হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

রাখাইনে জান্তা বাহিনীর বিমান হামলা, টেকনাফে আতঙ্ক

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

শনিবার, ২৯ জুন ২০২৪, ১১:৩৩ পূর্বাহ্ন

এখনো চলমান বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তঘেঁষা রোহিঙ্গা অধ্যুষিত রাখাইন রাজ্যের মংডুতে সরকারি বাহিনীর সঙ্গে সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মির তুমুল সংঘাত। বৃহস্পতিবার (২৭ জুন) ভোর থেকে শুরু হয়ে শুক্রবারও (২৮ জুন) একের পর এক মর্টারশেল ও গোলার বিকট শব্দে কক্সবাজারের টেকনাফ সীমান্তের বাসিন্দাদের মাঝে আতঙ্ক বাড়ছে। এ পরিস্থিতিতে আরো রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশের আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। তবে সীমান্তে সতর্ক পাহারায় রয়েছে বিজিবি ও কোস্টগার্ড।

সীমান্তের বাসিন্দারা বলছেন, গত চারমাস ধরে নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষায় মিয়ানমারের সরকারি বাহিনীর সঙ্গে আরাকান আর্মির সংঘাত চলছে। এতে ওপারের বেশকিছু সীমান্ত চৌকি এখন বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরকান আর্মির দখলে। ওপারের যুদ্ধের কারণে এপারে সীমান্তের টেকনাফের নাইট্যংপাড়া, কায়ুকখালীপাড়া, জালিয়াপাড়া, চৌধুরীপাড়া, উত্তরপাড়া, দক্ষিণপাড়া, কুলালপাড়া, খাংগার ডেইল, নাজিরপাড়া, মৌলভীপাড়া, সাবরাংয়ের মগপাড়া, আছারবনিয়া, ডেগিল্ল্যা বিল, নয়াপাড়া, শাহপরীর দ্বীপের জালিয়াপাড়ায় মর্টারশেল ও বোমার বিকট শব্দে কাঁপছে বাড়িঘর।

আতঙ্কে রয়েছেন সীমান্ত এলাকাসহ পার্শ্ববর্তী এলাকার বাসিন্দারা। মিয়ানমারে তীব্র লড়াই চলছে। সকাল থেকে গ্রামখালি করতে মাইকিং করা হচ্ছে। লোকজন না সরায় যুদ্ধবিমান দিয়ে হামলা চালানো হচ্ছে। গইন্যা পাড়া ও গজ্জনিয়া পাড়াসহ কয়েকটি গ্রামে বিমান হামলা চালাচ্ছে জান্তা বাহিনী।

উখিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাসিন্দারা বলেন, বৃহস্পতিবার বিকেলে ওপারে মংডুতে যুদ্ধবিমানে হামলা চালানো হয়েছে। এতে হতাহতের খবর পাওয়া যাচ্ছে। শুক্রবার প্রাণ বাঁচাতে ছুটছেন সেখানে থাকা রোহিঙ্গারা। অনেকে আবার এপারে আসতে চেষ্টা চালাচ্ছেন বলে শুনেছি।

আরও পড়ুন

৭ নভেম্বর উপলক্ষে জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলের শ্রদ্ধা

এদিকে সীমান্তের ওপারে রাখাইনে চলমান সংঘাতের কারণে নতুন করে বাংলাদেশে যাতে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ না ঘটে সেজন্য বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে কোস্টগার্ড এবং সীমান্তরক্ষী বর্ডার গার্ড বিজিবি।

টেকনাফ-২ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন, মিয়ানমারের রাখাইনে গোলাগুলি চলছে। এ কারণে এপারে বিকট শব্দ পাওয়া যাচ্ছে। কিন্তু আমাদের সীমান্তবর্তী লোকজনের ভয়ের কোনো কারণ নেই। সীমান্তে বিজিবি কঠোর অবস্থানে রয়েছে। পাশাপাশি এ সমস্যাকে কেন্দ্র করে নতুন করে যাতে কোনো রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ ঘটতে না পারে সেজন্য সীমান্তে জোরদার করা হয়েছে টহল।

টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ আদনান চৌধুরী বলেন, গোলার শব্দে সীমান্তের মানুষ যাতে নির্ভয়ে থাকেন, সেজন্য সীমান্তের বসবাসকারীদের খোঁজখবর রাখছি।

