেখে চিহ্নিত করার চেষ্টা করেছি। এতে কিন্তু ভোটের অসুবিধা হচ্ছে না। ইভিএমে যেহেতু কারচুপির সুযোগ নাই। দুই পক্ষে উপস্থিতিই ব্যালেন্স করছে।

আহসান হাবিব খান আরো বলেন, আমরা গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে চিন্তা করেছিলাম কাটাকাটি করবে। কিন্তু দেখলাম সেই কাটাটা ভাণ্ডারিয়ায় হলো। এটা আমরা খুঁজে বের করবো কে, কখন, কারা, কীভাবে, কোন পক্ষের হয়ে এ জিনিসগুলো করেছে। আমি নির্দিষ্টভাবে এসপিকে দায়িত্ব দিয়েছি। ডিবির কর্মকর্তাদের দায়িত্ব দিয়েছি। রাস্তায় অনেক ফুটেজ থাকে সিসি ক্যামেরা থাকে, কোনো কোনো বাসায় থাকে। এটা খুঁজে বের করার জন্য বলেছি।

এছাড়া কোনো প্রকার কিছু হয়নি। চার-পাঁচটা কেন্দ্রের সিসি ক্যামেরার ক্যাবল কাটা হয়েছে। তিনটা ঠিক করা হয়েছে। এটা এজন্য বললাম যে তারটা কেটে সরিয়ে নিয়ে গেছে, যেন সহজে সারানো না যায়। সেই পাঁচটা কেন্দ্রে আমাদের পৃথক পাঁচজন পর্যবেক্ষক দেওয়া হয়েছে।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরো বলেন, ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় একটি কেন্দ্রে সাংবাদিককে মোবাইল নিয়ে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। এটার ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নীতিমালায় বলা আছে সাংবাদিকরা কেন্দ্রে ঢুকে প্রিজাইডিং কর্মকর্তাকে অবগত করবেন। সাংবাদিকরা যেখানে খুশি সেখানে যেতে পারবেন, শুধুমাত্র গোপন কক্ষ বাদে। কাজেই এটি অন্যায় হয়েছে। এর বিচার হওয়া উচিত।

সূত্র: সমকাল
এম ইউ/১৭ জুলাই ২০২৩

coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

সিসি ক্যামেরার তার কে কেটেছে, খুঁজে বের করা হবে

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

সিসি ক্যামেরার তার কে কেটেছে, খুঁজে বের করা হবে

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: সোমবার, ১৭ জুলাই ২০২৩, ০৭:০৭ অপরাহ্ন
Print Image
[ad_1] ঢাকা, ১৭ জুলাই – নির্বাচন কমিশনার মো. আহসান হাবিব খান বলেছেন, পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়া পৌরসভা নির্বাচনে পাঁচটি কেন্দ্রের সিসি ক্যামেরার তার কোন পক্ষের নির্দেশনায় কাটা হয়েছে তা খুঁজে বের করবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এজন্য স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলো নির্দেশনা দিয়েছে নির্বাচন আয়োজনকারী সংস্থাটি। সোমবার (১৭ জুলাই) নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের কাছে এ কথা বলেন আহসান হাবিব। আহসান হাবিব বলেন, দূর থেকে কাশবন ঘন লাগে। কাছে গেলে ফাঁকা ফাঁকা লাগে। আপনারাই (সাংবাদিকরা) কিন্তু আমাদের মুভমেন্ট, কর্মকাণ্ড কাছ থেকে দেখেছেন। আপনাদের কী মনে হয় আমাদের আন্তরিকতার ঘাটতি ছিল? আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি। ভোটার উপস্থিতি কম হতে পারে। তিনি বলেন, আমরা চ্যালেঞ্জের মধ্যে ছিলাম বেনাপোল নির্বাচন নিয়ে। সেখানে ১২ বছর ধরে নির্বাচন হচ্ছে না। আরেকটা হচ্ছে ভাণ্ডারিয়া। অনেক মামলার মধ্য দিয়ে অবশেষে আল্লাহর রহমতে হলো। কী পরিমাণ ভোটার যে ওখানে হাজির হয়েছে এবং কী সুন্দর যে ভোট হচ্ছে! আমরা কিন্তু ক্ষণে ক্ষণে সবার সঙ্গে কথা বলছি। জানছি ওখানে ভালো ভোট হচ্ছে। তিনি বলেন, ওইখানকার (প্রার্থীদের) রিকোয়েস্টের ভিত্তিতেই কিন্তু আমরা ইভিএম ও সিসি ক্যামেরা দিয়েছিলাম। বেনাপোলের সিসি ক্যামেরা ওকে। ওয়ার্কিং ফাইন। কিন্তু ভাণ্ডারিয়ায় কিছু কিছু মিসক্রিয়েন্ট গতকাল রাতে সিসি ক্যামেরার ক্যাবল কেটে দিয়েছে। কাটা পড়েছে বললাম না। সকাল থেকে ডিসি, এসপি, গোয়েন্দা সংস্থা লাগিয়ে চেক করেছি। ওপরের ফুটেজ দেখে চিহ্নিত করার চেষ্টা করেছি। এতে কিন্তু ভোটের অসুবিধা হচ্ছে না। ইভিএমে যেহেতু কারচুপির সুযোগ নাই। দুই পক্ষে উপস্থিতিই ব্যালেন্স করছে। আহসান হাবিব খান আরো বলেন, আমরা গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে চিন্তা করেছিলাম কাটাকাটি করবে। কিন্তু দেখলাম সেই কাটাটা ভাণ্ডারিয়ায় হলো। এটা আমরা খুঁজে বের করবো কে, কখন, কারা, কীভাবে, কোন পক্ষের হয়ে এ জিনিসগুলো করেছে। আমি নির্দিষ্টভাবে এসপিকে দায়িত্ব দিয়েছি। ডিবির কর্মকর্তাদের দায়িত্ব দিয়েছি। রাস্তায় অনেক ফুটেজ থাকে সিসি ক্যামেরা থাকে, কোনো কোনো বাসায় থাকে। এটা খুঁজে বের করার জন্য বলেছি। এছাড়া কোনো প্রকার কিছু হয়নি। চার-পাঁচটা কেন্দ্রের সিসি ক্যামেরার ক্যাবল কাটা হয়েছে। তিনটা ঠিক করা হয়েছে। এটা এজন্য বললাম যে তারটা কেটে সরিয়ে নিয়ে গেছে, যেন সহজে সারানো না যায়। সেই পাঁচটা কেন্দ্রে আমাদের পৃথক পাঁচজন পর্যবেক্ষক দেওয়া হয়েছে। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরো বলেন, ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় একটি কেন্দ্রে সাংবাদিককে মোবাইল নিয়ে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। এটার ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নীতিমালায় বলা আছে সাংবাদিকরা কেন্দ্রে ঢুকে প্রিজাইডিং কর্মকর্তাকে অবগত করবেন। সাংবাদিকরা যেখানে খুশি সেখানে যেতে পারবেন, শুধুমাত্র গোপন কক্ষ বাদে। কাজেই এটি অন্যায় হয়েছে। এর বিচার হওয়া উচিত। সূত্র: সমকালএম ইউ/১৭ জুলাই ২০২৩

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×