হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

কিয়েভে ঐতিহাসিক বৈঠক ইইউ পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

মঙ্গলবার, ৩ অক্টোবর ২০২৩, ০৬:০৭ অপরাহ্ন


কিয়েভ, ০৩ অক্টোবর – ইউক্রেনে গিয়ে কিয়েভের প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানালেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) পররাষ্ট্রন্ত্রীরা। তারপরেও প্রশ্ন, ভবিষ্যতেও ছবিটা এক থাকবে তো?

ইইউ-র কূটনীতিক জোসেপ বরেল কিয়েভে গিয়ে ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর পাশে দাঁড়িয়ে একটাই বার্তা দিতে চেয়েছেন। সেটা হলো, ইইউ পুরোপুরি ইউক্রেনের পাশে আছে।

আরও পড়ুন

কানাডার নতুন বাজেটে কার ভাগ্যে কতটা প্রাপ্তি

পরে এক্স হ্যান্ডেলে বরেল লিখেছেন, “আমরা ইউক্রেনে ইইউ-এর পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের ঐতিহাসিক বৈঠক ডেকেছি। ইউক্রেন ইইউ-এর সদস্য হওয়ার জন্য আবেদন করেছে। তারা ভবিষ্যতের সদস্য। আমরা তাদের পূর্ণ সমর্থন জানাচ্ছি।”
জার্মানির পররাষ্ট্রমন্ত্রী বেয়ারবক বলেছেন, আসন্ন শীত মৌসুমে রাশিয়ার বোমার হাত থেকে বাঁচার জন্য ইউক্রেনের একটা প্রোটেকটিভ শিল্ড দরকার। অর্থাৎ তিনি ইউক্রেনের এয়ার ডিফেন্স ব্যবস্থাকে আরো মজবুত করতে চেয়েছেন।

ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, রাশিয়া যেন মনে রাখে আমরা দীর্ঘ সময়ের জন্য ইউক্রেনকে সামর্থন ও সাহায্য করে যাবো।

ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসনের পর ১৮ মাসেরও বেশি সময় হয়ে গেছে। এখনো এই বিরোধ মেটার কোনো ইঙ্গিত নেই। ইউক্রেনও এখন পাল্টা আক্রমণের রাস্তায় গেছে।

এই পরিস্থিতিতে ইইউ স্পষ্ট করে দিয়েছে, তারা ইউক্রেনকে সাহায্য ও সহযোগিতা করে যাবে। ইইউ-এর দেশগুলো মিলে ১৩০ বিলিয়ান ইউরো সাহায্যের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। জার্মানি একাই ২০ বিলিয়ন ইউরো দেওয়ার কথা বলেছে। আমেরিকা ৬০ বিলিয়ন দিচ্ছে।

এদিকে, রবিবার স্লোভাকিয়ার নির্বাচনে রুশপন্থি রবার্ট ফিকোর নেতৃত্বে জোট জিতেছে। তিনি ইউক্রেনকে কোনোরকম সামরিক সাহায্য দেওয়ার বিরোধী। ফলে হাঙ্গেরির মতো স্লোভাকিয়াও ইউক্রেন-বিরোধী অবস্থান নিতে পারে।

এমনকি ইউক্রেনের অন্যতম ঘনিষ্ঠ বন্ধু দেশ পোল্যান্ডও জানিয়েছিল, তারা আর ইউক্রেনকে অস্ত্র দেবে না। পরে অবশ্য প্রেসিডেন্ট জানিয়েছেন, তার কথার ভুল ব্যাখ্যা হয়েছে। তিনি বলেছেন, তারা ইউক্রেনকে পরমাণু অস্ত্র দেবেন না।

পোল্যান্ডেও নির্বাচন আসছে। ক্ষমতাসীন দল জেতার জন্য কৃষকদের ভোটের উপর নির্ভর করে। আর ইউক্রেন থেকে শস্য আসার ফলে পোল্যান্ডের কৃষকরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। তার প্রভাব ভোটে পড়তে পারে।

আমেরিকাও এখন সাময়িকভাবে অর্থসাহায্য বন্ধ রেখেছে। কারণ, দেশটিতে বাজেট আলোচনা চলছে। ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অবশ্য জানিয়েছেন, তার আশা যুক্তরাষ্ট্র আগের মতোই সমর্থন করবে।

তবে কিয়েভে ইইউ-এর পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের যে বৈঠক হয়েছে, সেখানে ইউক্রেনের প্রতি ইইউ-এর নীতিতে খুব বেশি পরিবর্তন হবে এমন কোনো ইঙ্গিত মেলেনি। সূত্র: ডয়েচে ভেলে, ইউরো নিউজ

