হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

উখিয়া-টেকনাফে রোহিঙ্গা ক্যাম্প ভিত্তিক মানব পাচারকারীরা ফের সক্রিয়, আটক ৩

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

শুক্রবার, ২১ জুলাই ২০২৩, ০৩:০৮ অপরাহ্ন




উখিয়া ও টেকনাফে ফের সক্রিয় হয়ে উঠেছে মানব পাচারকারী সিন্ডিকেট। রোহিঙ্গা ক্যাম্প কেন্দ্রিক চিহ্নিত দালাল ও স্থানীয় পাচারকারীদের সমন্বয়ে গঠিত হয়েছে এ সিন্ডিকেট। প্রলোভন দেখিয়ে মোট অংকের টাকার বিনিময় ক্যাম্পের নারী, শিশু ও পুরুষদের সাগর পথে অবৈধ ভাবে মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড ও ইন্দোনেশিয়ায় পাচার করছে।

আরও পড়ুন

হরমুজ প্রণালিতে ৪ দেশের জাহাজে ইরানের বিশেষ ছাড়

গুরুতর অভিযোগ উঠেছে, বিভিন্ন সময়ে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার অভিযানে মানব পাচারকারী সদস্যদের গ্রেপ্তার করা হলেও সিন্ডিকেটের গডফাদাররা সবসময় আড়ালে থেকে যায়।
গতকাল বৃহস্পতিবার ভোরে এ চক্রের তিন জন পাচারকারীকে আটক করেছে উখিয়া ৮ আর্মড পুলিশ। এ সময় তাদের কবল হতে মিয়ানমারে জিম্মি থাকার ১২ দিন পর কেফায়েত উল্লাহ নামে এক রোহিঙ্গাকে মিয়ানমার হতে উদ্ধার করেছে। সে উখিয়ার ক্যাম্প-১৯ এর বাসিন্দা আটক পাচারকারীরা হলো, উখিয়া বালুখালী ক্যাম্পে বাসিন্দা এনাম উল্লাহ  টেকনাফের নতুন পল্লান পাড়ার কলিম উল্লাহ ও  লম্বরী গ্রামের তারিকুল ইসলাম।
উখিয়াস্থ ৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপস্ অ্যান্ড মিডিয়া) মো. ফারুক আহমেদ জানান, গত ৮ জুলাই ১৯ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে কেফায়েত উল্লাহ (২৪) ও হামিদ হোসেন (২৫) নামে দুই ব্যক্তিকে কাজের প্রলোভন দেখিয়ে টেকনাফের অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায় মানবপাচারকারীরা। পরে সেখান থেকে হামিদ হোসেন কৌশলে পালিয়ে এলেও কেফায়েত উল্লাহকে পাঠিয়ে দেয়া হয় মিয়ানমারস্থ পাচারকারীদের কাছে। সেখানে তাকে আটক করে মারধর করে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে পরিবারের কাছে মোটা অঙ্কও দাবি করা হয়। ঘটনা জানার পর আমরা উখিয়া ও টেকনাফের সম্ভাব্য স্থানে অভিযান পরিচালনা করি। এরপর একে একে আর্ন্তজাতিক মানব পাচারকারীদের আটক করা হয়। তারপর তাদের মাধ্যমে মিয়ানমারে পাচার জিম্মি ওই রোহিঙ্গা যুবককে উদ্ধার করতে সক্ষম হই।

এপিবিএনর কাছে আটকরা স্বীকার করেছে দীর্ঘদিন ধরে রোহিঙ্গা ক্যাম্প ও স্থানীয়দের মিয়ানমার-মালয়েশিয়ায় পাচার করে আসছে।
তিনি বলেন, আমরা প্রাথমিকভাবে ধারণা করছি ‘আরসা’ সন্ত্রাসীরা অর্থ উর্পাজন করতে এ চক্রের সঙ্গে জড়িত থাকার সম্ভবনা রয়েছে। তবুও বিষয়টি আরও খতিয়ে দেখা দরকার। এ ঘটনায় আটক মানব পাচারকারীদের বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া চলছে।








coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

উখিয়া-টেকনাফে রোহিঙ্গা ক্যাম্প ভিত্তিক মানব পাচারকারীরা ফের সক্রিয়, আটক ৩

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

উখিয়া-টেকনাফে রোহিঙ্গা ক্যাম্প ভিত্তিক মানব পাচারকারীরা ফের সক্রিয়, আটক ৩

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: শুক্রবার, ২১ জুলাই ২০২৩, ০৩:০৮ অপরাহ্ন
Print Image
[ad_1] উখিয়া ও টেকনাফে ফের সক্রিয় হয়ে উঠেছে মানব পাচারকারী সিন্ডিকেট। রোহিঙ্গা ক্যাম্প কেন্দ্রিক চিহ্নিত দালাল ও স্থানীয় পাচারকারীদের সমন্বয়ে গঠিত হয়েছে এ সিন্ডিকেট। প্রলোভন দেখিয়ে মোট অংকের টাকার বিনিময় ক্যাম্পের নারী, শিশু ও পুরুষদের সাগর পথে অবৈধ ভাবে মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড ও ইন্দোনেশিয়ায় পাচার করছে। গুরুতর অভিযোগ উঠেছে, বিভিন্ন সময়ে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার অভিযানে মানব পাচারকারী সদস্যদের গ্রেপ্তার করা হলেও সিন্ডিকেটের গডফাদাররা সবসময় আড়ালে থেকে যায়।গতকাল বৃহস্পতিবার ভোরে এ চক্রের তিন জন পাচারকারীকে আটক করেছে উখিয়া ৮ আর্মড পুলিশ। এ সময় তাদের কবল হতে মিয়ানমারে জিম্মি থাকার ১২ দিন পর কেফায়েত উল্লাহ নামে এক রোহিঙ্গাকে মিয়ানমার হতে উদ্ধার করেছে। সে উখিয়ার ক্যাম্প-১৯ এর বাসিন্দা আটক পাচারকারীরা হলো, উখিয়া বালুখালী ক্যাম্পে বাসিন্দা এনাম উল্লাহ  টেকনাফের নতুন পল্লান পাড়ার কলিম উল্লাহ ও  লম্বরী গ্রামের তারিকুল ইসলাম।উখিয়াস্থ ৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপস্ অ্যান্ড মিডিয়া) মো. ফারুক আহমেদ জানান, গত ৮ জুলাই ১৯ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে কেফায়েত উল্লাহ (২৪) ও হামিদ হোসেন (২৫) নামে দুই ব্যক্তিকে কাজের প্রলোভন দেখিয়ে টেকনাফের অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায় মানবপাচারকারীরা। পরে সেখান থেকে হামিদ হোসেন কৌশলে পালিয়ে এলেও কেফায়েত উল্লাহকে পাঠিয়ে দেয়া হয় মিয়ানমারস্থ পাচারকারীদের কাছে। সেখানে তাকে আটক করে মারধর করে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে পরিবারের কাছে মোটা অঙ্কও দাবি করা হয়। ঘটনা জানার পর আমরা উখিয়া ও টেকনাফের সম্ভাব্য স্থানে অভিযান পরিচালনা করি। এরপর একে একে আর্ন্তজাতিক মানব পাচারকারীদের আটক করা হয়। তারপর তাদের মাধ্যমে মিয়ানমারে পাচার জিম্মি ওই রোহিঙ্গা যুবককে উদ্ধার করতে সক্ষম হই। এপিবিএনর কাছে আটকরা স্বীকার করেছে দীর্ঘদিন ধরে রোহিঙ্গা ক্যাম্প ও স্থানীয়দের মিয়ানমার-মালয়েশিয়ায় পাচার করে আসছে।তিনি বলেন, আমরা প্রাথমিকভাবে ধারণা করছি ‘আরসা’ সন্ত্রাসীরা অর্থ উর্পাজন করতে এ চক্রের সঙ্গে জড়িত থাকার সম্ভবনা রয়েছে। তবুও বিষয়টি আরও খতিয়ে দেখা দরকার। এ ঘটনায় আটক মানব পাচারকারীদের বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া চলছে। [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×