হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

ঈদগাঁও উপজেলার দূর্নীতিগ্রস্থ সমবায় কর্মকর্তাকে আত্মসাতকৃত অর্থ জমার নির্দেশ

আনোয়ার হোছাইন,ঈদগাঁও (কক্সবাজার)::

আনোয়ার হোছাইন,ঈদগাঁও (কক্সবাজার)::

বুধবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৭:৪০ অপরাহ্ন

কক্সবাজারের ঈদগাঁও উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা দিদারুল ইসলামকে আত্মসাতকৃত সরকারি অর্থ কোষাগারে জমার নির্দেশ দিয়ে পত্র জারি করেছেন জেলা সমবায় কর্মকর্তা।

বিভাগীয় সমবায় দপ্তর, চট্টগ্রাম, এর স্মারক- ৪৭,৬১,০০০০,০০০,২২১,২৭,০১৪৮,২৩.১৩৩১ তাং-২৬/০২/২০২৫ খ্রিঃ পত্রের আলোকে জানা যায়, উপজেলা সমবায় কার্যালয়, ঈদগাঁও, কক্সবাজার এর জন্য কম্পিউটার ও আনুষঙ্গিক খাতে ২০২০-২০২৪ অর্থ বছরে ২০০০০০/- (দুই লক্ষ) টাকা বরাদ্দ প্রদান করা হয়।

উক্ত বরাদ্দের বিপরীতে কম্পিউটার ও আনুষঙ্গিক খাতে ১টি ল্যাপটপ, ১টি ইউপিএস ১টি ডেস্কটপ ও ১টি প্রিন্টার ক্রয় সর্বনিম্ন কোটেশন দরদাতাকে বিল পরিশোধ করেন। কিন্তু কম্পিউটার, প্রিন্টার ও ইউপিএস এর বর্তমান বাজার মূল্যের অতিরিক্ত বিল পরিশোধ করা সরকারি অর্থ আত্মসাতের শামিল।

অভিযোগের প্রেক্ষিতে তদন্তকালে রেকর্ড পত্রে দেখা যায়, ক্রয়কৃত পণ্য স্টক রেজিস্টারে লিপিবদ্দ করা হলেও উৎপাদনকারী প্রতিষ্টানের নাম মডেলসহ অন্যান্য তথ্য লিপিবদ্ধ নেই এবং অফিস প্রধান হিসাবে সমবায় কর্মকর্তার স্বাক্ষর ও কোটেশনে অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানসমূহের দরদাতাদের প্রয়োজনীয় কাগজপত্রও অফিসে সংরক্ষণ নেই।

আরও পড়ুন

জাপানের সঙ্গে ২৩টি বড় চুক্তি ও স্মারক সই: ২ লাখ নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ

তদন্তে সরকারি দায়িত্ব অবহেলা ও অর্থ আত্মসাত প্রমাণিত হওয়ায় উক্ত খাতের অতিরিক্ত ব্যয়িত অর্থ সরকারি কোষাগারে জমার নির্দেশ দেয়া হয়।
গত ২৪ নভেম্বর জেলা সমবায় কর্মকর্তা মোস্তফা কামাল স্বাক্ষরিত পত্রের আলোকে এ তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।

এ বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত সমবায় কর্মকর্তা দিদারুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি কতিপয় সমিতির অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের শিকার এবং বিস্তারিত স্বাক্ষাতে বলবেন জানান।

আত্মসাতকৃত অর্থ জমার বিষয়ে কক্সবাজার জেলা সমবায় কর্মকর্তা মোস্তফা কামালের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, তদন্ত দলের সুপারিশের ভিত্তিতে তিনি পত্রটি জারি করেছেন এবং পরবর্তীতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ প্রয়োজন মনে করলে অন্য ব্যবস্থাও নিতে পারেন।

প্রসঙ্গত উক্ত কর্মকর্তা ঈদগাঁও উপজেলায় যোগদানের পর থেকে ভুঁইফোড় সমিতির কাছ থেকে অনৈতিক সুবিধা নিয়ে রেজিস্ট্রেশন প্রদান ও সমবায় সংশ্লিষ্ট দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন দিবসের অনুষ্ঠান বাস্তবায়নের নামে বিভিন্ন সমিতি থেকে চাঁদা আদায় ও এসব অনুষ্ঠান গণমাধ্যম কর্মীদের অগোচরে করারও অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

