হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

খুটাখালী বিএনপিতে ওয়ার্ড কমিটি নিয়ে অসন্তোষ! ত্যাগীদের অবমুল্যায়নের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক ::

নিজস্ব প্রতিবেদক ::

রবিবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ০৯:৪৫ অপরাহ্ন

কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার খুটাখালী ইউনিয়ন বিএনপির আওতাধীন বিভিন্ন ওয়ার্ডে কমিটি ঘোষণা নিয়ে বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে চলছে চরম অসন্তোষ। হঠাৎ করে উড়ে এসে জুড়ে বসা লোকজনকে কমিটির নেতা বানিয়ে দেয়ার অপচেষ্টা ঘিরে কোথাও কোথাও দলীয় অসন্তোষের বহিঃপ্রকাশ ঘটছে প্রকাশ্যে। অনেকের অভিযোগ করছেন কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে ‘আমার মানুষ’ হিসেবে পরিচিতরা নতুন কমিটিতে স্থান পাচ্ছেন, পক্ষান্তরে দীর্ঘদিনের ত্যাগী নেতারা মূল্যায়িত হচ্ছে না।

এমন পরিস্থিতিতে খুটাখালী ইউনিয়ন বিএনপির দায়িত্বশীল নেতারা বলছেন, ‘দলের জন্য ত্যাগ আর এলাকায় গ্রহণযোগ্যতা’ কমিটিতে রাখার ক্ষেত্রে এ দুটি বিষয়কে প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে। তাদের মতে, বড় দল হিসেবে বিএনপিতে নেতৃত্ব দেওয়ার মতো অনেক লোক রয়েছেন। প্রত্যেকের প্রত্যাশা থাকে ভালো কোনো পদে স্থান পাওয়ার। কিন্তু সবাই তো কাক্সিক্ষত স্থান পাচ্ছে না। আবার অনেকে হয়তো কমিটিতেও আসতে পারছে না। যে কারণে অসন্তোষ থাকাটা অস্বাভাবিক নয়।

জানা গেছে, চলতি বছরের জুলাই মাসে ভেঙে দেওয়া হয়েছিল খুটাখালী ইউনিয়ন বিএনপির ৪, ২ ও ৬ নং ওয়ার্ড কমিটি। আহ্বায়ক ছৈয়দ আলম ও সদস্য সচিব আকতার কামালের নেতৃত্বাধীন খুটাখালী বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি দায়িত্ব গ্রহণের পর এটা ছিল দীর্ঘদিন আগে মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়া ওয়ার্ড কমিটিগুলো পুনর্গঠনের প্রথম উদ্যোগ।

দলীয় সূত্র জানায়, প্রাথমিকভাবে চলতি বছরের জুন মাসে খুটাখালী ইউনিয়ন বিএনপি ১৫ জন সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়। তখনই বিভিন্ন ওয়ার্ডে ত্যাগী, কারা নির্যাতিত ও যোগ্যদের স্থান না দিয়ে ব্যক্তিবিশেষের খেয়ালখুশি মতো ব্যক্তিদের নিয়ে কমিটি গঠনের অভিযোগ ওঠে। এসব কমিটিকে ‘পকেট কমিটি’ আখ্যা দিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কমিটি বাতিলের দাবি জানিয়েছে দলীয় নেতাকর্মীরা।

আরও পড়ুন

অস্কারজয়ী চিলিয়ান চলচ্চিত্র নির্মাতা সেবাস্তিয়ান লেলিও আর নেই

এর মধ্যেই খুটাখালী ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ড বিএনপির সম্মেলন গত ১ আগষ্ট সম্পন্ন হলেও শনিবার (৬ সেপ্টেম্বর) রাতে ২ ও ৬ নং ওয়ার্ডের আংশিক কমিটি ঘোষনা করা হয়েছে। প্রশ্ন উঠেছে, যে সব ওয়ার্ডের সম্মেলন পরে হলো তাদের কমিটি ঘোষনা আগে হচ্ছে। তাহলে কিসের অজুহাতে ৪ নং ওয়ার্ড কমিটি ঝুলে আছে? প্রশ্ন স্থানীয় নেতাকর্মীদের।

অভিযোগ উঠেছে, খুটাখালী ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডে উড়ে এসে ঝুড়ে বসছে শামসু মাঝি নামে এক ব্যক্তি। তিনি সম্প্রতি বিদেশ ফেরত। তিনি বিএনপির কোন কমিটিতে কখনও কেথায় ছিলেন কারো জানা নেই। মূলত মোটা অংকের বিনিময়ে তিনি পদ পদবি ভাগিয়ে নিচ্ছেন বলে বিষয়টি নিয়ে এলাকায় ফুসে উঠেছে তৃণমুল বিএনপির নেতাকর্মীরা। তবে ৪ নম্বর ওয়ার্ডে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে একাধিক যোগ্য প্রার্থী রয়েছে বলে জানা গেছে।

