জেরুজালেম, ২২ অক্টোবর – ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকার ক্ষমতা কার কিংবা কোন পক্ষের হাতে থাকবে, তা এখনও জানেন না বলে স্বীকার করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স। তবে তিনি বলেছেন, আপাতত গাজাকে পুনর্গঠন এবং অসামরিকীকরণের দিকেকেই মনোযোগ দিচ্ছে ওয়াশিংটন।
মঙ্গলবার জে ডি ভ্যান্সের নেতৃত্বে ইসরায়েল সফরে গিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের একটি উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি দল। ভ্যান্স ছাড়াও এই প্রতিনিধি দলে আছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার।
ইনানীতে নিয়ন্ত্রণহীন গ্যাসের আগুন ঘিরে আতঙ্ক, বিদ্যুৎহীন ৩ হাজার ৮০০ পরিবার
ইসরায়েলের রাজধানী জেরুজালেমে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ভ্যান্স বলেন, গাজায় যুদ্ধবিরতি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র যা প্রত্যাশা করেছিল, বাস্তবে পরিস্থিতি তার চেয়েও ‘ভালো’ এবং তিনি আশা করছেন এই যুদ্ধবিরতির মধ্যে দিয়েই গত দুই বছরের যুদ্ধের ভয়াবহ স্মৃতি পিছনে ফেলে আসা শুরু করবেন ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনের বাসিন্দারা।
এ সময় সাংবাদিকরা তাকে প্রশ্ন করেন, ভবিষ্যতে গাজার শাসন ক্ষমতা কার হাতে থাকবে।
জবাবে ভ্যান্স বলেন, “এ প্রশ্নের উত্তর আমি জানি না। তবে এখন আমাদের প্রয়োজন গাজাকে পুনর্গঠন করা এবং এটা নিশ্চিত করা যে ফিলিস্তিনিরা এখানে বসবাস করবে এবং গাজা ভবিষ্যতে আর কখনও ইসরায়েলের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি হয়ে উঠবে না।”
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের প্রস্তাবিত পরিকল্পনায় ২০টি পয়েন্ট রয়েছে। তার মধ্যে একটি পয়েন্টে বলা হয়েছে, যুদ্ধবিরতির পর তিনি এবং যুক্তরাজ্যের সাবেক প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ারের সমন্বয়ে একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি হবে। সেই কমিটির অধীনে গাজায় একটি অরাজনৈতিক টেনোক্র্যাট সরকার গঠন করা হবে। সেই সরকারই আপাতত গাজার যাবতীয় বিষয় দেখভাল করবে।
এদিকে, ট্রাম্পের প্রস্তাবিত সেই টেকনোক্র্যাট সরকারে যোগ দিতে ইচ্ছা প্রকাশ করেছে হামাস এবং ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীর অঞ্চলে ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক গোষ্ঠী ফাতাহ উভয়েই। হামাস এবং ফাতাহ রাজনৈতিক মতাদর্শের দিকে থেকে পরস্পরের থেকে বিপরীত এবং উভয়েই একে অন্যের প্রতি ব্যাপক বৈরীভাবপাপন্ন।
সূত্র: ঢাকা পোস্ট
এনএন/ ২২ অক্টোবর ২০২৫




মন্তব্য করুন