হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

রাষ্ট্রপতির প্রশ্নে আসিফ নজরুলের মতামতের সঙ্গে একমত সরকার

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

বুধবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৪, ০৩:০৭ পূর্বাহ্ন


ঢাকা, ২২ অক্টোবর – রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনকে পদ থেকে সরানোর বিষয়ে আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল যে বক্তব্য দিয়েছেন তার সঙ্গে একমত সরকার।

মঙ্গলবার (২২ অক্টোবর) সন্ধ্যায় ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের উপ-প্রেস সচিব অপূর্ব জাহাঙ্গীর সরকারের একমতের বিষয়টি তুলে ধরেন।

আরও পড়ুন

কানাডার নতুন বাজেটে কার ভাগ্যে কতটা প্রাপ্তি

তিনি বলেন, আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল (রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এর পদে থাকার বিষয়ে) যা বলেছেন, তার সঙ্গে সরকার একমত পোষণ করে। তবে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনকে পদ থেকে সরানোর বিষয়ে এখনো কোনো উদ্যোগ নেয়নি অন্তর্বর্তী সরকার।

এর আগে অপূর্ব জাহাঙ্গীরকে প্রশ্ন করা হয়, রাষ্ট্রপতি ‘মিথ্যাচার’ বলে তার পদে থাকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে একজন উপদেষ্টা (আইন উপদেষ্টা) যে বক্তব্য দিয়েছেন, সেটা তার ব্যক্তিগত না, পুরো উপদেষ্টা কাউন্সিলের।

দেশত্যাগ করা শেখ হাসিনার পদত্যাগপত্র প্রসঙ্গে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এক সাংবাদিককে বলেন, আমি শুনেছি তিনি পদত্যাগ করেছেন। কিন্তু আমার কাছে কোনো দালিলিক প্রমাণ নেই। বহু চেষ্টা করেও আমি ব্যর্থ হয়েছি। তিনি হয়তো সময় পাননি। ৫ আগস্ট সকাল সাড়ে দশটায় বঙ্গভবনে ফোন এলো প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন থেকে। বলা হলো, প্রধানমন্ত্রী বঙ্গভবনে আসবেন মহামান্য প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য। এটা শুনেই প্রস্তুতি শুরু হলো বঙ্গভবনে। ঘণ্টাখানেকের মধ্যেই ফোন এলো তিনি আসছেন না।

এর পরেই আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল বলেছেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পদত্যাগপত্র পাননি বলে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন মিথ্যাচার করে শপথের লঙ্ঘন করেছেন।

তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতি পদে তার থাকার যোগ্যতা আছে কি না এ নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। উনি যদি তার বক্তব্যে অটল থাকেন তাহলে বিষয়টি উপদেষ্টা পরিষদে যাবে এবং পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

তিনি বলেন, সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিরা মতামত দিয়েছেন। রাষ্ট্রপতি স্ববিরোধিতা করছেন। তার এ পদে থাকার আর অধিকার নেই। ভাষণে তিনি বলেছেন শেখ হাসিনা পদত্যাগ করেছেন। এখন আড়াইমাস পরে এ কথা কীভাবে বলেন? তিনি রাষ্ট্রপতি পদে থাকতে পারেন না।

বিষয়টি নিয়ে চারদিকে যখন সমালোচনা শুরু হয় তখন এক বিজ্ঞপ্তিতে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন স্পষ্ট বক্তব্য তুলে ধরেন।

রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের উপপ্রেস সচিব শিপলু জামানের সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সাবেক প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ ইস্যুতে রাষ্ট্রপতিকে উদ্ধৃত করে বিভিন্ন মিডিয়ায় যে প্রচারণা চালানো হয়েছে তা জনমনে বিভ্রান্তির সৃষ্টি করেছে। এ বিষয়ে রাষ্ট্রপতির পক্ষ থেকে সুস্পস্ট বক্তব্য হচ্ছে, ছাত্র-জনতার গণবিপ্লবের মুখে প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ ও দেশত্যাগ, সংসদ ভেঙে দেয়া এবং বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের সাংবিধানিক বৈধতার ওপর যত ধরনের প্রশ্ন জনমনে উদ্রেক হয়েছে সেগুলোর যাবতীয় উত্তর স্পেশাল রেফারেন্স নং-০১/২০২৪ এ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের গত ৮ আগস্ট, ২০২৪ এর আদেশে প্রতিফলিত হয়েছে।

আরও বলা হয়, সংবিধানের ১০৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি গত ৮ আগস্ট সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের মতামত চাওয়ার প্রেক্ষিতে আপিল বিভাগ এই মতামত দিয়েছিলেন। মীমাংসিত এই বিষয়ে নতুন করে কোনো বিতর্ক সৃষ্টি করে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে অস্থিতিশীল কিংবা বিব্রত করা থেকে বিরত থাকার জন্য রাষ্ট্রপতি সবার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, মীমাংসিত এ বিষয়ে নতুন করে কোনো বিতর্ক সৃষ্টি করে অন্তর্বর্তী সরকারকে অস্থিতিশীল কিংবা বিব্রত করা থেকে বিরত থাকার জন্য মহামান্য রাষ্ট্রপতি সকলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

