কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলা বিএনপির উদ্যোগে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে এক বিশাল গণমিছিল ও পথসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উখিয়া উপজেলার কোটবাজারের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে সভাস্থলে এসে শেষ হয়।
উক্ত পথসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উখিয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান সরওয়ার জাহান চৌধুরী।
তিনি বলেন,“আজকের দিনে, আমাদের গর্বিত ইতিহাস এবং জনগণের অধিকার রক্ষার সংগ্রামে আমরা সবকিছু দিতে প্রস্তুত। দেশের সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে আমাদের মৃত্যুর সঙ্গে দাঁড়াতে হবে। আমরা কখনোই কাউকে আমাদের স্বাধীনতা কেড়ে নিতে দেবো না।
৭ নভেম্বরের ঐতিহাসিক তাৎপর্য উল্লেখ করে তিনি বলেন,
“১৯৭৫ সালের এই দিনে দেশের স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রকে হুমকির মুখে ফেলতে দেশী-বিদেশী ষড়যন্ত্রকারীরা বাংলাদেশকে বিক্রি করার চেষ্টা করেছিল। তবে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান সেই ষড়যন্ত্রকে নস্যাৎ করে আমাদের মুক্তির পথ দেখিয়েছিলেন।”
নারায়ণগঞ্জে পুলিশ সদস্যকে পিটিয়ে হাত-পা ভাঙল ও রগ কাটল মাদক কারবারিরা
তিনি আরও বলেন, “বর্তমান সরকারের প্রহসনমূলক ভোট ও গণভোটের ছদ্মবেশে দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র চলছে। এই ষড়যন্ত্র রুখে দিতে বিএনপির পরিবারসহ সবাইকে সজাগ থাকতে হবে। দেশের সার্বভৌমত্ব ও স্বাধীনতার প্রশ্নে কোনো আপোষ হবে না।”
সরওয়ার চৌধুরী সরকারের বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান নিয়ে বলেন,“আমরা আগামী রমজান মাসের আগে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন চাই। জনগণের মতামত ছাড়া কোনো ধরনের ষড়যন্ত্রমূলক নির্বাচন এই দেশে চলতে দেয়া হবে না।”
তিনি স্বাধীনতার প্রতি আস্থাশীল সবাইকে একত্রিত হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, “আমরা ইসলামী মূল্যবোধ, গণতন্ত্র, এবং দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় লড়াই চালিয়ে যাব। স্বাধীনতা ও ইসলামী মূল্যবোধে বিশ্বাস না করা যারা, তারা রাজাকার হিসেবে গণ্য হবেন।”
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন উখিয়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সুলতান মাহমুদ চৌধুরী।
তিনি আরো বলেন যদি ৭ নভেম্বর জিয়াউর রহমান মুক্তি না পেতেন, তাহলে বাংলাদেশ ভারতের তাবেদার রাষ্ট্রে পরিণত হয়ে যেত। তখন আমাদের সার্বভৌমত্ব শেষ হয়ে যেত।
তিনি আরও বলেন,“আমরা ১৯৭১ সালে জিয়াউর রহমানকে দেখেছিলাম দেশের স্বাধীনতা রক্ষার জন্য পাকিস্তানকে পরাজিত করার মতো ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করতে। ঠিক একইভাবে, ১৯৭৫ সালে, তিনি ভারতীয় প্রভাব থেকে দেশকে রক্ষা করেছিলেন।”
এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন উখিয়া উপজেলা যুবদল, কৃষকদল, ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবকদল সহ বিভিন্ন অঙ্গ-সংগঠনের নেতাকর্মীরা।




মন্তব্য করুন