হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

রাফায় ভয়াবহ হামলার পরও ‘ইসরায়েল নীতি’ পরিবর্তন করবে না যুক্তরাষ্ট্র

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

শুক্রবার, ৩১ মে ২০২৪, ০৬:০৭ অপরাহ্ন


ওয়াশিংটন, ২৯ মে – গাজার রাফায় প্রাণঘাতী হামলার পরও ইসরায়েলের প্রতি মার্কিন নীতি বা সামরিক সহায়তায় কোনো পরিবর্তন হবে না বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মঙ্গলবার (২৭ মে) হোয়াইট হাউজে সাংবাদিকদের এ কথা বলেছেন মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের মুখপাত্র জন কিরবি।

তিনি বলেন, রাফাহতে বড় ধরনের কোনো স্থল অভিযান হয়নি যা মার্কিন রেড লাইন অতিক্রম করে। এর আগে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন সতর্ক করে বলেছিলেন, রাফাহ শহরে ইসরায়েল যে কোনো বড় ধরনের হামলা দেশটিতে মার্কিন অস্ত্র সরবরাহ বন্ধ করে দিতে পারে। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এই খবর জানিয়েছে।

সপ্তাহান্তে রাফাহতে হওয়া এই ঘটনাগুলোকে ‘মৃত্যু ও ধ্বংস’ হিসেবে বিবেচনা করা যায় কিনা এবং এর ফলে মার্কিন অস্ত্র সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়া হবে কিনা কিরবির কাছে তা জানতে চাইলে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ইসরায়েলিরা বলেছে এটি একটি দুঃখজনক ভুল ছিল।

আরও পড়ুন

কেশম দ্বীপে মার্কিন হামলার কথা স্বীকার করলেন ট্রাম্প, ইরানের সঙ্গে আলোচনায় অগ্রগতির দাবিও

এসময় কিরবি বলেন, আমরা এটাও বলেছি যে রাফাহতে আমরা একটি বড় ধরনের স্থল অভিযান দেখতে চাই না যেটি ইসরায়েলিদের জন্য ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি এবং সম্ভাব্য বিপুল সংখ্যক মৃত্যু ছাড়াই হামাসকে ধ্বংস করা কঠিন করে তুলবে। আমরা এখনও সেরকম কিছু দেখিনি।

ইসরায়েলের এ ধরনের হামলা বাইডেনকে একটি কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি করতে পারে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে কিরবি বলেন, এর পরিবর্তে ইসরায়েল যেভাবে অভিযান পরিচালনা করছে তাতে দেশটির আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় থেকে আরও বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ার একটি বাস্তব আশঙ্কা রয়েছে। কিরবি বলেছিলেন, সুতরাং স্পষ্টতই এটি উদ্বেগের বিষয়। কেননা, এটি ইসরায়েলের সর্বোত্তম স্বার্থ রক্ষা করবে না। এবং আমরাও চাই না বিশ্ব মঞ্চে ইসরায়েল ক্রমবর্ধমানভাবে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ুক।

রাফাহতে হওয়া সাম্প্রতিক মৃত্যুর নিয়ে মার্কিন প্রশাসনের মঙ্গলবারের প্রতিক্রিয়ার সমালোচনা করেছেন মানবাধিকার এবং আরব আমেরিকান গোষ্ঠীগুলো। আমেরিকান-ইসলামিক সম্পর্ক বিষয়ক কাউন্সিলের নির্বাহী পরিচালক নিহাদ আওয়াদ বলেছেন, দুঃখজনকভাবে রাফাহতে নেতানিয়াহুর যুদ্ধাপরাধকে সমর্থন করার জন্য আরো বোমা পাঠানোর ওপর জোর দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট বাইডেন। ফলে ইসরায়েলি গণহত্যার পাশাপাশি এটি এখন আমেরিকান গণহত্যাও।

গাজার মাটিতে ঘটে যাওয়া এসব ঘটনা বর্ণনা করতে ‘গণহত্যা’ শব্দটি ব্যবহার করার নিন্দা করেছেন ইসরায়েলি এবং মার্কিন কর্মকর্তারা।

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বলছে, ইসরায়েলের আক্রমণে গাজায় এখন পর্যন্ত ৩৬ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।

ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের মতে, ৭ অক্টোবর ইসরায়েলি ভূখণ্ডে হামাসের হামলায় প্রায় এক হাজার ২০০ ইসরায়েলি নিহত হন। তখন ২৫০ জনেরও বেশি মানুষকে জিম্মি করে গাজায় নিয়ে যান সশস্ত্র যোদ্ধারা।

