হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

টেকনাফে সাগরপথে পাচারকালে ২৯ জন উদ্ধার, বিজিবির হাতে ৩ পাচারকারী আটক

নিজস্ব প্রতিবেদক ::

নিজস্ব প্রতিবেদক ::

বুধবার, ২২ অক্টোবর ২০২৫, ০৩:৪৭ অপরাহ্ন

কক্সবাজারের টেকনাফ সীমান্তে একদিনে পৃথক দুটি অভিযানে মানব পাচারকারী চক্রের মেরুদণ্ড ভেঙে দিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

ভোরে দুর্গম পাহাড়ে সশস্ত্র আস্তানা গুড়িয়ে জিম্মি উদ্ধারের পর, বুধবার (২২ অক্টোবর, ২০২৫) মধ্যরাতে মেরিন ড্রাইভ সৈকত এলাকায় অভিযান চালিয়ে গভীর সাগরে পাচারের মুহূর্ত থেকে ২৯ জন ভুক্তভোগীকে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়েছে এবং মানব পাচারকারী চক্রের তিন সদস্যকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি) জানায়, দিনের প্রথম অভিযানে (২১ অক্টোবর) রাজারছড়ায় সশস্ত্র পাচারকারীদের গোপন আস্তানা গুড়িয়ে দিয়ে জিম্মি উদ্ধারের সূত্র ধরে বিজিবি তাদের নজরদারি সমুদ্র উপকূলের দিকে নিবদ্ধ করে। জানা যায়, ওই অভিযানে পালিয়ে যাওয়া আসামিরা সমুদ্রপথে লোকজনকে পাচারের চেষ্টা করবে।

সন্ধ্যায় মেরিন ড্রাইভ সৈকতের কৌশলগত পয়েন্টগুলোতে বিজিবির বিশেষ টহল দলের সদস্যরা নিবিড় নজরদারি শুরু করে। রাত গভীর হলে সমুদ্র উপকূলে সন্দেহজনক গতিবিধি লক্ষ্য করা যায়। ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আশিকুর রহমান, পিএসসি’র নেতৃত্বে বিজিবি সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থল ঘিরে ফেলে দেখতে পান যে, মানব পাচারকারী চক্র গোপনে ২৯ জন ভুক্তভোগীকে একটি নৌযানে গভীর সাগর দিয়ে পাচারের জন্য প্রস্তুত করছে।

আরও পড়ুন

টেকনাফে সিএনজির বিশেষ চেম্বার থেকে ১৩ হাজার ইয়াবা উদ্ধার, চালক আটক

বিজিবির দ্রুত ও কার্যকরী হস্তক্ষেপে ২৯ জন ভুক্তভোগীকে অনিশ্চিত ও বিপজ্জনক সমুদ্র যাত্রা থেকে তাৎক্ষণিকভাবে উদ্ধার করা হয়। ঘটনাস্থল থেকেই মানব পাচারের দায়ে চক্রটির তিন মূলহোতাকে দেশীয় অস্ত্রসহ হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয়।
আটককৃত পাচারকারীরা হলেন: টেকনাফের মহেশখালিয়া পাড়ার বাসিন্দা মো. সলিম (৩৫) ও মো. নুরুল আবছার (১৯), এবং কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ব্লক–এ এর মনসুর আলম (২২)।

এ সময় পাচারকারীদের কাছ থেকে একটি চাকু, একটি মোটরসাইকেল এবং একটি ইঞ্জিনচালিত সাম্পান নৌকা জব্দ করা হয়। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত আরও ৬/৭ জন পলাতক রয়েছে।

টেকনাফ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল আশিকুর রহমান, পিএসসি বলেন, “আজকের দিনটি টেকনাফ সীমান্তে মানব পাচারকারী ও সংঘবদ্ধ অপরাধী চক্রগুলোর জন্য চরম দুঃসংবাদ বহন করে এনেছে। আমরা ভোরে পাহাড়ের দুর্গম চূড়া থেকে জিম্মি উদ্ধার করেছি এবং সন্ধ্যায় সমুদ্র উপকূলে মানব পাচার বানচাল করেছি। বিজিবি স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে যে, টেকনাফ সীমান্তের পাহাড় থেকে সমুদ্রের জলসীমা পর্যন্ত কোনো অপরাধীর জন্য এক ইঞ্চি জায়গাও নিরাপদ নয়।”