সূত্র: বিডি প্রতিদিন
আইএ/ ০৩ অক্টোবর ২০২৩




coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

কিয়েভে ঐতিহাসিক বৈঠক ইইউ পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

কিয়েভে ঐতিহাসিক বৈঠক ইইউ পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ অক্টোবর ২০২৩, ০৬:০৭ অপরাহ্ন
Print Image
[ad_1] কিয়েভ, ০৩ অক্টোবর – ইউক্রেনে গিয়ে কিয়েভের প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানালেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) পররাষ্ট্রন্ত্রীরা। তারপরেও প্রশ্ন, ভবিষ্যতেও ছবিটা এক থাকবে তো? ইইউ-র কূটনীতিক জোসেপ বরেল কিয়েভে গিয়ে ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর পাশে দাঁড়িয়ে একটাই বার্তা দিতে চেয়েছেন। সেটা হলো, ইইউ পুরোপুরি ইউক্রেনের পাশে আছে। পরে এক্স হ্যান্ডেলে বরেল লিখেছেন, “আমরা ইউক্রেনে ইইউ-এর পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের ঐতিহাসিক বৈঠক ডেকেছি। ইউক্রেন ইইউ-এর সদস্য হওয়ার জন্য আবেদন করেছে। তারা ভবিষ্যতের সদস্য। আমরা তাদের পূর্ণ সমর্থন জানাচ্ছি।”জার্মানির পররাষ্ট্রমন্ত্রী বেয়ারবক বলেছেন, আসন্ন শীত মৌসুমে রাশিয়ার বোমার হাত থেকে বাঁচার জন্য ইউক্রেনের একটা প্রোটেকটিভ শিল্ড দরকার। অর্থাৎ তিনি ইউক্রেনের এয়ার ডিফেন্স ব্যবস্থাকে আরো মজবুত করতে চেয়েছেন। ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, রাশিয়া যেন মনে রাখে আমরা দীর্ঘ সময়ের জন্য ইউক্রেনকে সামর্থন ও সাহায্য করে যাবো। ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসনের পর ১৮ মাসেরও বেশি সময় হয়ে গেছে। এখনো এই বিরোধ মেটার কোনো ইঙ্গিত নেই। ইউক্রেনও এখন পাল্টা আক্রমণের রাস্তায় গেছে। এই পরিস্থিতিতে ইইউ স্পষ্ট করে দিয়েছে, তারা ইউক্রেনকে সাহায্য ও সহযোগিতা করে যাবে। ইইউ-এর দেশগুলো মিলে ১৩০ বিলিয়ান ইউরো সাহায্যের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। জার্মানি একাই ২০ বিলিয়ন ইউরো দেওয়ার কথা বলেছে। আমেরিকা ৬০ বিলিয়ন দিচ্ছে। এদিকে, রবিবার স্লোভাকিয়ার নির্বাচনে রুশপন্থি রবার্ট ফিকোর নেতৃত্বে জোট জিতেছে। তিনি ইউক্রেনকে কোনোরকম সামরিক সাহায্য দেওয়ার বিরোধী। ফলে হাঙ্গেরির মতো স্লোভাকিয়াও ইউক্রেন-বিরোধী অবস্থান নিতে পারে। এমনকি ইউক্রেনের অন্যতম ঘনিষ্ঠ বন্ধু দেশ পোল্যান্ডও জানিয়েছিল, তারা আর ইউক্রেনকে অস্ত্র দেবে না। পরে অবশ্য প্রেসিডেন্ট জানিয়েছেন, তার কথার ভুল ব্যাখ্যা হয়েছে। তিনি বলেছেন, তারা ইউক্রেনকে পরমাণু অস্ত্র দেবেন না। পোল্যান্ডেও নির্বাচন আসছে। ক্ষমতাসীন দল জেতার জন্য কৃষকদের ভোটের উপর নির্ভর করে। আর ইউক্রেন থেকে শস্য আসার ফলে পোল্যান্ডের কৃষকরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। তার প্রভাব ভোটে পড়তে পারে। আমেরিকাও এখন সাময়িকভাবে অর্থসাহায্য বন্ধ রেখেছে। কারণ, দেশটিতে বাজেট আলোচনা চলছে। ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অবশ্য জানিয়েছেন, তার আশা যুক্তরাষ্ট্র আগের মতোই সমর্থন করবে। তবে কিয়েভে ইইউ-এর পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের যে বৈঠক হয়েছে, সেখানে ইউক্রেনের প্রতি ইইউ-এর নীতিতে খুব বেশি পরিবর্তন হবে এমন কোনো ইঙ্গিত মেলেনি। সূত্র: ডয়েচে ভেলে, ইউরো নিউজ সূত্র: বিডি প্রতিদিনআইএ/ ০৩ অক্টোবর ২০২৩ [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×