টেকনাফ সীমান্তে মানবপাচার ও সংঘবদ্ধ অপরাধ দমনে টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি) রাতভর পরপর দুইটি সফল অভিযান পরিচালনা করেছে। এসব অভিযানে মোট ১৪ জন নিরীহ ভুক্তভোগীকে সমুদ্রপথে পাচারের হাত থেকে উদ্ধার করা হয় এবং মানবপাচারকারী চক্রের ৩ সদস্যকে হাতেনাতে আটক করা হয়।
গোপন সূত্রে জানা যায়, টেকনাফের নোয়াখালীপাড়া ও দক্ষিণ লম্বরী এলাকায় কিছু পাচারকারী মালয়েশিয়ায় পাঠানোর উদ্দেশ্যে মানুষ জমায়েত করে রেখেছে। তথ্যের ভিত্তিতে ২৫ অক্টোবর রাত সাড়ে ৯টার দিকে নোয়াখালীপাড়ার আবু তাহেরের বাড়ি ঘিরে অভিযান চালায় বিজিবি। সেখানে ৮ জন ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করা হয় এবং মানবপাচারকারী আবু তাহেরসহ দুইজনকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়। এরপর ২৬ অক্টোবর রাত সাড়ে ১টার দিকে দক্ষিণ লম্বরীর মোহাম্মদ শফির বাড়িতে দ্বিতীয় অভিযান চালানো হয়। সেখান থেকে গভীর সাগরে পাচারের প্রস্তুতিকালে ৬ জনকে উদ্ধার এবং মূল অভিযুক্ত মোহাম্মদ শফিকে আটক করা হয়। তবে চক্রের আরও কয়েকজন অন্ধকারের সুযোগ নিয়ে পালিয়ে যায়।
মানবপাচারের এ পরিকল্পনা ভেস্তে দিয়ে বিজিবি সীমান্ত এলাকায় আবারও তাদের সাফল্যের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।
টেকনাফ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল আশিকুর রহমান, পিএসসি বলেন, আজকের রাতটি মানবপাচারকারী ও অপরাধী চক্রগুলোর জন্য কঠিন বার্তা হয়ে থাকবে। পাহাড় থেকে সমুদ্র পর্যন্ত সীমান্তের এক ইঞ্চি জায়গাও অপরাধীদের জন্য নিরাপদ নয়। মানবতা বিরোধী অপরাধ দমন ও সীমান্ত নিরাপত্তায় বিজিবির কঠোর অভিযান অব্যাহত থাকবে।
টেকনাফে নোহা গাড়িতে পিস্তল-গুলি, গ্রেপ্তার ৪
উদ্ধার হওয়া ১৪ জনকে প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শেষে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তরের প্রস্তুতি চলছে। আটক তিন মানবপাচারকারীর বিরুদ্ধে দেশের প্রচলিত আইনে মামলা করার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।




মন্তব্য করুন