হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

মিয়ানমারে খনিতে ভূমিধস, নিখোঁজ ৩০

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

মঙ্গলবার, ১৫ আগস্ট ২০২৩, ০৬:০৭ পূর্বাহ্ন


নেপিডো, ১৪ আগস্ট – উত্তর মিয়ানমারের জেড পাথরের খনিতে ভূমিধসে ৩০ জনেরও বেশি মানুষ নিখোঁজ হয়েছে। ভূমিধসে নিখোঁজদের সন্ধানে চলছে অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান। ঘটনাস্থলে উপস্থিত একজন উদ্ধারকারী কর্মকর্তা এ তথ্য জানিয়েছেন। মিয়ানমারের এই জেড পাথর উত্তোলন এক বিশাল ব্যবসা।

পৃথিবীর ৭০ শতাংশ জেড উৎপন্ন হয় মিয়ানমারে।
ঘটনাটি ঘটেছে মিয়ানমারের বৃহত্তম শহর ইয়াঙ্গুন থেকে প্রায় ৯৫০ কিলোমিটার (৬০০ মাইল) উত্তরে কাচিন রাজ্য এইচপাকান্তে। এটি একটি প্রত্যন্ত পাহাড়ী শহর।এই অঞ্চলটি বিশ্বের বৃহত্তম এবং সবচেয়ে লাভজনক জেড পাথরের খনিগুলোর কেন্দ্রস্থল।

আরও পড়ুন

মিয়ানমারের বিরুদ্ধে রোহিঙ্গা গণহত্যার অভিযোগে দায়ের করা মামলার রায় ১৯ নভেম্বর

স্থানীয় উদ্ধারকারী দলের নেতা বলেছেন, ৩০ জনেরও বেশি খনি শ্রমিক ভূমিধসের কারণে হ্রদে ভেসে যায়। শ্রমিকরা সেখানে খননের কাজ করছিলেন। গ্রামের কাছাকাছি খনিগুলো থেকে মাটি এবং ধ্বংসাবশেষ ৩০৪ মিটার (প্রায় ১০০০ফুট) পাহাড়ের নিচে একটি হ্রদে গিয়ে পড়ে। ওই সময় পথে খনি শ্রমিকদের আঘাত করে।

উদ্ধারকারী দলের ওই নেতা সেনাবাহিনী হাতে গ্রেপ্তারের ভয়ে নিজের নাম প্রকাশ করেননি।

দুর্ঘটনায় ৩৪ জন নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টি তিনি নিশ্চিত করেছেন এবং স্থানীয় উদ্ধারকারী দল হ্রদে অনুসন্ধান চালাচ্ছে বলে জানিয়েছেন। এ ঘটনায় ৮ খনি শ্রমিক আহত হয়েছেন এবং তাদের স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। একজন খনি শ্রমিক তার নাম প্রকাশ না করে জানিয়েছে, তার তিনজন সহকর্মী ভূমিধসে হ্রদে তলিয়ে গেছে। নিহতদের অধিকাংশই পুরুষ।

ভুক্তভোগীরা সাধারণত স্বাধীন খনি শ্রমিক। তারা খনির পাশেই মাটির বিশাল ঢিবির কাছে বসবাস করেন।
এর আগে, ২০২০ সালের জুলাইতে একই এলাকায় ভূমিধসে কমপক্ষে ১৬২ জন মারা গিয়েছিল। তারও আগে ২০১৫ সালের নভেম্বরে আরো একটি দুর্ঘটনায় ১১৩ জন মারা গিয়েছিল। মানবাধিকার কর্মীরা বলছেন, ‘জেড মাইনিং’ মিয়ানমারের জান্তা সরকারের রাজস্বের একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস। চীনাদের কাছে অন্যতম আকাঙ্খিত বস্তু হচ্ছে এই জেড। প্রতি বছর এই বাণিজ্য থেকে শত শত কোটি ডলার আয় করে মিয়ানমার। সেনা শাসনের বিরোধীরা খনিজ সম্পদের বিক্রি কমাতে নিষেধাজ্ঞা ও বয়কটের পক্ষে।

