হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

মাদক মামলায় আসিফের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ, রায় ৯ মার্চ

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬, ০৮:৪৪ পূর্বাহ্ন


ঢাকা, ৫ মার্চ – অফিসে অবৈধভাবে চার বোতল বিদেশি মদ রাখার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী আসিফ আকবরের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। আদালতের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ৯ মার্চ মামলার যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ধার্য করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা জানিয়েছেন, প্রচলিত আইনের ধারায় অভিযোগ প্রমাণিত হলে শিল্পীর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড উভয়ই হতে পারে।

গত মঙ্গলবার ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালত-২ এর বিচারক আয়েশা আক্তার মৌসুমি সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ করে পরবর্তী কার্যক্রমের জন্য এই তারিখ নির্ধারণ করেন। আদালত সংশ্লিষ্ট সূত্রমতে, ৯ মার্চ যুক্তিতর্ক শেষে রায়ের জন্য দিন ঠিক করা হতে পারে, অথবা সেদিনই রায় ঘোষণা করার সম্ভাবনা রয়েছে।

আরও পড়ুন

নারায়ণগঞ্জে পুলিশ সদস্যকে পিটিয়ে হাত-পা ভাঙল ও রগ কাটল মাদক কারবারিরা

এ মামলায় মোট তিনজন সাক্ষী আদালতে তাদের জবানবন্দি প্রদান করেছেন। মামলার বাদী ও সিআইডির সাইবার তদন্ত শাখার উপ-পরিদর্শক প্রশান্ত কুমার সিকদার গত ১৫ ফেব্রুয়ারি সাক্ষ্য দেন। পরবর্তীতে গত মঙ্গলবার তদন্তকারী কর্মকর্তা সিআইডির উপ-পরিদর্শক জামাল উদ্দিন এবং শাহিনুল ইসলাম সাক্ষ্য প্রদান করলে সাক্ষ্যগ্রহণ পর্বের সমাপ্তি ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর মোহাম্মদ ওয়ালিউল ইসলাম তুষার।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০১৮ সালের ৬ জুন রাজধানীর পান্থপথে আর্ব এন্টারটেইনমেন্টের কার্যালয়ে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের একটি মামলায় গ্রেফতার অভিযানের সময় আসিফ আকবরের অফিস কক্ষ থেকে চার বোতল টাকিলা মদ উদ্ধার করা হয়। পরবর্তীতে লাইসেন্স ছাড়া বিদেশি মদ রাখার দায়ে ২০১৯ সালের ২৩ জুলাই তেজগাঁও থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়।

আইনজীবীদের মতে, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৮-এর ৩৬(১) টেবিলের ২৪(ক) ধারা অনুযায়ী লাইসেন্সবিহীন বিদেশি মদ সংরক্ষণ দণ্ডনীয় অপরাধ। অভিযোগ প্রমাণিত হলে আসামির সর্বোচ্চ ৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড হতে পারে। তবে সাজার মেয়াদ ও জরিমানার পরিমাণ আদালতের বিবেচনার ওপর নির্ভরশীল।


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

মাদক মামলায় আসিফের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ, রায় ৯ মার্চ

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

মাদক মামলায় আসিফের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ, রায় ৯ মার্চ

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬, ০৮:৪৪ পূর্বাহ্ন
Print Image
[ad_1] ঢাকা, ৫ মার্চ – অফিসে অবৈধভাবে চার বোতল বিদেশি মদ রাখার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী আসিফ আকবরের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। আদালতের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ৯ মার্চ মামলার যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ধার্য করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা জানিয়েছেন, প্রচলিত আইনের ধারায় অভিযোগ প্রমাণিত হলে শিল্পীর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড উভয়ই হতে পারে।গত মঙ্গলবার ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালত-২ এর বিচারক আয়েশা আক্তার মৌসুমি সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ করে পরবর্তী কার্যক্রমের জন্য এই তারিখ নির্ধারণ করেন। আদালত সংশ্লিষ্ট সূত্রমতে, ৯ মার্চ যুক্তিতর্ক শেষে রায়ের জন্য দিন ঠিক করা হতে পারে, অথবা সেদিনই রায় ঘোষণা করার সম্ভাবনা রয়েছে।এ মামলায় মোট তিনজন সাক্ষী আদালতে তাদের জবানবন্দি প্রদান করেছেন। মামলার বাদী ও সিআইডির সাইবার তদন্ত শাখার উপ-পরিদর্শক প্রশান্ত কুমার সিকদার গত ১৫ ফেব্রুয়ারি সাক্ষ্য দেন। পরবর্তীতে গত মঙ্গলবার তদন্তকারী কর্মকর্তা সিআইডির উপ-পরিদর্শক জামাল উদ্দিন এবং শাহিনুল ইসলাম সাক্ষ্য প্রদান করলে সাক্ষ্যগ্রহণ পর্বের সমাপ্তি ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর মোহাম্মদ ওয়ালিউল ইসলাম তুষার।মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০১৮ সালের ৬ জুন রাজধানীর পান্থপথে আর্ব এন্টারটেইনমেন্টের কার্যালয়ে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের একটি মামলায় গ্রেফতার অভিযানের সময় আসিফ আকবরের অফিস কক্ষ থেকে চার বোতল টাকিলা মদ উদ্ধার করা হয়। পরবর্তীতে লাইসেন্স ছাড়া বিদেশি মদ রাখার দায়ে ২০১৯ সালের ২৩ জুলাই তেজগাঁও থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়।আইনজীবীদের মতে, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৮-এর ৩৬(১) টেবিলের ২৪(ক) ধারা অনুযায়ী লাইসেন্সবিহীন বিদেশি মদ সংরক্ষণ দণ্ডনীয় অপরাধ। অভিযোগ প্রমাণিত হলে আসামির সর্বোচ্চ ৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড হতে পারে। তবে সাজার মেয়াদ ও জরিমানার পরিমাণ আদালতের বিবেচনার ওপর নির্ভরশীল। [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×