ভোলা, ০১ নভেম্বর – ভোলায় বিএনপি ও বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) নেতাকর্মীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (১ নভেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টায় শহরের নতুন বাজার ও পৌরসভার সামনে এ ঘটনা ঘটে।
নির্বাচন বিলম্বিত ও বানচালের ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী বিএনপি দুপুর সাড়ে ১২টায় মহাজনপট্টি দলীয় কার্যালয় থেকে মিছিল বের করে। মিছিলটি সদর রোড, বাংলাস্কুল মোড় ঘুরে নতুন বাজার প্রবেশ করলে দুই দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষপের ঘটনা ঘটে। এতে পুলিশ, গণমাধ্যমকর্মীসহ অন্তত ৫০ জন আহত হয়েছেন। ভাঙচুর করা হয়েছে গাড়ি ও বিজেপি অফিস বেশ কিছু আসবাবপত্র। পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। রাস্তার পাশের কয়েকটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়।
ফ্রান্সে জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির প্রতিবাদে বিক্ষোভে ৫ লাখ ৭৫ হাজার মানুষ
এ ঘটনার পর জেলা বিএনপি কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে তাদের শান্তিপূর্ণ মিছিলে হামলার অভিযোগ করেছে বিএনপি।
সংবাদ সম্মেলনে ভোলা জেলা বিএনপির সদস্যসচিব মো. রাইসুল আলম জানান, নির্বাচন বিলম্বিত ও বানচালের ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে মিছিলের ডাক দেয় বিএনপি। প্রশাসনের দেওয়া সময় অনুযায়ী দুপুর সাড়ে ১২টায় মিছিল শুরু করা হয়। বিজেপির ১২টার আগেই মিছিল শেষ করার কথা ছিল। তাদের (বিএনপির) মিছিল বাংলাস্কুল মোড়ে গেলে মুখোমুখি হয়।
তিনি আরও বলেন, বিএনপি নেতারা তাদেরকে (বিজেপি) ফিরে যেতে বলেছিল। সে কথা উপেক্ষা করে তারা ঢিল ছোড়ে। এই ঢিল ছোড়াকে কেন্দ্র করে গন্ডগোল শুরু হয়। বিএনপিকে হেয় প্রতিপন্ন করতে কিছু বহিরাগত লোক ছিল সেখানে। দলীয় নেতারা তাদের তাড়িয়ে নিয়ে এসেছে।
সার্বিক বিষয়ে ভোলা সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবু শাহাদৎ মো. হাচনাইন পারভেজ গণমাধ্যমকে জানান, বিএনপির মিছিলকারীরা ডিসি অফিসের সামের রাস্তা দিয়ে না গিয়ে জোর করে নতুন বাজারে দিকে রওয়ানা করে। প্রেস ক্লাবের সামনে আসলে বিজেপির পার্টি অফিস থেকে লোকজন পৌরসভার দিকে আগায়। এ সময় দু’পক্ষের মধ্যে ধাওয়া ও ইটপাটকেল ছোড়াছুড়ি হয়। তখন পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।
তিনি আরও জানান, পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিয়ন্ত্রণে আনে। পুলিশ কঠোর অবস্থানে রয়েছে। যারা আইন ভঙ্গ করেছে, বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
সূত্র: বাংলাদেশ জার্নাল
এনএন/ ০১ নভেম্বর ২০২৫




মন্তব্য করুন