সূত্র: কালের কন্ঠ
আইএ/ ১৪ আগস্ট ২০২৩




coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

মিয়ানমারে খনিতে ভূমিধস, নিখোঁজ ৩০

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

মিয়ানমারে খনিতে ভূমিধস, নিখোঁজ ৩০

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৫ আগস্ট ২০২৩, ০৬:০৭ পূর্বাহ্ন
Print Image
[ad_1] নেপিডো, ১৪ আগস্ট – উত্তর মিয়ানমারের জেড পাথরের খনিতে ভূমিধসে ৩০ জনেরও বেশি মানুষ নিখোঁজ হয়েছে। ভূমিধসে নিখোঁজদের সন্ধানে চলছে অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান। ঘটনাস্থলে উপস্থিত একজন উদ্ধারকারী কর্মকর্তা এ তথ্য জানিয়েছেন। মিয়ানমারের এই জেড পাথর উত্তোলন এক বিশাল ব্যবসা। পৃথিবীর ৭০ শতাংশ জেড উৎপন্ন হয় মিয়ানমারে।ঘটনাটি ঘটেছে মিয়ানমারের বৃহত্তম শহর ইয়াঙ্গুন থেকে প্রায় ৯৫০ কিলোমিটার (৬০০ মাইল) উত্তরে কাচিন রাজ্য এইচপাকান্তে। এটি একটি প্রত্যন্ত পাহাড়ী শহর।এই অঞ্চলটি বিশ্বের বৃহত্তম এবং সবচেয়ে লাভজনক জেড পাথরের খনিগুলোর কেন্দ্রস্থল। স্থানীয় উদ্ধারকারী দলের নেতা বলেছেন, ৩০ জনেরও বেশি খনি শ্রমিক ভূমিধসের কারণে হ্রদে ভেসে যায়। শ্রমিকরা সেখানে খননের কাজ করছিলেন। গ্রামের কাছাকাছি খনিগুলো থেকে মাটি এবং ধ্বংসাবশেষ ৩০৪ মিটার (প্রায় ১০০০ফুট) পাহাড়ের নিচে একটি হ্রদে গিয়ে পড়ে। ওই সময় পথে খনি শ্রমিকদের আঘাত করে। উদ্ধারকারী দলের ওই নেতা সেনাবাহিনী হাতে গ্রেপ্তারের ভয়ে নিজের নাম প্রকাশ করেননি। দুর্ঘটনায় ৩৪ জন নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টি তিনি নিশ্চিত করেছেন এবং স্থানীয় উদ্ধারকারী দল হ্রদে অনুসন্ধান চালাচ্ছে বলে জানিয়েছেন। এ ঘটনায় ৮ খনি শ্রমিক আহত হয়েছেন এবং তাদের স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। একজন খনি শ্রমিক তার নাম প্রকাশ না করে জানিয়েছে, তার তিনজন সহকর্মী ভূমিধসে হ্রদে তলিয়ে গেছে। নিহতদের অধিকাংশই পুরুষ। ভুক্তভোগীরা সাধারণত স্বাধীন খনি শ্রমিক। তারা খনির পাশেই মাটির বিশাল ঢিবির কাছে বসবাস করেন।এর আগে, ২০২০ সালের জুলাইতে একই এলাকায় ভূমিধসে কমপক্ষে ১৬২ জন মারা গিয়েছিল। তারও আগে ২০১৫ সালের নভেম্বরে আরো একটি দুর্ঘটনায় ১১৩ জন মারা গিয়েছিল। মানবাধিকার কর্মীরা বলছেন, ‘জেড মাইনিং’ মিয়ানমারের জান্তা সরকারের রাজস্বের একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস। চীনাদের কাছে অন্যতম আকাঙ্খিত বস্তু হচ্ছে এই জেড। প্রতি বছর এই বাণিজ্য থেকে শত শত কোটি ডলার আয় করে মিয়ানমার। সেনা শাসনের বিরোধীরা খনিজ সম্পদের বিক্রি কমাতে নিষেধাজ্ঞা ও বয়কটের পক্ষে। সূত্র: কালের কন্ঠআইএ/ ১৪ আগস্ট ২০২৩ [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×