হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

গভীর সাগরে দস্যুদের হামলায় আনোয়ারার ১১ জেলে আহত, গুলিবিদ্ধ ১

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৯:৩৯ অপরাহ্ন


চট্টগ্রাম, ২৫ ফেব্রুয়ারি – বঙ্গোপসাগরের গভীর জলসীমায় মাছ শিকারের সময় জলদস্যুদের বর্বরোচিত হামলার শিকার হয়েছেন চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার জেলেরা। কক্সবাজার জেলার গভীর সমুদ্রের মাঝামাঝি এলাকায় সংঘটিত এই ঘটনায় অন্তত ১১ জন জেলে আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় একজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। দস্যুরা তিনটি ফিশিং ট্রলার থেকে জ্বালানি তেল, জাল ও মাছ ধরার সরঞ্জামসহ প্রয়োজনীয় মালামাল লুট করে নিয়ে গেছে।

আহতদের মধ্যে মনি মাঝির (৫৮) অবস্থা গুরুতর। তিনি আনোয়ারার ৩ নম্বর রায়পুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব গহিরা এলাকার মৃত ছিদ্দিক আহমেদের ছেলে। স্থানীয় মো. জসিম কোম্পানির মালিকানাধীন একটি ফিশিং ট্রলারে কর্মরত ছিলেন তিনি। হামলার পর তাকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় আহত অন্য মাঝিদের মধ্যে রয়েছেন হেফাজ, আবুল হাসেম, জিয়াউল হক, আবুল কাশেম, আবদুর রহমান, আরফাত, জাবেদ, ফরিদ, জব্বার ও মিজান।

আরও পড়ুন

ঢাবির টিএসসিতে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

ভুক্তভোগী মাঝিরা জানান, মঙ্গলবার গভীর সমুদ্রে মাছ ধরার সময় মো. জসিম কোম্পানি, মো. হেফাজ কোম্পানি ও মো. কাশেম কোম্পানির মালিকানাধীন তিনটি ট্রলার জলদস্যুদের কবলে পড়ে। এ সময় দস্যুরা মাঝিদের মারধর ও বিভিন্নভাবে নির্যাতন করে। পরে ট্রলারগুলোর জ্বালানি ও সব সরঞ্জাম লুট করে নিয়ে যায়। হামলা শেষে চলে যাওয়ার সময় দস্যুরা নিজেদের বাঁশখালী, কুতুবদিয়া ও মহেশখালী এলাকার বাসিন্দা বলে পরিচয় দেয়।

হামলার শিকার একটি ট্রলার মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে এবং বাকি দুটি ট্রলার বুধবার বিকেলে আনোয়ারা উপকূলে ফিরে আসে। স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. মহিউদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, মাছ শিকারে গিয়ে তিনটি ট্রলার দস্যুদের কবলে পড়ে এবং মনি নামের এক মাঝি গুলিবিদ্ধ হন।

বার-আউলিয়া নৌ পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক মো. কামাল হোসেন জানান, ঘটনাস্থল কক্সবাজার জেলাধীন গভীর সমুদ্র এলাকায় হলেও ভুক্তভোগীরা আনোয়ারা উপজেলার। পুলিশ গহিরা এলাকায় গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করেছে এবং আহতদের খোঁজখবর নিয়েছে। অন্যদিকে, বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের জনসংযোগ কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সিয়ামুল হক জানিয়েছেন, একজন গুলিবিদ্ধ হওয়ার তথ্য তারা পেয়েছেন এবং সমুদ্রে কোস্টগার্ডের নিয়মিত টহল কার্যক্রম চলমান রয়েছে।


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

জাতীয়
Card Image

গভীর সাগরে দস্যুদের হামলায় আনোয়ারার ১১ জেলে আহত, গুলিবিদ্ধ ১

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

গভীর সাগরে দস্যুদের হামলায় আনোয়ারার ১১ জেলে আহত, গুলিবিদ্ধ ১

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৯:৩৯ অপরাহ্ন
Print Image
[ad_1] চট্টগ্রাম, ২৫ ফেব্রুয়ারি – বঙ্গোপসাগরের গভীর জলসীমায় মাছ শিকারের সময় জলদস্যুদের বর্বরোচিত হামলার শিকার হয়েছেন চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার জেলেরা। কক্সবাজার জেলার গভীর সমুদ্রের মাঝামাঝি এলাকায় সংঘটিত এই ঘটনায় অন্তত ১১ জন জেলে আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় একজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। দস্যুরা তিনটি ফিশিং ট্রলার থেকে জ্বালানি তেল, জাল ও মাছ ধরার সরঞ্জামসহ প্রয়োজনীয় মালামাল লুট করে নিয়ে গেছে।আহতদের মধ্যে মনি মাঝির (৫৮) অবস্থা গুরুতর। তিনি আনোয়ারার ৩ নম্বর রায়পুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব গহিরা এলাকার মৃত ছিদ্দিক আহমেদের ছেলে। স্থানীয় মো. জসিম কোম্পানির মালিকানাধীন একটি ফিশিং ট্রলারে কর্মরত ছিলেন তিনি। হামলার পর তাকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় আহত অন্য মাঝিদের মধ্যে রয়েছেন হেফাজ, আবুল হাসেম, জিয়াউল হক, আবুল কাশেম, আবদুর রহমান, আরফাত, জাবেদ, ফরিদ, জব্বার ও মিজান।ভুক্তভোগী মাঝিরা জানান, মঙ্গলবার গভীর সমুদ্রে মাছ ধরার সময় মো. জসিম কোম্পানি, মো. হেফাজ কোম্পানি ও মো. কাশেম কোম্পানির মালিকানাধীন তিনটি ট্রলার জলদস্যুদের কবলে পড়ে। এ সময় দস্যুরা মাঝিদের মারধর ও বিভিন্নভাবে নির্যাতন করে। পরে ট্রলারগুলোর জ্বালানি ও সব সরঞ্জাম লুট করে নিয়ে যায়। হামলা শেষে চলে যাওয়ার সময় দস্যুরা নিজেদের বাঁশখালী, কুতুবদিয়া ও মহেশখালী এলাকার বাসিন্দা বলে পরিচয় দেয়।হামলার শিকার একটি ট্রলার মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে এবং বাকি দুটি ট্রলার বুধবার বিকেলে আনোয়ারা উপকূলে ফিরে আসে। স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. মহিউদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, মাছ শিকারে গিয়ে তিনটি ট্রলার দস্যুদের কবলে পড়ে এবং মনি নামের এক মাঝি গুলিবিদ্ধ হন।বার-আউলিয়া নৌ পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক মো. কামাল হোসেন জানান, ঘটনাস্থল কক্সবাজার জেলাধীন গভীর সমুদ্র এলাকায় হলেও ভুক্তভোগীরা আনোয়ারা উপজেলার। পুলিশ গহিরা এলাকায় গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করেছে এবং আহতদের খোঁজখবর নিয়েছে। অন্যদিকে, বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের জনসংযোগ কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সিয়ামুল হক জানিয়েছেন, একজন গুলিবিদ্ধ হওয়ার তথ্য তারা পেয়েছেন এবং সমুদ্রে কোস্টগার্ডের নিয়মিত টহল কার্যক্রম চলমান রয়েছে। [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×