তেহরান, ১১ জানুয়ারি – ভয়াবহ অর্থনৈতিক মন্দা ও আকাশচুম্বী মূল্যস্ফীতির চাপে বিপর্যস্ত ইরানে গত দুই সপ্তাহ ধরে চলা সরকারবিরোধী বিক্ষোভ রীতিমতো রক্তক্ষয়ী সংঘাতে রূপ নিয়েছে। বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে সংঘর্ষে এখন পর্যন্ত নিরাপত্তা বাহিনীর অন্তত ১০৯ জন সদস্য নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে দেশটির আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিম।
রোববার (১১ জানুয়ারি) প্রকাশিত খবরে বলা হয়, ইসফাহান ও কেরমানশাহ প্রদেশের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলো কার্যত রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে। এসব এলাকায় পুলিশের ওপর একের পর এক অতর্কিত হামলার ঘটনা ঘটছে।
কেশম দ্বীপে মার্কিন হামলার কথা স্বীকার করলেন ট্রাম্প, ইরানের সঙ্গে আলোচনায় অগ্রগতির দাবিও
পরিস্থিতির ভয়াবহতা আরও স্পষ্ট হয়েছে মানবিক সহায়তা সংস্থার ওপর হামলার ঘটনায়। গোলেস্তান প্রদেশে রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির একটি ত্রাণ ভবনে হামলার সময় এক মানবিক সহায়তা কর্মী নিহত হন। এছাড়া পূর্ব ইরানের মাশহাদ শহরে একটি মসজিদে অগ্নিসংযোগের ঘটনাও ঘটেছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় সূত্র।
যদিও ইরানের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দাবি করছে, পরিস্থিতি ধীরে ধীরে নিয়ন্ত্রণে আসছে, তবে দেশটির অ্যাটর্নি জেনারেলের বক্তব্য নতুন করে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। তিনি সতর্ক করে বলেছেন, এই অস্থিরতার সঙ্গে জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তি হিসেবে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হতে পারে।
এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিক্ষোভকারীদের প্রতি সমর্থন জানানো এবং প্রয়োজনে হস্তক্ষেপের ইঙ্গিত দেওয়ার পর তেহরান আরও কঠোর অবস্থান নিয়েছে। রোববার পার্লামেন্টে দেওয়া বক্তব্যে ইরানের স্পিকার মোহাম্মদ বাকের কালিবাফ যুক্তরাষ্ট্রকে সরাসরি হুঁশিয়ারি দেন।
এনএন/ ১১ জানুয়ারি ২০২৬




মন্তব্য করুন