হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

নেত্রকোণার ঐতিহ্যবাহী ‘বালিশ মিষ্টি’ পেল জিআই পণ্যের স্বীকৃতি

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

শনিবার, ৩১ জানুয়ারি ২০২৬, ০৮:১৮ পূর্বাহ্ন


নেত্রকোণা, ৩১ জানুয়ারি – নেত্রকোণার শত বছরের ঐতিহ্যবাহী ‘বালিশ মিষ্টি’ দেশের ৫৮তম ভৌগোলিক নির্দেশক বা জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। প্রায় একশ কুড়ি বছরের ইতিহাস ও স্বাদের বৈচিত্র্যে সমৃদ্ধ এই মিষ্টান্ন এখন শুধু স্থানীয় নয় বরং পুরো জাতির ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে মর্যাদাপূর্ণ স্থান করে নিয়েছে।

নেত্রকোণা শহরের বারহাট্টা রোডে গয়ানাথ ঘোষ প্রায় এক শতাব্দী আগে প্রথম এই মিষ্টি তৈরির সূচনা করেন। পরবর্তীতে ১৯৬৫ সালে তিনি ভারতে চলে যাওয়ার আগে দোকানের দায়িত্ব বুঝিয়ে দেন কর্মচারী নিখিল চন্দ্র মোদকের হাতে। তিনি দোকানের নাম ‘গয়ানাথ মিষ্টান্ন ভাণ্ডার’ অপরিবর্তিত রেখে ব্যবসা চালিয়ে যান। আকৃতিতে ছোট বালিশের মতো দেখতে হওয়ায় এই মিষ্টির নামকরণ হয় ‘বালিশ মিষ্টি’ যা ক্রেতাদের কাছে এক আবেগের প্রতীক হয়ে ওঠে।

আরও পড়ুন

কানাডার নতুন বাজেটে কার ভাগ্যে কতটা প্রাপ্তি

এই মিষ্টির স্বাদ ও তৈরির পদ্ধতি সাধারণ মিষ্টির চেয়ে বেশ আলাদা। এটি সন্দেশ বা রসগোল্লা নয় বরং খাঁটি দুধের ছানা, চিনি ও ময়দার অনন্য মিশ্রণে তৈরি বিশেষ এক মিষ্টান্ন। মিষ্টি তৈরির প্রক্রিয়ায় প্রথমে ছানা ও ময়দা দিয়ে মণ্ড বানানো হয় এবং ভেজে চিনির গরম রসে ডুবিয়ে রাখা হয়। এরপর পরিবেশনের সময় এর ওপর ক্ষীরের প্রলেপ দেওয়া হয় যা এর স্বাদকে আরও বাড়িয়ে তোলে।

স্থানীয়রা ছাড়াও দেশের বিভিন্ন প্রান্তে এবং প্রবাসীদের মাধ্যমে ইউরোপ, মধ্যপ্রাচ্য ও আমেরিকাতেও এই মিষ্টির সুনাম ছড়িয়ে পড়েছে।

২০২৩ সালে নেত্রকোণা জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বালিশ মিষ্টির জিআই স্বীকৃতির জন্য আবেদন করা হয়। দীর্ঘ যাচাই বাছাই শেষে ২০২৫ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর পেটেন্ট, শিল্প নকশা ও ট্রেডমার্কস অধিদফতর এটিকে দেশের ৫৮তম জিআই পণ্য হিসেবে ঘোষণা করে। গয়ানাথ মিষ্টান্ন ভাণ্ডারের বর্তমান কর্ণধার খোকন চন্দ্র মোদক এই অর্জনে গভীর গর্ব প্রকাশ করেছেন।

উল্লেখ্য যে এর আগে ২০২১ সালে নেত্রকোণার দুর্গাপুরের বিজয়পুরের সাদামাটি জিআই স্বীকৃতি পেয়েছিল।

এনএন/ ৩১ জানুয়ারি ২০২৬

সম্পুর্ন খবরটি পড়ার জন্য এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ::নেত্রকোণার ঐতিহ্যবাহী ‘বালিশ মিষ্টি’ পেল জিআই পণ্যের স্বীকৃতি first appeared on DesheBideshe.