সূত্র: ডেইলি-বাংলাদেশ
আইএ/ ২৯ মে ২০২৪




coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

রাফায় ভয়াবহ হামলার পরও ‘ইসরায়েল নীতি’ পরিবর্তন করবে না যুক্তরাষ্ট্র

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

রাফায় ভয়াবহ হামলার পরও ‘ইসরায়েল নীতি’ পরিবর্তন করবে না যুক্তরাষ্ট্র

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩১ মে ২০২৪, ০৬:০৭ অপরাহ্ন
Print Image
[ad_1] ওয়াশিংটন, ২৯ মে – গাজার রাফায় প্রাণঘাতী হামলার পরও ইসরায়েলের প্রতি মার্কিন নীতি বা সামরিক সহায়তায় কোনো পরিবর্তন হবে না বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মঙ্গলবার (২৭ মে) হোয়াইট হাউজে সাংবাদিকদের এ কথা বলেছেন মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের মুখপাত্র জন কিরবি।তিনি বলেন, রাফাহতে বড় ধরনের কোনো স্থল অভিযান হয়নি যা মার্কিন রেড লাইন অতিক্রম করে। এর আগে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন সতর্ক করে বলেছিলেন, রাফাহ শহরে ইসরায়েল যে কোনো বড় ধরনের হামলা দেশটিতে মার্কিন অস্ত্র সরবরাহ বন্ধ করে দিতে পারে। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এই খবর জানিয়েছে।সপ্তাহান্তে রাফাহতে হওয়া এই ঘটনাগুলোকে ‘মৃত্যু ও ধ্বংস’ হিসেবে বিবেচনা করা যায় কিনা এবং এর ফলে মার্কিন অস্ত্র সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়া হবে কিনা কিরবির কাছে তা জানতে চাইলে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ইসরায়েলিরা বলেছে এটি একটি দুঃখজনক ভুল ছিল।এসময় কিরবি বলেন, আমরা এটাও বলেছি যে রাফাহতে আমরা একটি বড় ধরনের স্থল অভিযান দেখতে চাই না যেটি ইসরায়েলিদের জন্য ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি এবং সম্ভাব্য বিপুল সংখ্যক মৃত্যু ছাড়াই হামাসকে ধ্বংস করা কঠিন করে তুলবে। আমরা এখনও সেরকম কিছু দেখিনি।ইসরায়েলের এ ধরনের হামলা বাইডেনকে একটি কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি করতে পারে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে কিরবি বলেন, এর পরিবর্তে ইসরায়েল যেভাবে অভিযান পরিচালনা করছে তাতে দেশটির আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় থেকে আরও বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ার একটি বাস্তব আশঙ্কা রয়েছে। কিরবি বলেছিলেন, সুতরাং স্পষ্টতই এটি উদ্বেগের বিষয়। কেননা, এটি ইসরায়েলের সর্বোত্তম স্বার্থ রক্ষা করবে না। এবং আমরাও চাই না বিশ্ব মঞ্চে ইসরায়েল ক্রমবর্ধমানভাবে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ুক।রাফাহতে হওয়া সাম্প্রতিক মৃত্যুর নিয়ে মার্কিন প্রশাসনের মঙ্গলবারের প্রতিক্রিয়ার সমালোচনা করেছেন মানবাধিকার এবং আরব আমেরিকান গোষ্ঠীগুলো। আমেরিকান-ইসলামিক সম্পর্ক বিষয়ক কাউন্সিলের নির্বাহী পরিচালক নিহাদ আওয়াদ বলেছেন, দুঃখজনকভাবে রাফাহতে নেতানিয়াহুর যুদ্ধাপরাধকে সমর্থন করার জন্য আরো বোমা পাঠানোর ওপর জোর দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট বাইডেন। ফলে ইসরায়েলি গণহত্যার পাশাপাশি এটি এখন আমেরিকান গণহত্যাও।গাজার মাটিতে ঘটে যাওয়া এসব ঘটনা বর্ণনা করতে ‘গণহত্যা’ শব্দটি ব্যবহার করার নিন্দা করেছেন ইসরায়েলি এবং মার্কিন কর্মকর্তারা।গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বলছে, ইসরায়েলের আক্রমণে গাজায় এখন পর্যন্ত ৩৬ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের মতে, ৭ অক্টোবর ইসরায়েলি ভূখণ্ডে হামাসের হামলায় প্রায় এক হাজার ২০০ ইসরায়েলি নিহত হন। তখন ২৫০ জনেরও বেশি মানুষকে জিম্মি করে গাজায় নিয়ে যান সশস্ত্র যোদ্ধারা।সূত্র: ডেইলি-বাংলাদেশআইএ/ ২৯ মে ২০২৪ [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×