হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

চকরিয়ায় স্ত্রী-সন্তানের সন্ধান পেতে হতভাগা স্বামীর আদালতের আশ্রয়

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

শুক্রবার, ২০ মে ২০২২, ১১:৫৮ অপরাহ্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক,চকরিয়া::

কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার সুরাজপুর-মানিকপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা দিনমুজুর মাহাবুল আলম স্ত্রী ও ফুটফুটে সন্তানকে ফিরে পেতে আদালতের আশ্রয় নিয়েছেন। শ^াশুড় বাড়ির লোকজন অসৎ উদ্দেশ্যে স্ত্রী মায়মুনা বেগম (২৮) এবং তাঁর শিশু ছেলে সোহেল (৮) কে অন্যত্র সরিয়ে রেখেছে বলে আদালতের কাছে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী। এ ঘটনায় হতভাগা মাহাবুল আলম বাদি হয়ে ১৬ মে চকরিয়া উপজেলা সিনিয়র জুড়িসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে একটি জিডি (নং ২১৭) রুজু করেছেন।

আদালতের জিডিতে স্ত্রী মায়মুনা বেগম (২৮) ছাড়াও আসামি করা হয়েছে শ^াশুড়ি লাইলা বেগম (৫৫) ও স্ত্রীর বড়বোনের স্বামী সেলিম উদ্দিন (৩৫) কে। বাদি মাহাবুল আলম সুরাজপুর-মানিকপুর ইউনিয়নের ফাইতং ব্রীজের উত্তর এলাকার আহমদ মিয়ার ছেলে। অপরদিকে অভিযুক্ত তিনজনের বাড়ি একই ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের মানিকপুর এলাকায়।

আদালতে রুজুকরা জিডিতে বাদি মাহাবুল আলম বলেন, ১০বছর আগে সুরাজপুর-মানিকপুর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের মানিকপুর এলাকার ছৈয়দ আলম প্রকাশ ছৈয়দের মেয়ে মায়মুনা বেগমকে কাবিননামা সম্পাদনের মাধ্যমে ইসলামিক শরীয়ত মোতাবেক বিয়ে করেন। দাম্পত্য জীবনের শুরুতে পাঁচবছর নিজের বাড়িতে ছিলেন। সেখানে বড়ছেলে সোহেল (৮) জন্মগ্রহন করেন। কিন্তু সংসার জীবনের পাঁচবছর সময়ে স্ত্রী মায়মুনা তাকে (স্বামী) নিজের বাড়ি ছেঁেড় শ^াশুড় বাড়িতে (ঘরজামাই) হিসেবে চলে যেতে বাধ্য করেন।
মাহাবুল আলম আদালতে বলেন, স্ত্রীর কথা মতো তিনি শ^াশুড় বাড়িতে চলে যান। সেখানে যথারীতি বসবাস শুরু করেন। এরই মধ্যে সেখানে ছোট ছেলে রাফি মনি (৩) জন্মগ্রহন করেন। এভাবে সংসার জীবন কোনমতে সুখে শান্তিতে অতিবাহিত করে আসছিলেন। তাঁর দাবি, গত ১৩ মে স্ত্রীর বড়বোনের স্বামী সেলিম উদ্দিনের বাড়ির ধান কাটতে যান। রাতে বাড়ি ফিরলে দেখলে স্ত্রী মায়মুনা ও বড়ছেলে সোহেল ঘরে নেই। তাঁরা কোথায় গেছে জানতে চাইলে শ^াশুড়ি লাইলা বেগম বলে আমার মেয়ে তোমার সঙ্গে সংসার করবে না, তাই সে অন্যত্র চলে গেছে। ওই কথা শুনে শাশুড় ছৈয়দ আলমের সঙ্গে কথা বলেন মাহাবু। তিনিও তাকে বলে আমার মেয়ে তোমার সঙ্গে আর ঘর করতে রাজী না। বরং তুমি ছোট সন্তান রাফি মনিকে নিয়ে তোমার বাড়ি (নিজের বাড়ি) চলে যাও। এ অবস্থায় নিরুপায় ওইদিন (১৩ মে) রাত দশটার দিকে ৩বছর বয়সের শিশু সন্তানকে নিয়ে শ^াশুড় বাড়ি থেকে নিজের বাড়িতে চলে আসতে বাধ্য হন হতভাগা মাহাবু।
আদালতের জিডিতে মাহাবুল আলম অভিযোগ করেন, আমার স্ত্রী ও সন্তানকে অসৎ উদ্দেশ্যে অন্যত্র সরিয়ে রাখা হয়েছে। এখন তারা আমাকে বিভিন্নভাবে হুমকি দিচ্ছে। মামলায় জড়িয়ে জেলে পাঠাবে। বিষয়টি নিয়ে কোনদিন শাশুড় বাড়িতে আপত্তি করতে গেলে হত্যা করবে। এ অবস্থায় আতঙ্কে ভুগছেন মাহাবুল আলম।

