ঢাকা, ২৪ অক্টোবর – ক্রিকেটে দল হারলে সব সময়ই অধিনায়কের ওপরই ঝড়ঝাপটা যায়। আর সেই পরাজিত দলটা বাংলাদেশ হলে তো কথাই নেই। সবাই অধিনায়ককে দোষ দেন। এ সিরিজের আগে পরপর ৪ ওয়ানডে সিরিজ হারা বাংলাদেশের ওয়ানডে ক্যাপ্টেন মেহেদি হাসান মিরাজের দিকেও তাক করা ছিল সমালোচকদের তীর। সমালোচনা হবেই না কেন?
অধিনায়ক মিরাজের সময়টাও যে মোটেই ভালো কাটছিল না। অধিনায়ক হয়ে যেন জিততে ভুলে গিয়েছিলেন। এ সিরিজের আগে ১০ খেলায় একটি মাত্র জয় ছিল অধিনায়ক মিরাজের।
নারায়ণগঞ্জে পুলিশ সদস্যকে পিটিয়ে হাত-পা ভাঙল ও রগ কাটল মাদক কারবারিরা
তার পারফরম্যান্স, ক্যাপ্টেন হওয়ার পর আগে ব্যাট হাতে নেমে পড়া এবং বোলিং পারফরম্যান্স নিয়ে অনেক তির্যক কথাবার্তাই হয়েছে। হচ্ছেও। সবমিলিয়ে মেহেদি হাসান মিরাজের অধিনায়কত্বই হুমকিতে পড়েছিল।
অবশেষে এবার যেন খানিক হালে পানি পেলেন মিরাজ। ওয়েস্ট ইন্ডিজের সাথে এ সিরিজে দুই জয়ে অধিনায়ক মিরাজের পরিসংখ্যান দাঁড়ালো ১৩ খেলায় ৩ জয়। খুব স্বাভাবিকভাবেই একটু হলেও স্বস্তির পরশ লেগেছে অধিনায়ক মিরাজের মনে। ব্যর্থতার ঘানি টেনে টেনে ক্লান্ত মিরাজ অবশেষে আবার সাফল্যের পথ খুঁজে পেয়েছেন।
তার ধারণা, অধিনায়ক হিসেবে সাফল্যের পথ খুঁজে পেতে তার দুই সাবেক অধিনায়ক ও পূর্বসূরি মাশরাফি বিন মর্তুজা আর তামিম ইকবাল রেখেছেন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। অধিনায়ক হিসেবে ভালো করতে বাংলাদেশের ওই দুই সাবেক ক্যাপ্টেন তাকে বুদ্ধি-পরামর্শ দিয়ে সহায়তা করেছেন, এমন দাবি মিরাজের।
‘কারণ আপনি যদি দেখেন, তারা কিন্তু দুজনই বাংলাদেশের সবচেয়ে সফল অধিনায়ক। এবং সত্যি কথা বলতে তারা আমাকে অনেক সাপোর্ট করছেন। এই যে দুইটা সিরিজে অনেক কিছু হয়েছে, তারা হয়তো কাছ থেকে দেখেছেন। অনেক কথা হয়েছে, কিন্তু এই জিনিসটা আমার কাছে খুব ভালো লাগছে’-যোগ করেন মিরাজ।
সূত্র: জাগো নিউজ
এনএন/ ২৪ অক্টোবর ২০২৫




মন্তব্য করুন