সিরাজগঞ্জ, ১১ ফেব্রুয়ারি – সিরাজগঞ্জ-২ আসনের কামারখন্দ উপজেলায় অর্থ দিয়ে ভোট কেনার চেষ্টার অভিযোগে স্থানীয় জনতার ধাওয়া খেয়ে পালিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর এক স্থানীয় নেতা। অভিযুক্ত মোস্তাক সরকার উপজেলার ঝাঐল ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতে ইসলামীর আমিরের দায়িত্বে রয়েছেন। বুধবার সকালে ইউনিয়নের ময়নাকান্দি গ্রামে এই ঘটনা সংঘটিত হয়।
এ সংক্রান্ত একটি ভিডিও ফুটেজ ইতিমধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এবং গণমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায় ওই জামায়াত নেতা এক ব্যক্তিকে টাকা দিচ্ছেন এবং ঠিক সেই মুহূর্তে কয়েকজন লোক সেখানে উপস্থিত হয়ে ভিডিও ধারণ শুরু করলে তিনি দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করেন। স্থানীয় জনতা তার পিছু ধাওয়া করলেও শেষ পর্যন্ত ওই নেতা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যেতে সক্ষম হন। সিরাজগঞ্জ-২ আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থীর প্রধান নির্বাচনি এজেন্ট ও জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি শহিদুল ইসলাম দাবি করেন যে নির্বাচনের আগে কর্মীদের কেন্দ্র খরচ বাবদ টাকা দিতে হয় এবং ভিডিওর টাকাটি সেই খাতের হতে পারে। তিনি মন্তব্য করেন যে ভয়ের কারণে হয়তো ওই নেতা দৌড় দিয়েছেন তবে ভোট কেনার অভিযোগটি সত্য নয়।
জাপানের সঙ্গে ২৩টি বড় চুক্তি ও স্মারক সই: ২ লাখ নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ
অন্যদিকে সিরাজগঞ্জ-২ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীর প্রধান নির্বাচনি এজেন্ট ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান বাচ্চু জানান তিনি টাকা দিয়ে ভোট কিনতে গিয়ে জামায়াত নেতার পালানোর ভিডিওটি দেখেছেন। তিনি অভিযোগ করেন যে শুধু কামারখন্দ নয় বরং বিভিন্ন স্থানেই প্রতিপক্ষ একই ধরনের কার্যক্রম চালাচ্ছে এবং সাধারণ ভোটারদের কেন্দ্রে যেতে ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হচ্ছে। এই ঘটনার সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া উচিত বলে তিনি মনে করেন।
এ এম/ ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬




মন্তব্য করুন