হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

গাজায় ইসরায়েলি আগ্রাসন ও ক্ষুধা-অনাহারে নিহত ৬২ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

মঙ্গলবার, ১৯ আগস্ট ২০২৫, ১০:২৩ পূর্বাহ্ন


জেরুজালেম, ১৯ আগস্ট – গাজায় প্রায় দুই বছর ধরে আগ্রাসন চালাচ্ছে ইসরায়েল। সেখানে গণহত্যা চালাচ্ছে দখলদার বাহিনী। অবরুদ্ধ এই উপত্যকায় এখন পর্যন্ত ৬২ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনিকে হত্যা করা হয়েছে। একটু নিরাপদ আশ্রয়ের আশায় এক স্থান থেকে অন্য স্থানে ছুটে চলছে ফিলিস্তিনিরা। খাদ্য সরবরাহ বন্ধ রেখে লোকজনকে অনাহারে থাকতে বাধ্য করা হচ্ছে। এমনকি পরিবারের জন্য খাদ্য সংগ্রহের সময়ও লোকজনকে গুলি করে হত্যা করা হচ্ছে।

ইসরায়েল বৃহত্তম গাজা সিটিতে হামলা জোরদার করছে। এই শহরটি এখন ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। ইসরায়েল এই শহরটি দখল করে দক্ষিণাঞ্চলে কয়েক হাজার মানুষকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত করার পরিকল্পনা করছে।

আরও পড়ুন

কেশম দ্বীপে মার্কিন হামলার কথা স্বীকার করলেন ট্রাম্প, ইরানের সঙ্গে আলোচনায় অগ্রগতির দাবিও

এদিকে সোমবার ভোর থেকে গাজা উপত্যকাজুড়ে ইসরায়েলি হামলায় কমপক্ষে ৩০ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এদের মধ্যে ১৪ জন ত্রাণ সংগ্রহ করতে গিয়ে ইসরায়েলি বাহিনীর গুলিতে প্রাণ হারিয়েছেন।

একটি মেডিকেল সূত্র আল জাজিরাকে নিশ্চিত করেছে যে, গাজা শহরের আল-সাব্রা এলাকায় ইসরায়েলি হামলায় কমপক্ষে তিন ফিলিস্তিনি নিহত এবং বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে। স্থানীয় ফিলিস্তিনি সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে যে, নিহতদের মধ্যে সাংবাদিক ইসলাম আল-কৌমিও রয়েছেন।

দেইর এল-বালাহ থেকে আল জাজিরার তারেক আবু আযম বলেন, গাজা শহরের পূর্ব অংশে ইসরায়েলি আক্রমণ এখনও অব্যাহত রয়েছে। আমরা দেখতে পাচ্ছি কিভাবে ইসরায়েল ভারী কামান, যুদ্ধবিমান এবং ড্রোন ব্যবহার করে সেখানে অবশিষ্ট আবাসিক বাড়িগুলো ধ্বংস করছে। ধ্বংসের মাত্রা অত্যন্ত ভয়াবহ।

রোববার বিমান হামলার প্রধান লক্ষ্যবস্তু ছিল গাজা সিটি। সেখানে প্রায় ৬০ জন নিহত হয়েছে এবং ইসরায়েল সেখানকার অবশিষ্ট কয়েকটি স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রকেও লক্ষ্যবস্তু করছে।

গতকাল কাতার ও মিশরের মধ্যস্থতাকারী দল হামাসের গাজা যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব অনুমোদনের ঘোষণার পর কিছুটা আশার আলো দেখা দিয়েছে। একটি সূত্র আল জাজিরাকে জানিয়েছে যে, খসড়া চুক্তিতে ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতি নিশ্চিত করা হবে। ফলে গাজায় আটক ইসরায়েলি বন্দিদের মুক্তির বিনিময়ে ইসরায়েলি বাহিনীর হাতে আটক অনির্দিষ্ট সংখ্যক ফিলিস্তিনি বন্দিকে মুক্তি দেওয়া হবে।