তিনি আরো বলেন, ওপারে সংঘাত বৃদ্ধি পাওয়ায় সীমান্তে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। মিয়ানমারে চলমান সংঘাতে সীমান্তে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীগুলো সতর্ক অবস্থায় রয়েছে।

coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

রাখাইনে জান্তা বাহিনীর বিমান হামলা, টেকনাফে আতঙ্ক

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

রাখাইনে জান্তা বাহিনীর বিমান হামলা, টেকনাফে আতঙ্ক

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: শনিবার, ২৯ জুন ২০২৪, ১১:৩৩ পূর্বাহ্ন
Print Image
এখনো চলমান বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তঘেঁষা রোহিঙ্গা অধ্যুষিত রাখাইন রাজ্যের মংডুতে সরকারি বাহিনীর সঙ্গে সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মির তুমুল সংঘাত। বৃহস্পতিবার (২৭ জুন) ভোর থেকে শুরু হয়ে শুক্রবারও (২৮ জুন) একের পর এক মর্টারশেল ও গোলার বিকট শব্দে কক্সবাজারের টেকনাফ সীমান্তের বাসিন্দাদের মাঝে আতঙ্ক বাড়ছে। এ পরিস্থিতিতে আরো রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশের আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। তবে সীমান্তে সতর্ক পাহারায় রয়েছে বিজিবি ও কোস্টগার্ড। সীমান্তের বাসিন্দারা বলছেন, গত চারমাস ধরে নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষায় মিয়ানমারের সরকারি বাহিনীর সঙ্গে আরাকান আর্মির সংঘাত চলছে। এতে ওপারের বেশকিছু সীমান্ত চৌকি এখন বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরকান আর্মির দখলে। ওপারের যুদ্ধের কারণে এপারে সীমান্তের টেকনাফের নাইট্যংপাড়া, কায়ুকখালীপাড়া, জালিয়াপাড়া, চৌধুরীপাড়া, উত্তরপাড়া, দক্ষিণপাড়া, কুলালপাড়া, খাংগার ডেইল, নাজিরপাড়া, মৌলভীপাড়া, সাবরাংয়ের মগপাড়া, আছারবনিয়া, ডেগিল্ল্যা বিল, নয়াপাড়া, শাহপরীর দ্বীপের জালিয়াপাড়ায় মর্টারশেল ও বোমার বিকট শব্দে কাঁপছে বাড়িঘর। আতঙ্কে রয়েছেন সীমান্ত এলাকাসহ পার্শ্ববর্তী এলাকার বাসিন্দারা। মিয়ানমারে তীব্র লড়াই চলছে। সকাল থেকে গ্রামখালি করতে মাইকিং করা হচ্ছে। লোকজন না সরায় যুদ্ধবিমান দিয়ে হামলা চালানো হচ্ছে। গইন্যা পাড়া ও গজ্জনিয়া পাড়াসহ কয়েকটি গ্রামে বিমান হামলা চালাচ্ছে জান্তা বাহিনী। উখিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাসিন্দারা বলেন, বৃহস্পতিবার বিকেলে ওপারে মংডুতে যুদ্ধবিমানে হামলা চালানো হয়েছে। এতে হতাহতের খবর পাওয়া যাচ্ছে। শুক্রবার প্রাণ বাঁচাতে ছুটছেন সেখানে থাকা রোহিঙ্গারা। অনেকে আবার এপারে আসতে চেষ্টা চালাচ্ছেন বলে শুনেছি। এদিকে সীমান্তের ওপারে রাখাইনে চলমান সংঘাতের কারণে নতুন করে বাংলাদেশে যাতে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ না ঘটে সেজন্য বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে কোস্টগার্ড এবং সীমান্তরক্ষী বর্ডার গার্ড বিজিবি। টেকনাফ-২ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন, মিয়ানমারের রাখাইনে গোলাগুলি চলছে। এ কারণে এপারে বিকট শব্দ পাওয়া যাচ্ছে। কিন্তু আমাদের সীমান্তবর্তী লোকজনের ভয়ের কোনো কারণ নেই। সীমান্তে বিজিবি কঠোর অবস্থানে রয়েছে। পাশাপাশি এ সমস্যাকে কেন্দ্র করে নতুন করে যাতে কোনো রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ ঘটতে না পারে সেজন্য সীমান্তে জোরদার করা হয়েছে টহল। টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ আদনান চৌধুরী বলেন, গোলার শব্দে সীমান্তের মানুষ যাতে নির্ভয়ে থাকেন, সেজন্য সীমান্তের বসবাসকারীদের খোঁজখবর রাখছি। তিনি আরো বলেন, ওপারে সংঘাত বৃদ্ধি পাওয়ায় সীমান্তে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। মিয়ানমারে চলমান সংঘাতে সীমান্তে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীগুলো সতর্ক অবস্থায় রয়েছে।

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×