হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

তারেক রহমানের বক্তব্য প্রচারে নিষেধাজ্ঞা হাইকোর্টের

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

বৃহস্পতিবার, ১০ আগস্ট ২০২৩, ০১:০৭ অপরাহ্ন

ঢাকা, ১০ আগস্ট – বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বক্তব্য গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন আদালত। সেইসঙ্গে তারেক রহমানের বর্তমান ঠিকানা সঠিকভাবে উল্লেখ করে রিটে নতুন করে সম্পূরক আবেদন করতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

আজ বৃহস্পতিবার বিচারপতি মো. খসরুজ্জামান ও বিচারপতি খায়রুল আলমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে এই আদেশ দেন। এর আগে মঙ্গলবার এ আবেদনের ওপর শুনানির পর আদেশের জন্য এই দিন ধার্য করেছিলেন আদালত।

এই দিন মামলার শুনানিতে আদালত কক্ষে আওয়ামী লীগ ও বিএনপিপন্থী আইনজীবীদের মধ্যে হট্টগোল হয়। তারেক রহমানকে পলাতক এবং তাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না বলে আওয়ামী লীগের আইনজীবীরা শুনানিতে বললে এ নিয়ে আদালতে দুপক্ষের মধ্যে বাদানুবাদ হয়। তারেক রহমানের বক্তব্য প্রচারে নিষেধাজ্ঞার রুল শুনানির জন্য দিন ঠিক করতে মঙ্গলবার হাইকোর্টে যান রিটকারী আইনজীবীরা।

আরও পড়ুন

ইনানীতে নিয়ন্ত্রণহীন গ্যাসের আগুন ঘিরে আতঙ্ক, বিদ্যুৎহীন ৩ হাজার ৮০০ পরিবার

আদালত শুনানির শুরুতে জানতে চান তারেক রহমানকে তো নোটিশ দেওয়া হয়নি, এর শুনানি হবে কীভাবে? এ সময় রিটকারী আইনজীবী বলেন, ওনাকে কোনো ঠিকানায় পাওয়া যায়নি। রিটকারীর এ জবাবের বিরোধিতা করেন বিএনপিপন্থী আইনজীবীরা।

এ নিয়ে এজলাসে হট্টগোলের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত বলেন, হাইকোর্ট রুলস অনুযায়ী অবশ্যই নোটিশ দিতে হবে তারেক রহমানকে। তবে সেটি কোন প্রক্রিয়ায় তার উপায় খুঁজতে হবে।

আদালতে উপস্থিত বিএনপিপন্থী আইনজীবীদের উদ্দেশে আদালত বলেন, ‘আপনারা যেহেতু এ মামলার শুনানিতে এসেছেন। এর অর্থ আপনারা নোটিশ পেয়ে গেছেন। তবে বিএনপিপন্থী আইনজীবীদের জবাব— তারা ন্যায়বিচারের জন্য আদালতে এসেছেন। নোটিশ পেয়ে নয়।’

প্রসঙ্গত, ২০১৫ সালের এক রিট আবেদনে আইনের দৃষ্টিতে পলাতক তারেক রহমানের বক্তব্য গণমাধ্যমে প্রচার নিষিদ্ধ করেন হাইকোর্ট। তবে সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অনলাইনে বক্তব্য দেওয়ায় ফের হাইকোর্টে আসেন রিটকারীরা। ওইদিন আদালতে রিটকারীর পক্ষে ছিলেন আইনজীবী কামরুল ইসলাম আর তারেক রহমানের পক্ষে আইনজীবী ছিলেন বিএনপির আইনবিষয়ক সম্পাদক কায়সার কামাল।

সূত্র: আমাদের সময়

coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

তারেক রহমানের বক্তব্য প্রচারে নিষেধাজ্ঞা হাইকোর্টের

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

তারেক রহমানের বক্তব্য প্রচারে নিষেধাজ্ঞা হাইকোর্টের

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১০ আগস্ট ২০২৩, ০১:০৭ অপরাহ্ন
Print Image
[ad_1] ঢাকা, ১০ আগস্ট – বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বক্তব্য গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন আদালত। সেইসঙ্গে তারেক রহমানের বর্তমান ঠিকানা সঠিকভাবে উল্লেখ করে রিটে নতুন করে সম্পূরক আবেদন করতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। আজ বৃহস্পতিবার বিচারপতি মো. খসরুজ্জামান ও বিচারপতি খায়রুল আলমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে এই আদেশ দেন। এর আগে মঙ্গলবার এ আবেদনের ওপর শুনানির পর আদেশের জন্য এই দিন ধার্য করেছিলেন আদালত। এই দিন মামলার শুনানিতে আদালত কক্ষে আওয়ামী লীগ ও বিএনপিপন্থী আইনজীবীদের মধ্যে হট্টগোল হয়। তারেক রহমানকে পলাতক এবং তাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না বলে আওয়ামী লীগের আইনজীবীরা শুনানিতে বললে এ নিয়ে আদালতে দুপক্ষের মধ্যে বাদানুবাদ হয়। তারেক রহমানের বক্তব্য প্রচারে নিষেধাজ্ঞার রুল শুনানির জন্য দিন ঠিক করতে মঙ্গলবার হাইকোর্টে যান রিটকারী আইনজীবীরা। আদালত শুনানির শুরুতে জানতে চান তারেক রহমানকে তো নোটিশ দেওয়া হয়নি, এর শুনানি হবে কীভাবে? এ সময় রিটকারী আইনজীবী বলেন, ওনাকে কোনো ঠিকানায় পাওয়া যায়নি। রিটকারীর এ জবাবের বিরোধিতা করেন বিএনপিপন্থী আইনজীবীরা। এ নিয়ে এজলাসে হট্টগোলের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত বলেন, হাইকোর্ট রুলস অনুযায়ী অবশ্যই নোটিশ দিতে হবে তারেক রহমানকে। তবে সেটি কোন প্রক্রিয়ায় তার উপায় খুঁজতে হবে। আদালতে উপস্থিত বিএনপিপন্থী আইনজীবীদের উদ্দেশে আদালত বলেন, ‘আপনারা যেহেতু এ মামলার শুনানিতে এসেছেন। এর অর্থ আপনারা নোটিশ পেয়ে গেছেন। তবে বিএনপিপন্থী আইনজীবীদের জবাব— তারা ন্যায়বিচারের জন্য আদালতে এসেছেন। নোটিশ পেয়ে নয়।’ প্রসঙ্গত, ২০১৫ সালের এক রিট আবেদনে আইনের দৃষ্টিতে পলাতক তারেক রহমানের বক্তব্য গণমাধ্যমে প্রচার নিষিদ্ধ করেন হাইকোর্ট। তবে সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অনলাইনে বক্তব্য দেওয়ায় ফের হাইকোর্টে আসেন রিটকারীরা। ওইদিন আদালতে রিটকারীর পক্ষে ছিলেন আইনজীবী কামরুল ইসলাম আর তারেক রহমানের পক্ষে আইনজীবী ছিলেন বিএনপির আইনবিষয়ক সম্পাদক কায়সার কামাল। সূত্র: আমাদের সময় [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×