হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

যুদ্ধবিরতির পরেও হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েল, ৬৭ ফিলিস্তিনি শিশুকে হত্যা

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

শনিবার, ২২ নভেম্বর ২০২৫, ০১:৪৯ অপরাহ্ন


জেরুজালেম, ২২ নভেম্বর – যুদ্ধবিরতির পরেও গাজায় হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েল। গত মাসে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকর হওয়ার পর থেকে গাজা উপত্যকায় কমপক্ষে ৬৭ জন ফিলিস্তিনি শিশুকে হত্যা করেছে দখলদার বাহিনী। জাতিসংঘের শিশু বিষয়ক তহবিল ইউনিসেফ এ তথ্য জানিয়েছে। খবর আল জাজিরার।

শুক্রবার জেনেভায় এক সংবাদ সম্মেলনে ইউনিসেফের মুখপাত্র রিকার্ডো পাইরেস বলেন, নিহতদের মধ্যে বৃহস্পতিবার দক্ষিণ গাজার খান ইউনিসের একটি বাড়িতে ইসরায়েলি বিমান হামলায় নিহত এক কন্যাশিশুও রয়েছে।

আরও পড়ুন

কেশম দ্বীপে মার্কিন হামলার কথা স্বীকার করলেন ট্রাম্প, ইরানের সঙ্গে আলোচনায় অগ্রগতির দাবিও

এর মধ্যে আরও সাতজন শিশু রয়েছে যারা একদিন আগে ইসরায়েলি হামলায় নিহত হয়েছে। পাইরেস জানিয়েছেন, ইসরায়েল এবং হামাসের মধ্যে যুদ্ধবিরতির পরেও বহু শিশু প্রাণ হারিয়েছে। তিনি বলেন, এটি একটি সম্মত যুদ্ধবিরতির সময় ঘটেছে।

তিনি আরও বলেন, আমরা বহুবার পুনরাবৃত্তি করেছি, এগুলো পরিসংখ্যান নয়; প্রতিটি শিশু একটি পরিবার, একটি স্বপ্ন, একটি জীবন নিয়ে ছিল। হঠাৎ করে অব্যাহত সহিংসতার কারণে সব শেষ হয়ে গেছে।

গাজায় ইসরায়েলের বোমাবর্ষণের সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফিলিস্তিনি শিশুরা বহন করছে। গত মাসে ইউনিসেফের হিসাব অনুযায়ী, ২০২৩ সালের অক্টোবরে সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে ইসরায়েলি হামলায় ৬৪ হাজার শিশু হতাহত হয়েছে।

চলতি সপ্তাহে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী গাজাজুড়ে একাধিক বিমান হামলা চালিয়েছে। গাজা শহরের আল-শিফা হাসপাতালের রোগী মোহাম্মদ মালাকা বলেছেন, তিনি জ্ঞান হারানোর আগে দুটি ক্ষেপণাস্ত্রের শব্দ শুনেছেন।

তিনি বলেন, আমি সর্বত্র মানুষের চিৎকার শুনতে পাচ্ছিলাম, তাঁবুগুলো ছাই হয়ে গিয়েছিল আর মানুষ সর্বত্র মাটিতে পড়েছিল।

ইসরায়েলি হামলার পাশাপাশি, গাজাজুড়ে ফিলিস্তিনিরা ইসরায়েলের মানবিক সহায়তা সরবরাহের ওপর অব্যাহত নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে। প্রচণ্ড শীতের মাসগুলোতে বাস্তুচ্যুত পরিবারগুলোকে রক্ষা করার জন্য সেখানে তাঁবুরও প্রয়োজন।

পাইরেস জানিয়েছেন, অনেক শিশু ‘খোলা জায়গায় ঘুমাচ্ছে’ এবং অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছে। তিনি বলেন, গাজার শিশুদের জন্য কোনো নিরাপদ স্থান নেই এবং বিশ্ব তাদের দুর্ভোগ স্বাভাবিক করতে পারছে না। তিনি এই অঞ্চলে আরও সহায়তা পাঠানোর আহ্বান জানিয়েছেন।