নেতাকর্মীদের দাবি,, খুটাখালী ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণার পর ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে বঞ্চিত নেতাকর্মীদের মধ্যে অসন্তোষ বাড়ছে। অনেককে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এসব কমিটি নিয়ে বিদ্রুপাত্মক ও নেতিবাচক নানা মন্তব্য করতে দেখা গেছে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, খুটাখালী ইউনিয়ন বিএনপিতে ডা. শফিউল আলম শফি, ছাদেকুর রহমানের নেতৃত্বাধীন কমিটি দীর্ঘদিন ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন-সংগ্রাম করেছে। দলের কঠিন দুঃসময়ে তাদের অনুসারী নেতাকর্মীরা বেশি মামলা হামলা ও নির্যাতনের শিকার হয়েছে।

কিন্তু চলতি বছর জুন মাসে খুটাখালী ইউনিয়নে ছৈয়দ আলমকে আহ্বায়ক ও আকতার কামালকে সদস্য সচিব করে ১৫ জনের আংশিক কমিটি ঘোষণা করে চকরিয়া উপজেলা বিএনপি। মূলত নতুন নেতৃত্ব আসার পর থেকে ইউনিয়ন বিএনপির রাজনীতিতে পিছিয়ে পড়ে আগের শফি-ছাদেক কমিটির অনুসারীরা। এমনকি সদ্য ঘোষিত বিভিন্ন ওয়ার্ড কমিটিতেও তারা প্রায় উপেক্ষিত।

খুটাখালীতে বিভিন্ন ওয়ার্ড কমিটিতে দলের ত্যাগী ও নির্যাতিত নেতারা স্থান না পাওয়ার অভিযোগ করে একাধিক নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, দলের দুঃসময়ে যারা ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে রাজপথে ছিলেন, যারা এলাকায় বিএনপির রাজনীতি ধরে রেখেছেন তারা এখন বঞ্চিত হচ্ছেন। যারা ৫ আগস্টের পর দলপ্রেমী সেজেছেন, এলাকায় যাদের কোনো ভিত্তি নেই তাদের এখন নেতা বানানো হচ্ছে। দলের ত্যাগী নেতাকর্মীদের জন্য তা কোনোভাবেই সুখকর নয়।

জানতে চাইলে খুটাখালী ইউনিয়ন বিএনপির আহবায়ক ছৈয়দ আলম বলেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে সাংগঠনিক নিয়ম মোতাবেক ইউনিয়নের আওতাধীন মেয়াদোত্তীর্ণ ওয়ার্ড কমিটি গুলো নতুন করে সাজানো হচ্ছে। সেখানে দলের জন্য নিবেদিত এবং জনপ্রিয় নেতাকর্মীদের সম্পৃক্ত করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির কমিটি নিয়ে যাঁরা অভিযোগ করছেন, মূলত তাঁরা ১৭বছর আশ্রয়লীগে ছিলেন। দলের নেতাকর্মীরা তা জানেন। এখন তাঁরা খুব বেশি ত্যাগী সাজার চেষ্টা করছেন। আমরা চাই, কোন কারণে ত্যাগী একজন নেতা ওয়ার্ড কমিটি থেকে যদিও বাদ যায়, তাহলে যোগ্যতা অনুযায়ী তাঁকে ইউনিয়ন কমিটিতে মুল্যায়িত করা হবে। এখনো কমিটি ঘোষণা করা হয়নি। তাই টাকা নিয়ে কমিটি দেওয়ার অভিযোগটি একবারে অসত্য এবং ভিত্তিহীন।

এব্যাপারে চকরিয়া উপজেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক এম মোবারক আলী বলেন, রাজনীতিতে পরিবর্তন পরিবর্ধন আছে। কেউ যুগ যুগ ধরে একইস্থানে থাকার সুযোগ নেই। নতুনদের জায়গা দিতে হবে। সেইক্ষেত্রে অর্পিত ক্ষমতাবলে খুটাখালী ইউনিয়ন বিএনপির আহবায়ক কমিটি যাঁকে যোগ্য মনে করবেন, তাঁকে নেতা বানাবেন।