সূত্র: জাগো নিউজ
এনএন/ ১৯ আগস্ট ২০২৫


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

গাজায় ইসরায়েলি আগ্রাসন ও ক্ষুধা-অনাহারে নিহত ৬২ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

গাজায় ইসরায়েলি আগ্রাসন ও ক্ষুধা-অনাহারে নিহত ৬২ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৯ আগস্ট ২০২৫, ১০:২৩ পূর্বাহ্ন
Print Image
[ad_1] জেরুজালেম, ১৯ আগস্ট – গাজায় প্রায় দুই বছর ধরে আগ্রাসন চালাচ্ছে ইসরায়েল। সেখানে গণহত্যা চালাচ্ছে দখলদার বাহিনী। অবরুদ্ধ এই উপত্যকায় এখন পর্যন্ত ৬২ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনিকে হত্যা করা হয়েছে। একটু নিরাপদ আশ্রয়ের আশায় এক স্থান থেকে অন্য স্থানে ছুটে চলছে ফিলিস্তিনিরা। খাদ্য সরবরাহ বন্ধ রেখে লোকজনকে অনাহারে থাকতে বাধ্য করা হচ্ছে। এমনকি পরিবারের জন্য খাদ্য সংগ্রহের সময়ও লোকজনকে গুলি করে হত্যা করা হচ্ছে।ইসরায়েল বৃহত্তম গাজা সিটিতে হামলা জোরদার করছে। এই শহরটি এখন ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। ইসরায়েল এই শহরটি দখল করে দক্ষিণাঞ্চলে কয়েক হাজার মানুষকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত করার পরিকল্পনা করছে।এদিকে সোমবার ভোর থেকে গাজা উপত্যকাজুড়ে ইসরায়েলি হামলায় কমপক্ষে ৩০ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এদের মধ্যে ১৪ জন ত্রাণ সংগ্রহ করতে গিয়ে ইসরায়েলি বাহিনীর গুলিতে প্রাণ হারিয়েছেন।একটি মেডিকেল সূত্র আল জাজিরাকে নিশ্চিত করেছে যে, গাজা শহরের আল-সাব্রা এলাকায় ইসরায়েলি হামলায় কমপক্ষে তিন ফিলিস্তিনি নিহত এবং বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে। স্থানীয় ফিলিস্তিনি সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে যে, নিহতদের মধ্যে সাংবাদিক ইসলাম আল-কৌমিও রয়েছেন।দেইর এল-বালাহ থেকে আল জাজিরার তারেক আবু আযম বলেন, গাজা শহরের পূর্ব অংশে ইসরায়েলি আক্রমণ এখনও অব্যাহত রয়েছে। আমরা দেখতে পাচ্ছি কিভাবে ইসরায়েল ভারী কামান, যুদ্ধবিমান এবং ড্রোন ব্যবহার করে সেখানে অবশিষ্ট আবাসিক বাড়িগুলো ধ্বংস করছে। ধ্বংসের মাত্রা অত্যন্ত ভয়াবহ।রোববার বিমান হামলার প্রধান লক্ষ্যবস্তু ছিল গাজা সিটি। সেখানে প্রায় ৬০ জন নিহত হয়েছে এবং ইসরায়েল সেখানকার অবশিষ্ট কয়েকটি স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রকেও লক্ষ্যবস্তু করছে।গতকাল কাতার ও মিশরের মধ্যস্থতাকারী দল হামাসের গাজা যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব অনুমোদনের ঘোষণার পর কিছুটা আশার আলো দেখা দিয়েছে। একটি সূত্র আল জাজিরাকে জানিয়েছে যে, খসড়া চুক্তিতে ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতি নিশ্চিত করা হবে। ফলে গাজায় আটক ইসরায়েলি বন্দিদের মুক্তির বিনিময়ে ইসরায়েলি বাহিনীর হাতে আটক অনির্দিষ্ট সংখ্যক ফিলিস্তিনি বন্দিকে মুক্তি দেওয়া হবে।সূত্র: জাগো নিউজএনএন/ ১৯ আগস্ট ২০২৫ [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×