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

নেত্রকোণার ঐতিহ্যবাহী ‘বালিশ মিষ্টি’ পেল জিআই পণ্যের স্বীকৃতি

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

নেত্রকোণার ঐতিহ্যবাহী ‘বালিশ মিষ্টি’ পেল জিআই পণ্যের স্বীকৃতি

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: শনিবার, ৩১ জানুয়ারি ২০২৬, ০৮:১৮ পূর্বাহ্ন
Print Image
[ad_1] নেত্রকোণা, ৩১ জানুয়ারি – নেত্রকোণার শত বছরের ঐতিহ্যবাহী ‘বালিশ মিষ্টি’ দেশের ৫৮তম ভৌগোলিক নির্দেশক বা জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। প্রায় একশ কুড়ি বছরের ইতিহাস ও স্বাদের বৈচিত্র্যে সমৃদ্ধ এই মিষ্টান্ন এখন শুধু স্থানীয় নয় বরং পুরো জাতির ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে মর্যাদাপূর্ণ স্থান করে নিয়েছে। নেত্রকোণা শহরের বারহাট্টা রোডে গয়ানাথ ঘোষ প্রায় এক শতাব্দী আগে প্রথম এই মিষ্টি তৈরির সূচনা করেন। পরবর্তীতে ১৯৬৫ সালে তিনি ভারতে চলে যাওয়ার আগে দোকানের দায়িত্ব বুঝিয়ে দেন কর্মচারী নিখিল চন্দ্র মোদকের হাতে। তিনি দোকানের নাম ‘গয়ানাথ মিষ্টান্ন ভাণ্ডার’ অপরিবর্তিত রেখে ব্যবসা চালিয়ে যান। আকৃতিতে ছোট বালিশের মতো দেখতে হওয়ায় এই মিষ্টির নামকরণ হয় ‘বালিশ মিষ্টি’ যা ক্রেতাদের কাছে এক আবেগের প্রতীক হয়ে ওঠে। এই মিষ্টির স্বাদ ও তৈরির পদ্ধতি সাধারণ মিষ্টির চেয়ে বেশ আলাদা। এটি সন্দেশ বা রসগোল্লা নয় বরং খাঁটি দুধের ছানা, চিনি ও ময়দার অনন্য মিশ্রণে তৈরি বিশেষ এক মিষ্টান্ন। মিষ্টি তৈরির প্রক্রিয়ায় প্রথমে ছানা ও ময়দা দিয়ে মণ্ড বানানো হয় এবং ভেজে চিনির গরম রসে ডুবিয়ে রাখা হয়। এরপর পরিবেশনের সময় এর ওপর ক্ষীরের প্রলেপ দেওয়া হয় যা এর স্বাদকে আরও বাড়িয়ে তোলে। স্থানীয়রা ছাড়াও দেশের বিভিন্ন প্রান্তে এবং প্রবাসীদের মাধ্যমে ইউরোপ, মধ্যপ্রাচ্য ও আমেরিকাতেও এই মিষ্টির সুনাম ছড়িয়ে পড়েছে। ২০২৩ সালে নেত্রকোণা জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বালিশ মিষ্টির জিআই স্বীকৃতির জন্য আবেদন করা হয়। দীর্ঘ যাচাই বাছাই শেষে ২০২৫ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর পেটেন্ট, শিল্প নকশা ও ট্রেডমার্কস অধিদফতর এটিকে দেশের ৫৮তম জিআই পণ্য হিসেবে ঘোষণা করে। গয়ানাথ মিষ্টান্ন ভাণ্ডারের বর্তমান কর্ণধার খোকন চন্দ্র মোদক এই অর্জনে গভীর গর্ব প্রকাশ করেছেন। উল্লেখ্য যে এর আগে ২০২১ সালে নেত্রকোণার দুর্গাপুরের বিজয়পুরের সাদামাটি জিআই স্বীকৃতি পেয়েছিল। এনএন/ ৩১ জানুয়ারি ২০২৬সম্পুর্ন খবরটি পড়ার জন্য এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ::নেত্রকোণার ঐতিহ্যবাহী ‘বালিশ মিষ্টি’ পেল জিআই পণ্যের স্বীকৃতি first appeared on DesheBideshe. [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×