কক্সবাজারের চকরিয়ায় চিংড়িজোনের একটি মৎস্য ঘেরের দখল নিয়ে দুই গ্রুপের গোলাগুলিতে শেকাব উদ্দিন (৩৮) নামে এক ব্যক্তিকে হত্যার অভিযোগে
ঘটনার তিনদিন পর মঙ্গলবার দুপুরে চকরিয়া উপজেলা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি হত্যা মামলা রুজু করা হয়েছে।
নিহত শেকাব উদ্দিনের ন্ত্রী ছেনু আরা বেগম বাদী হয়ে ১৭ জনের নাম উল্লেখ করে এজাহারে ৮-১০ জনকে অজ্ঞাত আসামী দেখিয়ে এ হত্যা মামলাটি দায়ের করেছেন। এ হত্যা মামলায় উপজেলার চিরিঙ্গা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি ও উপজেলা বিএনপির কোষাধ্যক্ষ আলী আহমদ মেম্বার, সাহারবিল ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান আজিজুল হাকিম সোনা মিয়াসহ তার দুই ছেলেকেও আসামী করা হয়েছে।
অভিযোগ আমলে নিয়ে আদালতের বিচারক মোঃ আনোয়ারুল কবির মামলাটি তদন্তের জন্য সিআইডি পুলিশ কক্সবাজারের পুলিশ সুপারকে নির্দেশ দিয়েছেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাদিপক্ষের আইনজীবী এডভোকেট মিফতাব উদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, তদন্তের পাশাপাশি ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ততা পাওয়া গেলে এজাহারনামীয় আসামিদের গ্রেপ্তার করতেও সিআইডি পুলিশকে নির্দেশনা দিয়েছেন আদালত।
মামলায় আসামি হওয়া প্রসঙ্গে সাহারবিল ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান আজিজুল হাকিম সোনা মিয়া দাবি করেন, বিগত ২০১০ সালে আমার ছোট ভাই আবদুল হামিদকে হত্যা করে সন্ত্রাসীরা। ওই ঘটনায় হত্যা মামলার আসামী ছিলেন নিহত শেকাব উদ্দিন। মুলত এর জেরধরে ডাকাতদের গুলিতে শেকাব উদ্দিন নিহতের ঘটনায় আমাদের আসামী করা হয়েছে।
পোশাক খাতে অস্থিরতা সৃষ্টি: শতাধিক ব্যক্তির ব্যাংক হিসাব স্থগিতের নির্দেশ এনবিআরের, কড়া নজরে ১২৫ প্রতিষ্ঠান
অপরদিকে সোনা মিয়ার আত্মীয় হওয়ার সুবাদে চিরিঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক ইউপি সদস্য ও ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আলী আহমদ মেম্বারকেও আসামী করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন সোনা মিয়া।
প্রসঙ্গতঃ গত ১৬ আগস্ট শনিবার রাত সাড়ে বারোটার দিকে সাহারবিল ইউনিয়নের আবাসন সংলগ্ন রামপুর রাবার ড্যাম এলাকায় ২২ একর আয়তনের একটি চিংড়িঘের জবরদখল নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে দুই গ্রুপের গোলাগুলিতে সাহারবিল ইউনিয়নের ওমখালী এলাকার মনজুর আলম প্রকাশ মনজুর বলীর ছেলে শেকাব উদ্দিন নিহত হয়।
এ ঘটনার তিনদিন পর সোমবার ১৯ আগস্ট দুপুরে
নিহতের স্ত্রী বাদী হয়ে চকরিয়া আদালতে হত্যা মামলা দায়ের করেন।।
থানা পুলিশ জানিয়েছে, নিহত শেকাব উদ্দিন ২০১০ সালে চকরিয়া উপজেলার সাহারবিল ইউনিয়নে আবদুল হামিদ, ২০১৭ সালে মাজু মার্ডার, ২০২৪ সালে মানিকপুর-সুরাজপুর ইউনিয়নে ডাবল মার্ডারসহ বিভিন্ন মামলায় আসামি ছিলেন।




মন্তব্য করুন