স্থানীয় গণমাধ্যম কর্মী ও সচেতন মহলের দাবি তার যোগদানের পর অব্যাহত অনিয়মের কারণে উপজেলার জনগণ সমবায় সংশ্লিষ্ট নাগরিক সুবিধা যথাযথ ভাবে পাচ্ছে না। এজন্য তারা দূর্নীতিগ্রস্থ এ কর্মকর্তার বদলির দাবি জানিয়েছেন।

coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

ঈদগাঁও উপজেলার দূর্নীতিগ্রস্থ সমবায় কর্মকর্তাকে আত্মসাতকৃত অর্থ জমার নির্দেশ

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

ঈদগাঁও উপজেলার দূর্নীতিগ্রস্থ সমবায় কর্মকর্তাকে আত্মসাতকৃত অর্থ জমার নির্দেশ

প্রতিবেদক: আনোয়ার হোছাইন,ঈদগাঁও (কক্সবাজার):: | প্রকাশিত: বুধবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৭:৪০ অপরাহ্ন
Print Image
কক্সবাজারের ঈদগাঁও উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা দিদারুল ইসলামকে আত্মসাতকৃত সরকারি অর্থ কোষাগারে জমার নির্দেশ দিয়ে পত্র জারি করেছেন জেলা সমবায় কর্মকর্তা। বিভাগীয় সমবায় দপ্তর, চট্টগ্রাম, এর স্মারক- ৪৭,৬১,০০০০,০০০,২২১,২৭,০১৪৮,২৩.১৩৩১ তাং-২৬/০২/২০২৫ খ্রিঃ পত্রের আলোকে জানা যায়, উপজেলা সমবায় কার্যালয়, ঈদগাঁও, কক্সবাজার এর জন্য কম্পিউটার ও আনুষঙ্গিক খাতে ২০২০-২০২৪ অর্থ বছরে ২০০০০০/- (দুই লক্ষ) টাকা বরাদ্দ প্রদান করা হয়। উক্ত বরাদ্দের বিপরীতে কম্পিউটার ও আনুষঙ্গিক খাতে ১টি ল্যাপটপ, ১টি ইউপিএস ১টি ডেস্কটপ ও ১টি প্রিন্টার ক্রয় সর্বনিম্ন কোটেশন দরদাতাকে বিল পরিশোধ করেন। কিন্তু কম্পিউটার, প্রিন্টার ও ইউপিএস এর বর্তমান বাজার মূল্যের অতিরিক্ত বিল পরিশোধ করা সরকারি অর্থ আত্মসাতের শামিল। অভিযোগের প্রেক্ষিতে তদন্তকালে রেকর্ড পত্রে দেখা যায়, ক্রয়কৃত পণ্য স্টক রেজিস্টারে লিপিবদ্দ করা হলেও উৎপাদনকারী প্রতিষ্টানের নাম মডেলসহ অন্যান্য তথ্য লিপিবদ্ধ নেই এবং অফিস প্রধান হিসাবে সমবায় কর্মকর্তার স্বাক্ষর ও কোটেশনে অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানসমূহের দরদাতাদের প্রয়োজনীয় কাগজপত্রও অফিসে সংরক্ষণ নেই। তদন্তে সরকারি দায়িত্ব অবহেলা ও অর্থ আত্মসাত প্রমাণিত হওয়ায় উক্ত খাতের অতিরিক্ত ব্যয়িত অর্থ সরকারি কোষাগারে জমার নির্দেশ দেয়া হয়। গত ২৪ নভেম্বর জেলা সমবায় কর্মকর্তা মোস্তফা কামাল স্বাক্ষরিত পত্রের আলোকে এ তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে। এ বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত সমবায় কর্মকর্তা দিদারুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি কতিপয় সমিতির অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের শিকার এবং বিস্তারিত স্বাক্ষাতে বলবেন জানান। আত্মসাতকৃত অর্থ জমার বিষয়ে কক্সবাজার জেলা সমবায় কর্মকর্তা মোস্তফা কামালের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, তদন্ত দলের সুপারিশের ভিত্তিতে তিনি পত্রটি জারি করেছেন এবং পরবর্তীতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ প্রয়োজন মনে করলে অন্য ব্যবস্থাও নিতে পারেন। প্রসঙ্গত উক্ত কর্মকর্তা ঈদগাঁও উপজেলায় যোগদানের পর থেকে ভুঁইফোড় সমিতির কাছ থেকে অনৈতিক সুবিধা নিয়ে রেজিস্ট্রেশন প্রদান ও সমবায় সংশ্লিষ্ট দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন দিবসের অনুষ্ঠান বাস্তবায়নের নামে বিভিন্ন সমিতি থেকে চাঁদা আদায় ও এসব অনুষ্ঠান গণমাধ্যম কর্মীদের অগোচরে করারও অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। স্থানীয় গণমাধ্যম কর্মী ও সচেতন মহলের দাবি তার যোগদানের পর অব্যাহত অনিয়মের কারণে উপজেলার জনগণ সমবায় সংশ্লিষ্ট নাগরিক সুবিধা যথাযথ ভাবে পাচ্ছে না। এজন্য তারা দূর্নীতিগ্রস্থ এ কর্মকর্তার বদলির দাবি জানিয়েছেন।

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×