হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

‘ছায়া মন্ত্রিসভা’ কী এবং বেতন আছে কি না—ব্যাখ্যা দিলেন ডা. তাসনিম জারা

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১০:৪২ অপরাহ্ন


ঢাকা, ১৬ ফেব্রুয়ারি – ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ লড়াইয়ের পর সরকার গঠনের দ্বারপ্রান্তে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট। আগামীকাল মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নবগঠিত সরকারের মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এর মাঝেই রাজনৈতিক অঙ্গন ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ‘ছায়া মন্ত্রিসভা’ বা শ্যাডো ক্যাবিনেট ধারণাটি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিয়েছেন জনপ্রিয় চিকিৎসক ও কনটেন্ট ক্রিয়েটর ডা. তাসনিম জারা।

সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক দীর্ঘ পোস্টে তিনি ছায়া মন্ত্রিসভার কার্যকারিতা, সুবিধা ও চ্যালেঞ্জ নিয়ে আলোকপাত করেন। ডা. জারা উল্লেখ করেন, বাংলাদেশে প্রচলিত রাজনীতি সাধারণত মিছিল-মিটিং আর রাজপথ কেন্দ্রিক। তবে ছায়া মন্ত্রিসভার সঠিক বাস্তবায়ন হলে এই ধারায় পরিবর্তন আসা সম্ভব।

আরও পড়ুন

কেশম দ্বীপে মার্কিন হামলার কথা স্বীকার করলেন ট্রাম্প, ইরানের সঙ্গে আলোচনায় অগ্রগতির দাবিও

ছায়া মন্ত্রিসভার সংজ্ঞা দিতে গিয়ে তিনি বলেন, সরকারে যেমন প্রতিটি মন্ত্রণালয়ের জন্য একজন মন্ত্রী থাকেন, বিরোধী দলও ঠিক একইভাবে প্রতিটি মন্ত্রণালয়ের বিপরীতে একজন করে ছায়া মন্ত্রী নিয়োগ দেয়। সরকারের কোনো ভুল বা ব্যর্থতা নজরে এলে ছায়া মন্ত্রী তার প্রতিবাদ করেন এবং বিকল্প সমাধান তুলে ধরেন। তবে এই পদের জন্য সরকার থেকে কোনো বেতন, গাড়ি বা বাড়তি সুবিধা দেওয়া হয় না। এটি সম্পূর্ণ স্বেচ্ছাসেবী একটি দায়িত্ব, যার মাধ্যমে বিরোধী দল দেশ পরিচালনায় নিজেদের যোগ্যতা প্রমাণের সুযোগ পায়।

কেন এই ব্যবস্থার প্রয়োজন, তার ব্যাখ্যায় তাসনিম জারা জানান, যখন কোনো মন্ত্রী জানেন যে তার কাজের পর্যালোচনার জন্য একজন দক্ষ ছায়া মন্ত্রী ও গবেষক দল প্রস্তুত আছেন, তখন স্বেচ্ছাচারী সিদ্ধান্ত নেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। এটি রাজনীতির মাঠ থেকে পেশিশক্তির প্রভাব কমিয়ে নীতিমালার রাজনীতি প্রতিষ্ঠায় সহায়তা করে। একজন ছায়া মন্ত্রীকে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে গভীর জ্ঞান রাখতে হয়, যা মেধাভিত্তিক রাজনীতির পথ প্রশস্ত করে।

তবে বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এর বাস্তবায়ন নিয়ে শঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি। তার মতে, বাস্তবে এটি কেবল পদবিসর্বস্ব হওয়ার ঝুঁকি থাকে। গবেষণায় শ্রম না দিয়ে বা দক্ষতা অর্জন না করে কেবল টিভি টকশোতে কথা বলার জন্য পদটি ব্যবহার করা হলে এই মডেল ব্যর্থ হবে। তবে অন্তত কয়েকটি মন্ত্রণালয়েও যদি এটি সফলভাবে প্রয়োগ করা যায়, তা রাজনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তনের সূচনা করতে পারে বলে তিনি মনে করেন।