আরও পড়ুন

হাসপাতালে ভর্তি শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী

coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

কক্সবাজার
Card Image

চকরিয়ায় স্ত্রী-সন্তানের সন্ধান পেতে হতভাগা স্বামীর আদালতের আশ্রয়

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

চকরিয়ায় স্ত্রী-সন্তানের সন্ধান পেতে হতভাগা স্বামীর আদালতের আশ্রয়

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: শুক্রবার, ২০ মে ২০২২, ১১:৫৮ অপরাহ্ন
Print Image
নিজস্ব প্রতিবেদক,চকরিয়া:: কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার সুরাজপুর-মানিকপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা দিনমুজুর মাহাবুল আলম স্ত্রী ও ফুটফুটে সন্তানকে ফিরে পেতে আদালতের আশ্রয় নিয়েছেন। শ^াশুড় বাড়ির লোকজন অসৎ উদ্দেশ্যে স্ত্রী মায়মুনা বেগম (২৮) এবং তাঁর শিশু ছেলে সোহেল (৮) কে অন্যত্র সরিয়ে রেখেছে বলে আদালতের কাছে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী। এ ঘটনায় হতভাগা মাহাবুল আলম বাদি হয়ে ১৬ মে চকরিয়া উপজেলা সিনিয়র জুড়িসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে একটি জিডি (নং ২১৭) রুজু করেছেন। আদালতের জিডিতে স্ত্রী মায়মুনা বেগম (২৮) ছাড়াও আসামি করা হয়েছে শ^াশুড়ি লাইলা বেগম (৫৫) ও স্ত্রীর বড়বোনের স্বামী সেলিম উদ্দিন (৩৫) কে। বাদি মাহাবুল আলম সুরাজপুর-মানিকপুর ইউনিয়নের ফাইতং ব্রীজের উত্তর এলাকার আহমদ মিয়ার ছেলে। অপরদিকে অভিযুক্ত তিনজনের বাড়ি একই ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের মানিকপুর এলাকায়। আদালতে রুজুকরা জিডিতে বাদি মাহাবুল আলম বলেন, ১০বছর আগে সুরাজপুর-মানিকপুর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের মানিকপুর এলাকার ছৈয়দ আলম প্রকাশ ছৈয়দের মেয়ে মায়মুনা বেগমকে কাবিননামা সম্পাদনের মাধ্যমে ইসলামিক শরীয়ত মোতাবেক বিয়ে করেন। দাম্পত্য জীবনের শুরুতে পাঁচবছর নিজের বাড়িতে ছিলেন। সেখানে বড়ছেলে সোহেল (৮) জন্মগ্রহন করেন। কিন্তু সংসার জীবনের পাঁচবছর সময়ে স্ত্রী মায়মুনা তাকে (স্বামী) নিজের বাড়ি ছেঁেড় শ^াশুড় বাড়িতে (ঘরজামাই) হিসেবে চলে যেতে বাধ্য করেন। মাহাবুল আলম আদালতে বলেন, স্ত্রীর কথা মতো তিনি শ^াশুড় বাড়িতে চলে যান। সেখানে যথারীতি বসবাস শুরু করেন। এরই মধ্যে সেখানে ছোট ছেলে রাফি মনি (৩) জন্মগ্রহন করেন। এভাবে সংসার জীবন কোনমতে সুখে শান্তিতে অতিবাহিত করে আসছিলেন। তাঁর দাবি, গত ১৩ মে স্ত্রীর বড়বোনের স্বামী সেলিম উদ্দিনের বাড়ির ধান কাটতে যান। রাতে বাড়ি ফিরলে দেখলে স্ত্রী মায়মুনা ও বড়ছেলে সোহেল ঘরে নেই। তাঁরা কোথায় গেছে জানতে চাইলে শ^াশুড়ি লাইলা বেগম বলে আমার মেয়ে তোমার সঙ্গে সংসার করবে না, তাই সে অন্যত্র চলে গেছে। ওই কথা শুনে শাশুড় ছৈয়দ আলমের সঙ্গে কথা বলেন মাহাবু। তিনিও তাকে বলে আমার মেয়ে তোমার সঙ্গে আর ঘর করতে রাজী না। বরং তুমি ছোট সন্তান রাফি মনিকে নিয়ে তোমার বাড়ি (নিজের বাড়ি) চলে যাও। এ অবস্থায় নিরুপায় ওইদিন (১৩ মে) রাত দশটার দিকে ৩বছর বয়সের শিশু সন্তানকে নিয়ে শ^াশুড় বাড়ি থেকে নিজের বাড়িতে চলে আসতে বাধ্য হন হতভাগা মাহাবু। আদালতের জিডিতে মাহাবুল আলম অভিযোগ করেন, আমার স্ত্রী ও সন্তানকে অসৎ উদ্দেশ্যে অন্যত্র সরিয়ে রাখা হয়েছে। এখন তারা আমাকে বিভিন্নভাবে হুমকি দিচ্ছে। মামলায় জড়িয়ে জেলে পাঠাবে। বিষয়টি নিয়ে কোনদিন শাশুড় বাড়িতে আপত্তি করতে গেলে হত্যা করবে। এ অবস্থায় আতঙ্কে ভুগছেন মাহাবুল আলম।

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×