কক্সবাজারের ঈদগাঁও উপজেলার জালালাবাদ ইউনিয়নের পূর্ব পালাকাটা জামে মসজিদের মাসিক সভা দুপক্ষের মধ্যে উত্তেজনার জেরে পন্ড হয়েছে।
গত ১২ সেপ্টেম্বর (জুমাবার) সকাল ৮ টায় মসজিদ প্রাঙ্গনে এ ঘটনা ঘটে।
প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, উক্ত জামে মসজিদের উন্নয়ন কমিটির সাথে স্থানীয় কথিত প্রভাবশালী চক্রের মসজিদকে কেন্দ্র করে বিরোধ চলে আসছে।
সম্প্রতি মতোয়াল্লী ও প্রতিপক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি মসজিদ উন্নয়ন কমিটি ঘোষণাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। মতোয়াল্লী পক্ষ গত ১২ সেপ্টম্বর মাসিক বৈঠকের আয়োজন করেন। নির্ধারিত সময়ে মসজিদের মাসিক বৈঠক শুরু হলে স্থানীয় আবুল কাশেম (৪০)ও জামাল উদ্দিন (৪৫) এর নেতৃত্বে একদল লাঠিয়াল সভায় উপস্থিত উন্নয়ন কমিটির সদস্যদের উপর চড়াও হয়।হ এক পর্যায়ে উভয় পক্ষের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়। এসময় মতোয়াল্লী মওলানা জাফর আহাম্মদের ছেলে সৌদি প্রবাসী খালেদ সাইফুল্লাহ হেনস্থার শিকার হয়।
জাপানের সঙ্গে ২৩টি বড় চুক্তি ও স্মারক সই: ২ লাখ নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ
স্থানীয়রা জানান, ঐতিহ্যবাহী পূর্ব পালাকাটা জামে মসজিদটি শত বছর ধরে মতোয়াল্লী ও উন্নয়ন পর্ষদ মিলে যৌথভাবে সুনামের সাথে পরিচালনা করে আসছে।
সম্প্রতি একটি কুচক্রি মহল মসজিদে ওয়াকফকৃত জমি আত্মসাৎ করার কূ-মানসে জৈনক আমানউল্লাহকে সভাপতি করে ৩১সদস্য বিশিষ্ট পকেট কমিটি ঘোষণা করেন । যা সম্পূর্ণ বেআইনি, বানোয়াট, ভিক্তিহীন ও ওয়াকফ্ আইন পরিপন্থী।
এ বিষয়ে মতোয়াল্লীর সাথে যোগাযোগ করা হলে জানান, বিগত ১৯২৮ সালে তার শ্রদ্ধেয় পিতা ক্বারী মোজাফফর আহাম্মদ তার খরিদা ২২শতক জমিতে পূর্ব পালাকাটা জামে মসজিদটি নিজস্ব অর্থায়নে নির্মাণ করেন। মসজিদের ইমাম- মোয়াজ্জিন, বিদ্যুৎ বিলসহ অন্যান্য খরচের যোগান দিতে উল্লেখিত ২২শতক জমিসহ মোট ১ একর ৫ শতক জমি মসজিদের নামে ওয়াকফ করেন।প্রতিষ্ঠা লগ্ন থেকে তার বাবা ,তার মৃত্যুর পর ওয়াকফ্ ষ্টেট কর্তৃক ঘোষিত ই সি ২১৮৩৭ নং মূলে সে নিজে ও তার বড় ভাই নিয়মতান্ত্রিক ভাবে মতোয়াল্লী হিসাবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। সম্প্রতি ঘটিত পকেট কমিটি ও মাসিক সভাকে কেন্দ্র করে সংঘটিত ঘটনার জেরে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।
যে কোনো মুহূর্তে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশংকা দেখা দিয়েছে। তারা এ বিষয়ে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে কামনা করেছেন। অভিযুক্তদের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করেও পাওয়া না যাওয়ায় বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।




মন্তব্য করুন