উদ্ধারকৃত ২৯ জন ভুক্তভোগীকে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শেষে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হবে এবং আটককৃত তিন মানব পাচারকারীর বিরুদ্ধে দেশের প্রচলিত আইনে মামলা রুজু করার প্রক্রিয়া চলছে।

coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

কক্সবাজার
Card Image

টেকনাফে সাগরপথে পাচারকালে ২৯ জন উদ্ধার, বিজিবির হাতে ৩ পাচারকারী আটক

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

টেকনাফে সাগরপথে পাচারকালে ২৯ জন উদ্ধার, বিজিবির হাতে ৩ পাচারকারী আটক

প্রতিবেদক: নিজস্ব প্রতিবেদক :: | প্রকাশিত: বুধবার, ২২ অক্টোবর ২০২৫, ০৩:৪৭ অপরাহ্ন
Print Image
কক্সবাজারের টেকনাফ সীমান্তে একদিনে পৃথক দুটি অভিযানে মানব পাচারকারী চক্রের মেরুদণ্ড ভেঙে দিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। ভোরে দুর্গম পাহাড়ে সশস্ত্র আস্তানা গুড়িয়ে জিম্মি উদ্ধারের পর, বুধবার (২২ অক্টোবর, ২০২৫) মধ্যরাতে মেরিন ড্রাইভ সৈকত এলাকায় অভিযান চালিয়ে গভীর সাগরে পাচারের মুহূর্ত থেকে ২৯ জন ভুক্তভোগীকে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়েছে এবং মানব পাচারকারী চক্রের তিন সদস্যকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি) জানায়, দিনের প্রথম অভিযানে (২১ অক্টোবর) রাজারছড়ায় সশস্ত্র পাচারকারীদের গোপন আস্তানা গুড়িয়ে দিয়ে জিম্মি উদ্ধারের সূত্র ধরে বিজিবি তাদের নজরদারি সমুদ্র উপকূলের দিকে নিবদ্ধ করে। জানা যায়, ওই অভিযানে পালিয়ে যাওয়া আসামিরা সমুদ্রপথে লোকজনকে পাচারের চেষ্টা করবে। সন্ধ্যায় মেরিন ড্রাইভ সৈকতের কৌশলগত পয়েন্টগুলোতে বিজিবির বিশেষ টহল দলের সদস্যরা নিবিড় নজরদারি শুরু করে। রাত গভীর হলে সমুদ্র উপকূলে সন্দেহজনক গতিবিধি লক্ষ্য করা যায়। ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আশিকুর রহমান, পিএসসি'র নেতৃত্বে বিজিবি সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থল ঘিরে ফেলে দেখতে পান যে, মানব পাচারকারী চক্র গোপনে ২৯ জন ভুক্তভোগীকে একটি নৌযানে গভীর সাগর দিয়ে পাচারের জন্য প্রস্তুত করছে। বিজিবির দ্রুত ও কার্যকরী হস্তক্ষেপে ২৯ জন ভুক্তভোগীকে অনিশ্চিত ও বিপজ্জনক সমুদ্র যাত্রা থেকে তাৎক্ষণিকভাবে উদ্ধার করা হয়। ঘটনাস্থল থেকেই মানব পাচারের দায়ে চক্রটির তিন মূলহোতাকে দেশীয় অস্ত্রসহ হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয়। আটককৃত পাচারকারীরা হলেন: টেকনাফের মহেশখালিয়া পাড়ার বাসিন্দা মো. সলিম (৩৫) ও মো. নুরুল আবছার (১৯), এবং কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ব্লক–এ এর মনসুর আলম (২২)। এ সময় পাচারকারীদের কাছ থেকে একটি চাকু, একটি মোটরসাইকেল এবং একটি ইঞ্জিনচালিত সাম্পান নৌকা জব্দ করা হয়। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত আরও ৬/৭ জন পলাতক রয়েছে। টেকনাফ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল আশিকুর রহমান, পিএসসি বলেন, "আজকের দিনটি টেকনাফ সীমান্তে মানব পাচারকারী ও সংঘবদ্ধ অপরাধী চক্রগুলোর জন্য চরম দুঃসংবাদ বহন করে এনেছে। আমরা ভোরে পাহাড়ের দুর্গম চূড়া থেকে জিম্মি উদ্ধার করেছি এবং সন্ধ্যায় সমুদ্র উপকূলে মানব পাচার বানচাল করেছি। বিজিবি স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে যে, টেকনাফ সীমান্তের পাহাড় থেকে সমুদ্রের জলসীমা পর্যন্ত কোনো অপরাধীর জন্য এক ইঞ্চি জায়গাও নিরাপদ নয়।" উদ্ধারকৃত ২৯ জন ভুক্তভোগীকে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শেষে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হবে এবং আটককৃত তিন মানব পাচারকারীর বিরুদ্ধে দেশের প্রচলিত আইনে মামলা রুজু করার প্রক্রিয়া চলছে।

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×