তেহরান, ৩ মার্চ – ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনী বা আইআরজিসি দাবি করেছে তাদের প্রতিশোধমূলক অপারেশন ট্রু প্রমিজ ৪ অভিযানের প্রথম দুই দিনে ৬৫০ জনেরও বেশি মার্কিন সামরিক কর্মকর্তা ও সদস্য হতাহত হয়েছেন। মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে অবস্থিত বিভিন্ন মার্কিন ঘাঁটি এবং যুদ্ধজাহাজ লক্ষ্য করে এই ব্যাপক হামলা চালানো হয়।
আইআরজিসির মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আলী মোহাম্মদ নায়েইনি জানিয়েছেন বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন নৌবাহিনীর সদরদপ্তর ও যুদ্ধজাহাজে ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। এই হামলার পর মার্কিন বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন ইরানের উপকূলীয় জলসীমা থেকে পিছু হটতে বাধ্য হয়। ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নায়েইনি আরও জানান পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলোতে ইরানি বাহিনী ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি সাধন করেছে। তিনি উল্লেখ করেন যুদ্ধের প্রথম দুই দিনে ৬৫০ জন মার্কিন সেনা হতাহত হওয়ার খবরটি আমেরিকানরা গোপন করলেও ইরানের গোয়েন্দা তথ্য এর সত্যতা নিশ্চিত করেছে।
৭ নভেম্বর উপলক্ষে জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলের শ্রদ্ধা
বাহরাইনে মার্কিন নৌবাহিনীর পঞ্চম নৌবহরের সদরদপ্তরে একাধিকবার আঘাত হেনেছে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র। সেখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে চালানো হামলায় ১৬০ জন মার্কিন সদস্য হতাহত হয়েছেন। পাশাপাশি ইরানের নৌবাহিনীর ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে মার্কিন নৌবাহিনীর এমএসটি কমব্যাট সাপোর্ট জাহাজ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে দাবি করা হয়। আইআরজিসির এই মুখপাত্র বলেন দক্ষিণ পূর্ব ইরানের চাবাহার উপকূল থেকে প্রায় আড়াইশ থেকে তিনশ কিলোমিটার দূরে অবস্থানরত ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন রণতরী লক্ষ্য করে চারটি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে ইরানের নৌবাহিনী। এই হামলার পর রণতরীটি ভারত মহাসাগরের দক্ষিণ পূর্ব দিকে সরে যায়। মূলত ইরানে ইসরায়েল এবং যুক্তরাষ্ট্রের চলমান আগ্রাসনের জবাবে ইরানি সামরিক বাহিনীর এই পদক্ষেপ বলে জানানো হয়েছে।
এসএএস/ ৩ মার্চ ২০২৬




মন্তব্য করুন