শিরোনাম ::
সীমান্তে পাকিস্তান ও আফগান বাহিনীর মধ্যে ফের গুলি বিনিময়, বাড়ছে উত্তেজনা পিলখানা হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে তৎকালীন সরকারের প্রভাবশালীদের যোগসূত্র ছিল: জামায়াত আমির ভেনেজুয়েলা থেকে তেল আমদানি ও উৎপাদন বৃদ্ধি নিয়ে ট্রাম্পের বার্তা জুলাই বিপ্লবকে অপরাধ হিসেবে প্রতিষ্ঠার ঘৃণ্য অপচেষ্টা চলছে: সাদিক কায়েম ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন: ১৫ মার্চের মধ্যে ব্যয়ের হিসাব জমার নির্দেশ ইসির ২০২৫ সালে রেকর্ড ১২৯ সাংবাদিক নিহত, অধিকাংশের মৃত্যুর দায় ইসরায়েলের ভোলায় শিশু চুরির অভিযোগ মায়ের সাজানো নাটক, সন্তান মিলল খালার কাছে দেশকে বিনিয়োগবান্ধব ও ব্যবসা সহজীকরণের লক্ষ্য সরকারের: বাণিজ্যমন্ত্রী মিয়ানমারে সামরিক বিমান হামলায় শিশুসহ নিহত ১৭ লঙ্কার সামনে ১৬৯ রানের লক্ষ্য দিল নিউজিল্যান্ড
বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:৫৫ পূর্বাহ্ন
নোটিশ::
আমাদের নতুন ডোমেইনে আপনাকে স্বাগতম, কক্সবাজার পোস্ট ডটকমের জনপ্রিয়তাকে পুজিঁ করে অনেক নতুন ফেইসবুক পেইজ খোলা হয়েছে,তাদের কার্যকলাপের জন্য আমরা দায়ী নয়  

গভীর সাগরে দস্যুদের হামলায় আনোয়ারার ১১ জেলে আহত, গুলিবিদ্ধ ১

প্রতিবেদকের নাম:
আপডেট: বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬


চট্টগ্রাম, ২৫ ফেব্রুয়ারি – বঙ্গোপসাগরের গভীর জলসীমায় মাছ শিকারের সময় জলদস্যুদের বর্বরোচিত হামলার শিকার হয়েছেন চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার জেলেরা। কক্সবাজার জেলার গভীর সমুদ্রের মাঝামাঝি এলাকায় সংঘটিত এই ঘটনায় অন্তত ১১ জন জেলে আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় একজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। দস্যুরা তিনটি ফিশিং ট্রলার থেকে জ্বালানি তেল, জাল ও মাছ ধরার সরঞ্জামসহ প্রয়োজনীয় মালামাল লুট করে নিয়ে গেছে।

আহতদের মধ্যে মনি মাঝির (৫৮) অবস্থা গুরুতর। তিনি আনোয়ারার ৩ নম্বর রায়পুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব গহিরা এলাকার মৃত ছিদ্দিক আহমেদের ছেলে। স্থানীয় মো. জসিম কোম্পানির মালিকানাধীন একটি ফিশিং ট্রলারে কর্মরত ছিলেন তিনি। হামলার পর তাকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় আহত অন্য মাঝিদের মধ্যে রয়েছেন হেফাজ, আবুল হাসেম, জিয়াউল হক, আবুল কাশেম, আবদুর রহমান, আরফাত, জাবেদ, ফরিদ, জব্বার ও মিজান।

ভুক্তভোগী মাঝিরা জানান, মঙ্গলবার গভীর সমুদ্রে মাছ ধরার সময় মো. জসিম কোম্পানি, মো. হেফাজ কোম্পানি ও মো. কাশেম কোম্পানির মালিকানাধীন তিনটি ট্রলার জলদস্যুদের কবলে পড়ে। এ সময় দস্যুরা মাঝিদের মারধর ও বিভিন্নভাবে নির্যাতন করে। পরে ট্রলারগুলোর জ্বালানি ও সব সরঞ্জাম লুট করে নিয়ে যায়। হামলা শেষে চলে যাওয়ার সময় দস্যুরা নিজেদের বাঁশখালী, কুতুবদিয়া ও মহেশখালী এলাকার বাসিন্দা বলে পরিচয় দেয়।

হামলার শিকার একটি ট্রলার মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে এবং বাকি দুটি ট্রলার বুধবার বিকেলে আনোয়ারা উপকূলে ফিরে আসে। স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. মহিউদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, মাছ শিকারে গিয়ে তিনটি ট্রলার দস্যুদের কবলে পড়ে এবং মনি নামের এক মাঝি গুলিবিদ্ধ হন।

বার-আউলিয়া নৌ পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক মো. কামাল হোসেন জানান, ঘটনাস্থল কক্সবাজার জেলাধীন গভীর সমুদ্র এলাকায় হলেও ভুক্তভোগীরা আনোয়ারা উপজেলার। পুলিশ গহিরা এলাকায় গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করেছে এবং আহতদের খোঁজখবর নিয়েছে। অন্যদিকে, বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের জনসংযোগ কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সিয়ামুল হক জানিয়েছেন, একজন গুলিবিদ্ধ হওয়ার তথ্য তারা পেয়েছেন এবং সমুদ্রে কোস্টগার্ডের নিয়মিত টহল কার্যক্রম চলমান রয়েছে।



আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর: