হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

রাশিয়ার তেল কেনা বন্ধ করল চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত কোম্পানিগুলো

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

শুক্রবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৫, ০৯:২২ অপরাহ্ন


বেইজিং, ২৪ অক্টোবর – রাশিয়ার তেল কেনা বন্ধ করলো চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত কোম্পানিগুলো। শীর্ষ দুই রুশ তেল কোম্পানি রসনেফট ও লুকওয়েলের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা জারির পর এই সিদ্ধান্ত নিলো চীনা কোম্পানিগুলো। বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) একাধিক বাণিজ্যিক সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে।

ইউক্রেনে শান্তি চুক্তির জন্য মস্কোকে চাপ দিতেই রাশিয়ার ওই দুটি কোম্পানির ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছিল বলে বলে বুধবার (২২ অক্টোবর) জানিয়েছিলেন মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট।

আরও পড়ুন

কেশম দ্বীপে মার্কিন হামলার কথা স্বীকার করলেন ট্রাম্প, ইরানের সঙ্গে আলোচনায় অগ্রগতির দাবিও

এর আগে রাশিয়ার সবচেয়ে বড় সমুদ্রপথের তেল ক্রেতা ভারতও যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা মেনে রুশ তেল আমদানি কমানোর ঘোষণা দিয়েছে। ফলে মস্কোর সবচেয়ে বড় দুই ক্রেতা ভারত ও চীনের এ সিদ্ধান্ত রাশিয়ার তেল রাজস্বে বড় ধাক্কা দেবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এতে বৈশ্বিক বাজারে বিকল্প সরবরাহের চাপে তেলের দামও বাড়তে পারে।

সূত্রগুলো জানায়, চীনের জাতীয় তেল কোম্পানি পেট্রোচায়না, সিনোপেক, সিএনওওসি ও ঝেনহুয়া অয়েল আপাতত সমুদ্রপথে রুশ তেল কেনাবেচা থেকে বিরত থাকবে। তারা আশঙ্কা করছে, নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘনের ঝুঁকিতে পড়তে পারে। তবে কোম্পানিগুলো এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি।

চীন প্রতিদিন প্রায় ১৪ লাখ ব্যারেল রুশ তেল সমুদ্রপথে আমদানি করে। তবে এর বেশিরভাগই কেনে বেসরকারি ক্ষুদ্র রিফাইনারি বা তথাকথিত ‘টিপট’ কোম্পানিগুলো। যদিও রাষ্ট্রীয় রিফাইনারিগুলোর আমদানির পরিমাণ নিয়ে বিভিন্ন সংস্থার হিসাব ভিন্ন।

বাণিজ্যিক সূত্রগুলো আরও জানায়, রসনেফট ও লুকওয়েল সরাসরি ক্রেতাদের না দিয়ে মূলত মধ্যস্বত্বভোগীদের মাধ্যমে চীনে তেল বিক্রি করে থাকে। অন্যদিকে, স্বাধীন রিফাইনারিগুলো আপাতত নিষেধাজ্ঞার প্রভাব পর্যবেক্ষণ করবে। তবে তারা রুশ তেল কেনা পুরোপুরি বন্ধ করবে না বলেই মনে করছেন ব্যবসায়ীরা।

তবে চীন আরও প্রায় ৯ লাখ ব্যারেল রুশ তেল পাইপলাইনের মাধ্যমে আমদানি করে, যার পুরোটাই যায় পেট্রোচায়নার কাছে। বাণিজ্যিক সূত্রগুলো বলছে, এই সরবরাহ নিষেধাজ্ঞায় তেমন প্রভাব পড়বে না।

বিশ্লেষকদের মতে, ভারত ও চীন অন্য উৎস থেকে তেল কেনার দিকে ঝুঁকবে। ফলে মধ্যপ্রাচ্য, আফ্রিকা ও লাতিন আমেরিকার নিষেধাজ্ঞামুক্ত তেলের দামও বাড়তে পারে।

সূত্র: জাগো নিউজ
এনএন/ ২৪ অক্টোবর ২০২৫


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

রাশিয়ার তেল কেনা বন্ধ করল চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত কোম্পানিগুলো

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

রাশিয়ার তেল কেনা বন্ধ করল চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত কোম্পানিগুলো

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৫, ০৯:২২ অপরাহ্ন
Print Image
[ad_1] বেইজিং, ২৪ অক্টোবর – রাশিয়ার তেল কেনা বন্ধ করলো চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত কোম্পানিগুলো। শীর্ষ দুই রুশ তেল কোম্পানি রসনেফট ও লুকওয়েলের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা জারির পর এই সিদ্ধান্ত নিলো চীনা কোম্পানিগুলো। বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) একাধিক বাণিজ্যিক সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে।ইউক্রেনে শান্তি চুক্তির জন্য মস্কোকে চাপ দিতেই রাশিয়ার ওই দুটি কোম্পানির ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছিল বলে বলে বুধবার (২২ অক্টোবর) জানিয়েছিলেন মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট।এর আগে রাশিয়ার সবচেয়ে বড় সমুদ্রপথের তেল ক্রেতা ভারতও যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা মেনে রুশ তেল আমদানি কমানোর ঘোষণা দিয়েছে। ফলে মস্কোর সবচেয়ে বড় দুই ক্রেতা ভারত ও চীনের এ সিদ্ধান্ত রাশিয়ার তেল রাজস্বে বড় ধাক্কা দেবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এতে বৈশ্বিক বাজারে বিকল্প সরবরাহের চাপে তেলের দামও বাড়তে পারে।সূত্রগুলো জানায়, চীনের জাতীয় তেল কোম্পানি পেট্রোচায়না, সিনোপেক, সিএনওওসি ও ঝেনহুয়া অয়েল আপাতত সমুদ্রপথে রুশ তেল কেনাবেচা থেকে বিরত থাকবে। তারা আশঙ্কা করছে, নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘনের ঝুঁকিতে পড়তে পারে। তবে কোম্পানিগুলো এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি।চীন প্রতিদিন প্রায় ১৪ লাখ ব্যারেল রুশ তেল সমুদ্রপথে আমদানি করে। তবে এর বেশিরভাগই কেনে বেসরকারি ক্ষুদ্র রিফাইনারি বা তথাকথিত ‘টিপট’ কোম্পানিগুলো। যদিও রাষ্ট্রীয় রিফাইনারিগুলোর আমদানির পরিমাণ নিয়ে বিভিন্ন সংস্থার হিসাব ভিন্ন।বাণিজ্যিক সূত্রগুলো আরও জানায়, রসনেফট ও লুকওয়েল সরাসরি ক্রেতাদের না দিয়ে মূলত মধ্যস্বত্বভোগীদের মাধ্যমে চীনে তেল বিক্রি করে থাকে। অন্যদিকে, স্বাধীন রিফাইনারিগুলো আপাতত নিষেধাজ্ঞার প্রভাব পর্যবেক্ষণ করবে। তবে তারা রুশ তেল কেনা পুরোপুরি বন্ধ করবে না বলেই মনে করছেন ব্যবসায়ীরা।তবে চীন আরও প্রায় ৯ লাখ ব্যারেল রুশ তেল পাইপলাইনের মাধ্যমে আমদানি করে, যার পুরোটাই যায় পেট্রোচায়নার কাছে। বাণিজ্যিক সূত্রগুলো বলছে, এই সরবরাহ নিষেধাজ্ঞায় তেমন প্রভাব পড়বে না।বিশ্লেষকদের মতে, ভারত ও চীন অন্য উৎস থেকে তেল কেনার দিকে ঝুঁকবে। ফলে মধ্যপ্রাচ্য, আফ্রিকা ও লাতিন আমেরিকার নিষেধাজ্ঞামুক্ত তেলের দামও বাড়তে পারে।সূত্র: জাগো নিউজএনএন/ ২৪ অক্টোবর ২০২৫ [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×