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

‘ছায়া মন্ত্রিসভা’ কী এবং বেতন আছে কি না—ব্যাখ্যা দিলেন ডা. তাসনিম জারা

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

‘ছায়া মন্ত্রিসভা’ কী এবং বেতন আছে কি না—ব্যাখ্যা দিলেন ডা. তাসনিম জারা

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১০:৪২ অপরাহ্ন
Print Image
[ad_1] ঢাকা, ১৬ ফেব্রুয়ারি – ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ লড়াইয়ের পর সরকার গঠনের দ্বারপ্রান্তে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট। আগামীকাল মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নবগঠিত সরকারের মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এর মাঝেই রাজনৈতিক অঙ্গন ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ‘ছায়া মন্ত্রিসভা’ বা শ্যাডো ক্যাবিনেট ধারণাটি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিয়েছেন জনপ্রিয় চিকিৎসক ও কনটেন্ট ক্রিয়েটর ডা. তাসনিম জারা।সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক দীর্ঘ পোস্টে তিনি ছায়া মন্ত্রিসভার কার্যকারিতা, সুবিধা ও চ্যালেঞ্জ নিয়ে আলোকপাত করেন। ডা. জারা উল্লেখ করেন, বাংলাদেশে প্রচলিত রাজনীতি সাধারণত মিছিল-মিটিং আর রাজপথ কেন্দ্রিক। তবে ছায়া মন্ত্রিসভার সঠিক বাস্তবায়ন হলে এই ধারায় পরিবর্তন আসা সম্ভব।ছায়া মন্ত্রিসভার সংজ্ঞা দিতে গিয়ে তিনি বলেন, সরকারে যেমন প্রতিটি মন্ত্রণালয়ের জন্য একজন মন্ত্রী থাকেন, বিরোধী দলও ঠিক একইভাবে প্রতিটি মন্ত্রণালয়ের বিপরীতে একজন করে ছায়া মন্ত্রী নিয়োগ দেয়। সরকারের কোনো ভুল বা ব্যর্থতা নজরে এলে ছায়া মন্ত্রী তার প্রতিবাদ করেন এবং বিকল্প সমাধান তুলে ধরেন। তবে এই পদের জন্য সরকার থেকে কোনো বেতন, গাড়ি বা বাড়তি সুবিধা দেওয়া হয় না। এটি সম্পূর্ণ স্বেচ্ছাসেবী একটি দায়িত্ব, যার মাধ্যমে বিরোধী দল দেশ পরিচালনায় নিজেদের যোগ্যতা প্রমাণের সুযোগ পায়।কেন এই ব্যবস্থার প্রয়োজন, তার ব্যাখ্যায় তাসনিম জারা জানান, যখন কোনো মন্ত্রী জানেন যে তার কাজের পর্যালোচনার জন্য একজন দক্ষ ছায়া মন্ত্রী ও গবেষক দল প্রস্তুত আছেন, তখন স্বেচ্ছাচারী সিদ্ধান্ত নেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। এটি রাজনীতির মাঠ থেকে পেশিশক্তির প্রভাব কমিয়ে নীতিমালার রাজনীতি প্রতিষ্ঠায় সহায়তা করে। একজন ছায়া মন্ত্রীকে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে গভীর জ্ঞান রাখতে হয়, যা মেধাভিত্তিক রাজনীতির পথ প্রশস্ত করে।তবে বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এর বাস্তবায়ন নিয়ে শঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি। তার মতে, বাস্তবে এটি কেবল পদবিসর্বস্ব হওয়ার ঝুঁকি থাকে। গবেষণায় শ্রম না দিয়ে বা দক্ষতা অর্জন না করে কেবল টিভি টকশোতে কথা বলার জন্য পদটি ব্যবহার করা হলে এই মডেল ব্যর্থ হবে। তবে অন্তত কয়েকটি মন্ত্রণালয়েও যদি এটি সফলভাবে প্রয়োগ করা যায়, তা রাজনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তনের সূচনা করতে পারে বলে তিনি মনে করেন। [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×