হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

আখের রস নাকি ডাবের পানি- ইফতারে কোনটি খাবেন?

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৯:৪৬ পূর্বাহ্ন


রোজায় ইফতারের সময় এক গ্লাস ঠান্ডা পানীয় যেন প্রাণ জুড়িয়ে দেয়। অনেকেই ডাবের পানি বা আখের রস বেছে নেন। দুটিই প্রাকৃতিক, সতেজ ও পুষ্টিগুণে ভরপুর। তবে হাইড্রেশন, চিনির মাত্রা, ক্যালোরি ও হজম-সব দিক বিবেচনায় কোনটি বেশি উপকারী?

হাইড্রেশন ও ইলেক্ট্রোলাইট

আরও পড়ুন

জাপানের সঙ্গে ২৩টি বড় চুক্তি ও স্মারক সই: ২ লাখ নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ

ডাবের পানিতে প্রাকৃতিকভাবে পটাসিয়াম, সোডিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম থাকে। দীর্ঘ সময় রোজা রাখার ফলে শরীরে যে পানিশূন্যতা তৈরি হয়, তা দ্রুত পূরণে এই ইলেক্ট্রোলাইটগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। বিশেষ করে গরমের দিনে বা অতিরিক্ত ঘাম হলে ডাবের পানি শরীরকে দ্রুত হাইড্রেট করে।

অন্যদিকে আখের রসেও কিছু খনিজ উপাদান থাকে, তবে ডাবের পানির মতো সুষম ইলেক্ট্রোলাইট প্রোফাইল নেই। ফলে সরাসরি পানিশূন্যতা কাটাতে ডাবের পানি তুলনামূলকভাবে বেশি কার্যকর।

চিনির মাত্রা ও ক্যালোরি

হজমের উপর প্রভাব

রোজার পর অনেকের পেট সংবেদনশীল থাকে। আখের রসের উচ্চ চিনির ঘনত্ব অতিরিক্ত পান করলে পেট ফাঁপা বা অস্বস্তি তৈরি করতে পারে। ডাবের পানি হালকা ও সহজপাচ্য হওয়ায় হজমে কম সমস্যা সৃষ্টি করে। তাই ইফতারের শুরুতে ডাবের পানি পেটের জন্য আরামদায়ক হতে পারে।

পুষ্টিগুণের তুলনা

আখের রসে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, অল্প আয়রন ও ক্যালসিয়াম থাকে। ডাবের পানিতে পটাসিয়াম বেশি, যা পেশী ও স্নায়ুর কার্যকারিতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। হালকা পানিশূন্যতা, ডায়রিয়া বা হিট স্ট্রোকের সময় ডাবের পানি উপকারী বলে ধরা হয়। এমনকি অনেকের মতে এটি মাইগ্রেনের ঝুঁকিও কমাতে সাহায্য করতে পারে।

সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা

তাজা আখের রস দ্রুত পান করা উচিত, কারণ এটি সহজে নষ্ট হয়। বাইরে থেকে কেনার ক্ষেত্রে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ। ডাবের পানি খোলার পর ৪-৬ ঘণ্টার বেশি বাইরে রাখা উচিত নয়, তবে প্যাকেটজাত ডাবের পানি তুলনামূলকভাবে নিরাপদ ও সুবিধাজনক।

কোনটি বেছে নেবেন

যদি লক্ষ্য থাকে দ্রুত হাইড্রেশন ও শরীরকে সতেজ রাখা, তবে ডাবের পানি এগিয়ে। আর যদি তাৎক্ষণিক শক্তির প্রয়োজন হয়, তবে পরিমিত পরিমাণে আখের রস উপকারী হতে পারে।

সবচেয়ে ভালো উপায় হলো পরিমিতি বজায় রাখা। ইফতারে প্রথমে পানি বা ডাবের পানি দিয়ে শুরু করে পরে সীমিত পরিমাণে আখের রস নেওয়া যেতে পারে। সচেতন পছন্দই পারে আপনার ইফতারকে স্বাস্থ্যসম্মত ও উপভোগ্য করে তুলতে।


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

আখের রস নাকি ডাবের পানি- ইফতারে কোনটি খাবেন?