তিনি বলেন, কমিটি ঘোষণার পর যদি কারো বিষয়ে অভিযোগ উঠে, তখন ব্যবস্থা নেওয়া বা বাদ দেয়ার সুযোগ আছে। কিন্তু কমিটি ঘোষণার আগে অভিযোগ তোলা সমীচীন নয়। ##

coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

খুটাখালী বিএনপিতে ওয়ার্ড কমিটি নিয়ে অসন্তোষ! ত্যাগীদের অবমুল্যায়নের অভিযোগ

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

খুটাখালী বিএনপিতে ওয়ার্ড কমিটি নিয়ে অসন্তোষ! ত্যাগীদের অবমুল্যায়নের অভিযোগ

প্রতিবেদক: নিজস্ব প্রতিবেদক :: | প্রকাশিত: রবিবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ০৯:৪৫ অপরাহ্ন
Print Image
কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার খুটাখালী ইউনিয়ন বিএনপির আওতাধীন বিভিন্ন ওয়ার্ডে কমিটি ঘোষণা নিয়ে বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে চলছে চরম অসন্তোষ। হঠাৎ করে উড়ে এসে জুড়ে বসা লোকজনকে কমিটির নেতা বানিয়ে দেয়ার অপচেষ্টা ঘিরে কোথাও কোথাও দলীয় অসন্তোষের বহিঃপ্রকাশ ঘটছে প্রকাশ্যে। অনেকের অভিযোগ করছেন কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে ‘আমার মানুষ’ হিসেবে পরিচিতরা নতুন কমিটিতে স্থান পাচ্ছেন, পক্ষান্তরে দীর্ঘদিনের ত্যাগী নেতারা মূল্যায়িত হচ্ছে না। এমন পরিস্থিতিতে খুটাখালী ইউনিয়ন বিএনপির দায়িত্বশীল নেতারা বলছেন, ‘দলের জন্য ত্যাগ আর এলাকায় গ্রহণযোগ্যতা’ কমিটিতে রাখার ক্ষেত্রে এ দুটি বিষয়কে প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে। তাদের মতে, বড় দল হিসেবে বিএনপিতে নেতৃত্ব দেওয়ার মতো অনেক লোক রয়েছেন। প্রত্যেকের প্রত্যাশা থাকে ভালো কোনো পদে স্থান পাওয়ার। কিন্তু সবাই তো কাক্সিক্ষত স্থান পাচ্ছে না। আবার অনেকে হয়তো কমিটিতেও আসতে পারছে না। যে কারণে অসন্তোষ থাকাটা অস্বাভাবিক নয়। জানা গেছে, চলতি বছরের জুলাই মাসে ভেঙে দেওয়া হয়েছিল খুটাখালী ইউনিয়ন বিএনপির ৪, ২ ও ৬ নং ওয়ার্ড কমিটি। আহ্বায়ক ছৈয়দ আলম ও সদস্য সচিব আকতার কামালের নেতৃত্বাধীন খুটাখালী বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি দায়িত্ব গ্রহণের পর এটা ছিল দীর্ঘদিন আগে মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়া ওয়ার্ড কমিটিগুলো পুনর্গঠনের প্রথম উদ্যোগ। দলীয় সূত্র জানায়, প্রাথমিকভাবে চলতি বছরের জুন মাসে খুটাখালী ইউনিয়ন বিএনপি ১৫ জন সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়। তখনই বিভিন্ন ওয়ার্ডে ত্যাগী, কারা নির্যাতিত ও যোগ্যদের স্থান না দিয়ে ব্যক্তিবিশেষের খেয়ালখুশি মতো ব্যক্তিদের নিয়ে কমিটি গঠনের অভিযোগ ওঠে। এসব কমিটিকে ‘পকেট কমিটি’ আখ্যা দিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কমিটি বাতিলের দাবি জানিয়েছে দলীয় নেতাকর্মীরা। এর মধ্যেই খুটাখালী ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ড বিএনপির সম্মেলন গত ১ আগষ্ট সম্পন্ন হলেও শনিবার (৬ সেপ্টেম্বর) রাতে ২ ও ৬ নং ওয়ার্ডের আংশিক কমিটি ঘোষনা করা হয়েছে। প্রশ্ন উঠেছে, যে সব ওয়ার্ডের সম্মেলন পরে হলো তাদের কমিটি ঘোষনা আগে হচ্ছে। তাহলে কিসের অজুহাতে ৪ নং ওয়ার্ড কমিটি ঝুলে আছে? প্রশ্ন স্থানীয় নেতাকর্মীদের। অভিযোগ উঠেছে, খুটাখালী ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডে উড়ে এসে ঝুড়ে বসছে শামসু মাঝি নামে এক ব্যক্তি। তিনি সম্প্রতি বিদেশ ফেরত। তিনি বিএনপির কোন কমিটিতে কখনও কেথায় ছিলেন কারো জানা