ঢাকা, ২৯ ডিসেম্বর – ২০২৬ সালের শিক্ষাপঞ্জি প্রকাশ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এতে সরকারি মন্ত্রী, সংসদ সদস্য বা উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সংবর্ধনা কিংবা পরিদর্শনের নামে শিক্ষার্থীদের নিয়মিত ক্লাস বন্ধ রাখা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। একইসঙ্গে সংবর্ধিত ব্যক্তির প্রতি সম্মান দেখাতে শিক্ষার্থীদের রোদ-বৃষ্টি উপেক্ষা করে রাস্তায় দাঁড় করিয়ে রাখাও আর যাবে না।
রোববার (২৮ ডিসেম্বর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এ শিক্ষাপঞ্জি প্রকাশ করা হয়। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে এতে সই করেন বিভাগের সরকারি মাধ্যমিক শাখা-১-এর উপসচিব সাবিনা ইয়াসমিন।
কেশম দ্বীপে মার্কিন হামলার কথা স্বীকার করলেন ট্রাম্প, ইরানের সঙ্গে আলোচনায় অগ্রগতির দাবিও
শিক্ষাপঞ্জির নির্দেশনায় বলা হয়েছে, সংবর্ধিত বা পরিদর্শনকারী ব্যক্তির প্রতি সম্মান প্রদর্শনের জন্য শিক্ষার্থীদের রোদ কিংবা বৃষ্টির মধ্যে রাস্তায় দাঁড় করানো যাবে না।
এতে আরও বলা হয়েছে, অর্ধবার্ষিক ও বার্ষিক পরীক্ষার সময়সীমা সর্বোচ্চ ১২ কর্মদিবসের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখতে হবে। সব পরীক্ষা গ্রহণ করতে হবে এবং বার্ষিক পরীক্ষার উত্তরপত্র এক বছর সংরক্ষণ করতে হবে। পরীক্ষার নির্ধারিত তারিখ পরিবর্তন করা যাবে না। তবে বিশেষ প্রয়োজনে তারিখ পরিবর্তনের ক্ষেত্রে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) অনুমতি নিতে হবে।
শিক্ষাপঞ্জি অনুযায়ী, এসএসসি পরীক্ষার সময় পরীক্ষাকেন্দ্র ছাড়া অন্য বিদ্যালয়গুলোতে নিয়মিত ক্লাস চালু থাকবে। পাশাপাশি জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ দিবসগুলো যথাযথভাবে পালন করার নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।
২০২৫ সালে রোজা, দোলযাত্রা, স্বাধীনতা দিবস, জুমাতুল বিদা, শবে কদর ও ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে মোট ২৮ দিন ছুটি ছিল। তবে ২০২৬ সালে এসব উপলক্ষ্যে ছুটি কমিয়ে ১৯ দিন করা হয়েছে। ঈদুল আজহা ও গ্রীষ্মকালীন অবকাশ মিলিয়ে ছুটি কমে ১৫ দিন থেকে ১২ দিন করা হয়েছে। শীতকালীন অবকাশও একদিন কমানো হয়েছে।
সব মিলিয়ে সাপ্তাহিক ছুটি ছাড়া ২০২৬ সালে বিদ্যালয় বন্ধ থাকবে ৬৪ দিন। গত বছর এ সংখ্যা ছিল ৭৬ দিন।
সূত্র: ঢাকা পোস্ট
এনএন/ ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫




মন্তব্য করুন