ঢাকা, ১৫ অক্টোবর – রাজধানীর মিরপুরের রূপনগরে অগ্নিকাণ্ডে শ্রমিকদের প্রাণহানির ঘটনাকে কাঠামোগত ও গাফিলতিজনিত হত্যাকাণ্ড বলে বিবেচনায় নিয়ে দোষীদের চিহ্নিত করে সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানিয়েছে ইনস্টিটিউট ফর প্ল্যানিং অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (আইপিডি)।
বুধবার (১৫ অক্টোবর) সংবাদ মাধ্যমে আইপিডির পরিচালক অধ্যাপক ড. আদিল মুহাম্মদ খান ও নির্বাহী পরিচালক ড. মোহাম্মদ আরিফুল ইসলামের পাঠানো বিবৃতিতে এ কথা জানানো হয়েছে। একইসঙ্গে আগুনের ঘটনায় নিহত পরিবারদের প্রতি গভীর শোক জানানোর পাশাপাশি আহতদের সুচিকিৎসা এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের যথাযথ ক্ষতিপূরণের দাবি করছে আইপিডি।
ইসরায়েল নির্বাচনে নেতানিয়াহুর জোট এগিয়ে, জয়ের পেছনে নিজের সমর্থনকে কৃতিত্ব দিলেন ট্রাম্প
এতে বলা হয়, অনুমোদনহীনভাবে যত্রতত্র বিপজ্জনক শিল্পকারখানা স্থাপন, অগ্নি-নিরাপত্তা সনদ না নেওয়া, ভবনে অগ্নিনির্বাপণ ও অগ্নি-নিরাপত্তা ব্যবস্থা না থাকা, ভবন ও কারখানার যথাযথ ব্যবহার অনুমোদন না নিয়েই বিপজ্জনক ব্যবহার এবং নগর পরিকল্পনা যথাযথভাবে অনুসরণ না করার কারণেই দারিদ্র্যপীড়িত এসব শ্রমিকদের আগুনে পুড়ে অসহায়ভাবে মারা যেতে হলো।
শিল্প মালিকরা শহরের পরিকল্পনা এবং ইমারত ও শিল্প সংশ্লিষ্ট সব আইনকানুনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়েছে। ভবনের যথাযথ কর্মপরিবেশ ও জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত না করে মানুষের দারিদ্র্যকে পুঁজি করে শিল্প কারখানার মালিকরা শ্রমিকদের বাধ্য করে এই ধরনের কারখানায় কাজ করতে। ফলে মানুষ হত্যার দায় নিয়ে শিল্প মালিকদের যথাযথ শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি করছে আইপিডি।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, শ্রমিকদের নিরাপদ কর্মপরিবেশ ও জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এক্ষেত্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত ছিল জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর, কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর, শ্রম অধিদপ্তর, বিস্ফোরক পরিদপ্তর, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন প্রভৃতি প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা। এদের প্রত্যেকেই তাদের ওপর রাষ্ট্রীয়ভাবে অর্পিত দায়িত্ব পালন করলে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় এভাবে মানুষ মারা যেত না।
সূত্র: ঢাকা পোস্ট
এনএন/ ১৫ অক্টোবর ২০২৫




মন্তব্য করুন