নেই। মূলত মোটা অংকের বিনিময়ে তিনি পদ পদবি ভাগিয়ে নিচ্ছেন বলে বিষয়টি নিয়ে এলাকায় ফুসে উঠেছে তৃণমুল বিএনপির নেতাকর্মীরা। তবে ৪ নম্বর ওয়ার্ডে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে একাধিক যোগ্য প্রার্থী রয়েছে বলে জানা গেছে। নেতাকর্মীদের দাবি,, খুটাখালী ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণার পর ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে বঞ্চিত নেতাকর্মীদের মধ্যে অসন্তোষ বাড়ছে। অনেককে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এসব কমিটি নিয়ে বিদ্রুপাত্মক ও নেতিবাচক নানা মন্তব্য করতে দেখা গেছে। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, খুটাখালী ইউনিয়ন বিএনপিতে ডা. শফিউল আলম শফি, ছাদেকুর রহমানের নেতৃত্বাধীন কমিটি দীর্ঘদিন ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন-সংগ্রাম করেছে। দলের কঠিন দুঃসময়ে তাদের অনুসারী নেতাকর্মীরা বেশি মামলা হামলা ও নির্যাতনের শিকার হয়েছে। কিন্তু চলতি বছর জুন মাসে খুটাখালী ইউনিয়নে ছৈয়দ আলমকে আহ্বায়ক ও আকতার কামালকে সদস্য সচিব করে ১৫ জনের আংশিক কমিটি ঘোষণা করে চকরিয়া উপজেলা বিএনপি। মূলত নতুন নেতৃত্ব আসার পর থেকে ইউনিয়ন বিএনপির রাজনীতিতে পিছিয়ে পড়ে আগের শফি-ছাদেক কমিটির অনুসারীরা। এমনকি সদ্য ঘোষিত বিভিন্ন ওয়ার্ড কমিটিতেও তারা প্রায় উপেক্ষিত। খুটাখালীতে বিভিন্ন ওয়ার্ড কমিটিতে দলের ত্যাগী ও নির্যাতিত নেতারা স্থান না পাওয়ার অভিযোগ করে একাধিক নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, দলের দুঃসময়ে যারা ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে রাজপথে ছিলেন, যারা এলাকায় বিএনপির রাজনীতি ধরে রেখেছেন তারা এখন বঞ্চিত হচ্ছেন। যারা ৫ আগস্টের পর দলপ্রেমী সেজেছেন, এলাকায় যাদের কোনো ভিত্তি নেই তাদের এখন নেতা বানানো হচ্ছে। দলের ত্যাগী নেতাকর্মীদের জন্য তা কোনোভাবেই সুখকর নয়। জানতে চাইলে খুটাখালী ইউনিয়ন বিএনপির আহবায়ক ছৈয়দ আলম বলেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে সাংগঠনিক নিয়ম মোতাবেক ইউনিয়নের আওতাধীন মেয়াদোত্তীর্ণ ওয়ার্ড কমিটি গুলো নতুন করে সাজানো হচ্ছে। সেখানে দলের জন্য নিবেদিত এবং জনপ্রিয় নেতাকর্মীদের সম্পৃক্ত করা হচ্ছে। তিনি বলেন, ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির কমিটি নিয়ে যাঁরা অভিযোগ করছেন, মূলত তাঁরা ১৭বছর আশ্রয়লীগে ছিলেন। দলের নেতাকর্মীরা তা জানেন। এখন তাঁরা খুব বেশি ত্যাগী সাজার চেষ্টা করছেন। আমরা চাই, কোন কারণে ত্যাগী একজন নেতা ওয়ার্ড কমিটি থেকে যদিও বাদ যায়, তাহলে যোগ্যতা অনুযায়ী তাঁকে ইউনিয়ন কমিটিতে মুল্যায়িত করা হবে। এখনো কমিটি ঘোষণা করা হয়নি। তাই টাকা নিয়ে কমিটি দেওয়ার অভিযোগটি একবারে অসত্য এবং ভিত্তিহীন। এব্যাপারে চকরিয়া উপজেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক এম মোবারক আলী বলেন, রাজনীতিতে পরিবর্তন পরিবর্ধন আছে। কেউ যুগ যুগ ধরে একইস্থানে থাকার সুযোগ নেই। নতুনদের জায়গা দিতে হবে। সেইক্ষেত্রে অর্পিত ক্ষমতাবলে খুটাখালী ইউনিয়ন বিএনপির আহবায়ক কমিটি যাঁকে যোগ্য মনে করবেন, তাঁকে নেতা বানাবেন। তিনি বলেন, কমিটি ঘোষণার পর যদি কারো বিষয়ে অভিযোগ উঠে, তখন ব্যবস্থা নেওয়া বা বাদ দেয়ার সুযোগ আছে। কিন্তু কমিটি ঘোষণার আগে অভিযোগ তোলা সমীচীন নয়। ##

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×