দোহা, ৩ মার্চ – ইরানের ড্রোন হামলার পর তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস বা এলএনজি উৎপাদন সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করেছে কাতার। সোমবার দেশটির দুটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় ড্রোন আঘাত হানার পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর মধ্যে একটি আঘাত হানে মেসাইদ ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিটির বিদ্যুৎকেন্দ্রের পানির ট্যাংকে এবং অন্যটি বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ গ্যাস উৎপাদনকারী কেন্দ্র রাস লাফফানে।
কাতার এনার্জি জানিয়েছে হামলায় কোনো হতাহতের ঘটনা না ঘটলেও নিরাপত্তার স্বার্থে ক্ষতিগ্রস্ত অংশের গ্যাস উৎপাদন বন্ধ রাখা হয়েছে।
কেশম দ্বীপে মার্কিন হামলার কথা স্বীকার করলেন ট্রাম্প, ইরানের সঙ্গে আলোচনায় অগ্রগতির দাবিও
রাস লাফফান থেকে উৎপাদিত গ্যাস বিশ্বের বিভিন্ন দেশে রপ্তানি করা হয়। এমন এক সময়ে এই হামলার ঘটনা ঘটল যখন ইরান হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দিয়েছে। এই পথ দিয়ে বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ জ্বালানি পরিবাহিত হয়।
রয়টার্সের তথ্যমতে হরমুজ প্রণালীতে বর্তমানে অন্তত ১৫০টি জাহাজ আটকা পড়ে আছে যার মধ্যে গ্যাসবাহী জাহাজও রয়েছে। গ্যাস সরবরাহ ব্যবস্থা এরই মধ্যে ৮৬ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে এবং প্রণালীর দুই প্রান্তে প্রায় ৭০০ জাহাজ অলস দাঁড়িয়ে আছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
কাতারের গ্যাস উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় বিশ্ববাজারে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে শুরু করেছে।
উল্লেখ্য বর্তমানে কাতার বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম গ্যাস রপ্তানিকারক দেশ।
এনএন/ ৩ মার্চ ২০২৬




মন্তব্য করুন