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

যুদ্ধবিরতির পরেও হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েল, ৬৭ ফিলিস্তিনি শিশুকে হত্যা

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

যুদ্ধবিরতির পরেও হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েল, ৬৭ ফিলিস্তিনি শিশুকে হত্যা

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: শনিবার, ২২ নভেম্বর ২০২৫, ০১:৪৯ অপরাহ্ন
Print Image
[ad_1] জেরুজালেম, ২২ নভেম্বর – যুদ্ধবিরতির পরেও গাজায় হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েল। গত মাসে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকর হওয়ার পর থেকে গাজা উপত্যকায় কমপক্ষে ৬৭ জন ফিলিস্তিনি শিশুকে হত্যা করেছে দখলদার বাহিনী। জাতিসংঘের শিশু বিষয়ক তহবিল ইউনিসেফ এ তথ্য জানিয়েছে। খবর আল জাজিরার।শুক্রবার জেনেভায় এক সংবাদ সম্মেলনে ইউনিসেফের মুখপাত্র রিকার্ডো পাইরেস বলেন, নিহতদের মধ্যে বৃহস্পতিবার দক্ষিণ গাজার খান ইউনিসের একটি বাড়িতে ইসরায়েলি বিমান হামলায় নিহত এক কন্যাশিশুও রয়েছে।এর মধ্যে আরও সাতজন শিশু রয়েছে যারা একদিন আগে ইসরায়েলি হামলায় নিহত হয়েছে। পাইরেস জানিয়েছেন, ইসরায়েল এবং হামাসের মধ্যে যুদ্ধবিরতির পরেও বহু শিশু প্রাণ হারিয়েছে। তিনি বলেন, এটি একটি সম্মত যুদ্ধবিরতির সময় ঘটেছে।তিনি আরও বলেন, আমরা বহুবার পুনরাবৃত্তি করেছি, এগুলো পরিসংখ্যান নয়; প্রতিটি শিশু একটি পরিবার, একটি স্বপ্ন, একটি জীবন নিয়ে ছিল। হঠাৎ করে অব্যাহত সহিংসতার কারণে সব শেষ হয়ে গেছে।গাজায় ইসরায়েলের বোমাবর্ষণের সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফিলিস্তিনি শিশুরা বহন করছে। গত মাসে ইউনিসেফের হিসাব অনুযায়ী, ২০২৩ সালের অক্টোবরে সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে ইসরায়েলি হামলায় ৬৪ হাজার শিশু হতাহত হয়েছে।চলতি সপ্তাহে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী গাজাজুড়ে একাধিক বিমান হামলা চালিয়েছে। গাজা শহরের আল-শিফা হাসপাতালের রোগী মোহাম্মদ মালাকা বলেছেন, তিনি জ্ঞান হারানোর আগে দুটি ক্ষেপণাস্ত্রের শব্দ শুনেছেন।তিনি বলেন, আমি সর্বত্র মানুষের চিৎকার শুনতে পাচ্ছিলাম, তাঁবুগুলো ছাই হয়ে গিয়েছিল আর মানুষ সর্বত্র মাটিতে পড়েছিল।ইসরায়েলি হামলার পাশাপাশি, গাজাজুড়ে ফিলিস্তিনিরা ইসরায়েলের মানবিক সহায়তা সরবরাহের ওপর অব্যাহত নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে। প্রচণ্ড শীতের মাসগুলোতে বাস্তুচ্যুত পরিবারগুলোকে রক্ষা করার জন্য সেখানে তাঁবুরও প্রয়োজন।পাইরেস জানিয়েছেন, অনেক শিশু ‘খোলা জায়গায় ঘুমাচ্ছে’ এবং অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছে। তিনি বলেন, গাজার শিশুদের জন্য কোনো নিরাপদ স্থান নেই এবং বিশ্ব তাদের দুর্ভোগ স্বাভাবিক করতে পারছে না। তিনি এই অঞ্চলে আরও সহায়তা পাঠানোর আহ্বান জানিয়েছেন। [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×