হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

মায়ানমারের পরিস্থিতির দিকে তীক্ষ্ণ নজর রাখছে বাংলাদেশ

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

সোমবার, ২৯ জানুয়ারি ২০২৪, ১১:০৭ অপরাহ্ন


ঢাকা, ২৯ জানুয়ারি – বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের রোহিঙ্গা অধ্যুষিত এলাকায় সেনাবাহিনীর সঙ্গে আরাকান আর্মির তীব্র লড়াই চলছে। সেই সংঘাতের মর্টারশেল এসে পড়েছে বাংলাদেশে। এ ঘটনায় মিয়ানমারে দিকে তীক্ষ্ণ নজর রাখছে বাংলাদেশ। একই সঙ্গে মিয়ানমার সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে সরকার বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আরাকান আর্মি ও সরকারি বাহিনীর মধ্যে সংঘাত চলছে। সেই সংঘাতের মর্টারশেল আমাদের দেশে এসে পড়েছে। এটি আমরা অবশ্যই নজর রাখছি।

তিনি আরও বলেন, আমাদের সীমান্তরক্ষীরা সতর্ক আছে এবং মিয়ানমার বাহিনীর সঙ্গেও আমাদের যোগাযোগ আছে। আমরা আশা করবো সেখান থেকে কোনও মর্টারশেল এখানে আসবে না। আমরা সতর্ক আছি।

আরও পড়ুন

নারায়ণগঞ্জে পুলিশ সদস্যকে পিটিয়ে হাত-পা ভাঙল ও রগ কাটল মাদক কারবারিরা

মিয়ানমারে সেনাবাহিনী ও সশস্ত্র বিদ্রোহীদের মধ্যে ফের প্রচণ্ড গোলাগুলি ও সংঘর্ষের ঘটনায় সীমান্তের এপারে কক্সবাজারের টেকনাফ ও বান্দরবানের নাইক্ষংছড়ির বাসিন্দারা আতঙ্কে রয়েছেন।

তারা সীমান্তের কাছে হেলিকপ্টার উড়তে দেখেছেন। ভারী মর্টারশেলের শব্দও তারা শুনতে পাচ্ছেন। আতঙ্কে থাকার কথা বলেছেন ক্যাম্পে বসবাসরত রোহিঙ্গারাও।

রোববার ওপার থেকে বাংলাদেশের ভেতরে অন্তত ৫টি মর্টারশেল ছিটকে আসার বিষয়ে খবর প্রকাশ হয়েছে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে।

মর্টারশেল উড়ে আসার বিষয়ে উদ্বিগ্ন কি-না, এমন প্রশ্নে হাছান মাহমুদ বলেন, আমরা আশা করব যে, সেখান থেকে কোনো মর্টারশেল আমাদের দেশে আসবে না। তবে আমরা সতর্ক আছি এ ব্যাপারে।

আবারও সংঘাতের ফলে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর অনুপ্রবেশের কোনো শঙ্কা করছেন কি না, এমন প্রশ্নে পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেন, এখনও কোনো কিছু দৃশ্যমান হয়নি।

উল্লেখ্য, দেশটিতে সংঘাতের মধ্যে ২০১৭ সালের ২৫ অগাস্টের পর সাত লাখের বেশি রোহিঙ্গা পালিয়ে বাংলাদেশে এসে আশ্রয় নিয়েছে। আগে থেকে থাকা রোহিঙ্গাদের নিয়ে কক্সবাজারের টেকনাফ ও উখিয়ার ক্যাম্পগুলোতে এখন ১১ লাখ রোহিঙ্গার বাস।

সূত্র: আরটিভি নিউজ
আইএ/ ২৯ জানুয়ারি ২০২৪

coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

মায়ানমারের পরিস্থিতির দিকে তীক্ষ্ণ নজর রাখছে বাংলাদেশ

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

মায়ানমারের পরিস্থিতির দিকে তীক্ষ্ণ নজর রাখছে বাংলাদেশ

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: সোমবার, ২৯ জানুয়ারি ২০২৪, ১১:০৭ অপরাহ্ন
Print Image
[ad_1] ঢাকা, ২৯ জানুয়ারি – বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের রোহিঙ্গা অধ্যুষিত এলাকায় সেনাবাহিনীর সঙ্গে আরাকান আর্মির তীব্র লড়াই চলছে। সেই সংঘাতের মর্টারশেল এসে পড়েছে বাংলাদেশে। এ ঘটনায় মিয়ানমারে দিকে তীক্ষ্ণ নজর রাখছে বাংলাদেশ। একই সঙ্গে মিয়ানমার সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে সরকার বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।এ বিষয়ে জানতে চাইলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আরাকান আর্মি ও সরকারি বাহিনীর মধ্যে সংঘাত চলছে। সেই সংঘাতের মর্টারশেল আমাদের দেশে এসে পড়েছে। এটি আমরা অবশ্যই নজর রাখছি।তিনি আরও বলেন, আমাদের সীমান্তরক্ষীরা সতর্ক আছে এবং মিয়ানমার বাহিনীর সঙ্গেও আমাদের যোগাযোগ আছে। আমরা আশা করবো সেখান থেকে কোনও মর্টারশেল এখানে আসবে না। আমরা সতর্ক আছি।মিয়ানমারে সেনাবাহিনী ও সশস্ত্র বিদ্রোহীদের মধ্যে ফের প্রচণ্ড গোলাগুলি ও সংঘর্ষের ঘটনায় সীমান্তের এপারে কক্সবাজারের টেকনাফ ও বান্দরবানের নাইক্ষংছড়ির বাসিন্দারা আতঙ্কে রয়েছেন।তারা সীমান্তের কাছে হেলিকপ্টার উড়তে দেখেছেন। ভারী মর্টারশেলের শব্দও তারা শুনতে পাচ্ছেন। আতঙ্কে থাকার কথা বলেছেন ক্যাম্পে বসবাসরত রোহিঙ্গারাও।রোববার ওপার থেকে বাংলাদেশের ভেতরে অন্তত ৫টি মর্টারশেল ছিটকে আসার বিষয়ে খবর প্রকাশ হয়েছে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে।মর্টারশেল উড়ে আসার বিষয়ে উদ্বিগ্ন কি-না, এমন প্রশ্নে হাছান মাহমুদ বলেন, আমরা আশা করব যে, সেখান থেকে কোনো মর্টারশেল আমাদের দেশে আসবে না। তবে আমরা সতর্ক আছি এ ব্যাপারে।আবারও সংঘাতের ফলে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর অনুপ্রবেশের কোনো শঙ্কা করছেন কি না, এমন প্রশ্নে পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেন, এখনও কোনো কিছু দৃশ্যমান হয়নি।উল্লেখ্য, দেশটিতে সংঘাতের মধ্যে ২০১৭ সালের ২৫ অগাস্টের পর সাত লাখের বেশি রোহিঙ্গা পালিয়ে বাংলাদেশে এসে আশ্রয় নিয়েছে। আগে থেকে থাকা রোহিঙ্গাদের নিয়ে কক্সবাজারের টেকনাফ ও উখিয়ার ক্যাম্পগুলোতে এখন ১১ লাখ রোহিঙ্গার বাস।সূত্র: আরটিভি নিউজআইএ/ ২৯ জানুয়ারি ২০২৪

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×