সূত্র: আরটিভি নিউজ
আইএ/ ২২ অক্টোবর ২০২৪


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

রাষ্ট্রপতির প্রশ্নে আসিফ নজরুলের মতামতের সঙ্গে একমত সরকার

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

রাষ্ট্রপতির প্রশ্নে আসিফ নজরুলের মতামতের সঙ্গে একমত সরকার

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: বুধবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৪, ০৩:০৭ পূর্বাহ্ন
Print Image
[ad_1] ঢাকা, ২২ অক্টোবর – রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনকে পদ থেকে সরানোর বিষয়ে আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল যে বক্তব্য দিয়েছেন তার সঙ্গে একমত সরকার।মঙ্গলবার (২২ অক্টোবর) সন্ধ্যায় ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের উপ-প্রেস সচিব অপূর্ব জাহাঙ্গীর সরকারের একমতের বিষয়টি তুলে ধরেন।তিনি বলেন, আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল (রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এর পদে থাকার বিষয়ে) যা বলেছেন, তার সঙ্গে সরকার একমত পোষণ করে। তবে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনকে পদ থেকে সরানোর বিষয়ে এখনো কোনো উদ্যোগ নেয়নি অন্তর্বর্তী সরকার।এর আগে অপূর্ব জাহাঙ্গীরকে প্রশ্ন করা হয়, রাষ্ট্রপতি ‘মিথ্যাচার’ বলে তার পদে থাকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে একজন উপদেষ্টা (আইন উপদেষ্টা) যে বক্তব্য দিয়েছেন, সেটা তার ব্যক্তিগত না, পুরো উপদেষ্টা কাউন্সিলের।দেশত্যাগ করা শেখ হাসিনার পদত্যাগপত্র প্রসঙ্গে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এক সাংবাদিককে বলেন, আমি শুনেছি তিনি পদত্যাগ করেছেন। কিন্তু আমার কাছে কোনো দালিলিক প্রমাণ নেই। বহু চেষ্টা করেও আমি ব্যর্থ হয়েছি। তিনি হয়তো সময় পাননি। ৫ আগস্ট সকাল সাড়ে দশটায় বঙ্গভবনে ফোন এলো প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন থেকে। বলা হলো, প্রধানমন্ত্রী বঙ্গভবনে আসবেন মহামান্য প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য। এটা শুনেই প্রস্তুতি শুরু হলো বঙ্গভবনে। ঘণ্টাখানেকের মধ্যেই ফোন এলো তিনি আসছেন না।এর পরেই আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল বলেছেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পদত্যাগপত্র পাননি বলে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন মিথ্যাচার করে শপথের লঙ্ঘন করেছেন।তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতি পদে তার থাকার যোগ্যতা আছে কি না এ নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। উনি যদি তার বক্তব্যে অটল থাকেন তাহলে বিষয়টি উপদেষ্টা পরিষদে যাবে এবং পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।তিনি বলেন, সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিরা মতামত দিয়েছেন। রাষ্ট্রপতি স্ববিরোধিতা করছেন। তার এ পদে থাকার আর অধিকার নেই। ভাষণে তিনি বলেছেন শেখ হাসিনা পদত্যাগ করেছেন। এখন আড়াইমাস পরে এ কথা কীভাবে বলেন? তিনি রাষ্ট্রপতি পদে থাকতে পারেন না।বিষয়টি নিয়ে চারদিকে যখন সমালোচনা শুরু হয় তখন এক বিজ্ঞপ্তিতে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন স্পষ্ট বক্তব্য তুলে ধরেন।রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের উপপ্রেস সচিব শিপলু জামানের সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সাবেক প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ ইস্যুতে রাষ্ট্রপতিকে উদ্ধৃত করে বিভিন্ন মিডিয়ায় যে প্রচারণা চালানো হয়েছে তা জনমনে বিভ্রান্তির সৃষ্টি করেছে। এ বিষয়ে রাষ্ট্রপতির পক্ষ থেকে সুস্পস্ট বক্তব্য হচ্ছে, ছাত্র-জনতার গণবিপ্লবের মুখে প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ ও দেশত্যাগ, সংসদ ভেঙে দেয়া এবং বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের সাংবিধানিক বৈধতার ওপর যত ধরনের প্রশ্ন জনমনে উদ্রেক হয়েছে সেগুলোর যাবতীয় উত্তর স্পেশাল রেফারেন্স নং-০১/২০২৪ এ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের গত ৮ আগস্ট, ২০২৪ এর আদেশে প্রতিফলিত হয়েছে।আরও বলা হয়, সংবিধানের ১০৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি গত ৮ আগস্ট সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের মতামত চাওয়ার প্রেক্ষিতে আপিল বিভাগ এই মতামত দিয়েছিলেন। মীমাংসিত এই বিষয়ে নতুন করে কোনো বিতর্ক সৃষ্টি করে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে অস্থিতিশীল কিংবা বিব্রত করা থেকে বিরত থাকার জন্য রাষ্ট্রপতি সবার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, মীমাংসিত এ বিষয়ে নতুন করে কোনো বিতর্ক সৃষ্টি করে অন্তর্বর্তী সরকারকে অস্থিতিশীল কিংবা বিব্রত করা থেকে বিরত থাকার জন্য মহামান্য রাষ্ট্রপতি সকলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।সূত্র: আরটিভি নিউজআইএ/ ২২ অক্টোবর ২০২৪ [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×