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

আখের রস নাকি ডাবের পানি- ইফতারে কোনটি খাবেন?

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৯:৪৬ পূর্বাহ্ন
Print Image
[ad_1] রোজায় ইফতারের সময় এক গ্লাস ঠান্ডা পানীয় যেন প্রাণ জুড়িয়ে দেয়। অনেকেই ডাবের পানি বা আখের রস বেছে নেন। দুটিই প্রাকৃতিক, সতেজ ও পুষ্টিগুণে ভরপুর। তবে হাইড্রেশন, চিনির মাত্রা, ক্যালোরি ও হজম-সব দিক বিবেচনায় কোনটি বেশি উপকারী?হাইড্রেশন ও ইলেক্ট্রোলাইটডাবের পানিতে প্রাকৃতিকভাবে পটাসিয়াম, সোডিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম থাকে। দীর্ঘ সময় রোজা রাখার ফলে শরীরে যে পানিশূন্যতা তৈরি হয়, তা দ্রুত পূরণে এই ইলেক্ট্রোলাইটগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। বিশেষ করে গরমের দিনে বা অতিরিক্ত ঘাম হলে ডাবের পানি শরীরকে দ্রুত হাইড্রেট করে।অন্যদিকে আখের রসেও কিছু খনিজ উপাদান থাকে, তবে ডাবের পানির মতো সুষম ইলেক্ট্রোলাইট প্রোফাইল নেই। ফলে সরাসরি পানিশূন্যতা কাটাতে ডাবের পানি তুলনামূলকভাবে বেশি কার্যকর।চিনির মাত্রা ও ক্যালোরিহজমের উপর প্রভাবরোজার পর অনেকের পেট সংবেদনশীল থাকে। আখের রসের উচ্চ চিনির ঘনত্ব অতিরিক্ত পান করলে পেট ফাঁপা বা অস্বস্তি তৈরি করতে পারে। ডাবের পানি হালকা ও সহজপাচ্য হওয়ায় হজমে কম সমস্যা সৃষ্টি করে। তাই ইফতারের শুরুতে ডাবের পানি পেটের জন্য আরামদায়ক হতে পারে।পুষ্টিগুণের তুলনাআখের রসে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, অল্প আয়রন ও ক্যালসিয়াম থাকে। ডাবের পানিতে পটাসিয়াম বেশি, যা পেশী ও স্নায়ুর কার্যকারিতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। হালকা পানিশূন্যতা, ডায়রিয়া বা হিট স্ট্রোকের সময় ডাবের পানি উপকারী বলে ধরা হয়। এমনকি অনেকের মতে এটি মাইগ্রেনের ঝুঁকিও কমাতে সাহায্য করতে পারে।সংরক্ষণ ও নিরাপত্তাতাজা আখের রস দ্রুত পান করা উচিত, কারণ এটি সহজে নষ্ট হয়। বাইরে থেকে কেনার ক্ষেত্রে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ। ডাবের পানি খোলার পর ৪-৬ ঘণ্টার বেশি বাইরে রাখা উচিত নয়, তবে প্যাকেটজাত ডাবের পানি তুলনামূলকভাবে নিরাপদ ও সুবিধাজনক।কোনটি বেছে নেবেনযদি লক্ষ্য থাকে দ্রুত হাইড্রেশন ও শরীরকে সতেজ রাখা, তবে ডাবের পানি এগিয়ে। আর যদি তাৎক্ষণিক শক্তির প্রয়োজন হয়, তবে পরিমিত পরিমাণে আখের রস উপকারী হতে পারে।সবচেয়ে ভালো উপায় হলো পরিমিতি বজায় রাখা। ইফতারে প্রথমে পানি বা ডাবের পানি দিয়ে শুরু করে পরে সীমিত পরিমাণে আখের রস নেওয়া যেতে পারে। সচেতন পছন্দই পারে আপনার ইফতারকে স্বাস্থ্যসম্মত ও উপভোগ্য করে তুলতে। [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×