হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

ইরানের হুমকি দূর হলে তেলের দাম দ্রুত কমবে, জানালেন ট্রাম্প

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

সোমবার, ৯ মার্চ ২০২৬, ১১:১১ পূর্বাহ্ন


ওয়াশিংটন, ৯ মার্চ – মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার কারণে জ্বালানি তেলের দাম বাড়লেও তা নিতান্তই সাময়িক। তিনি দাবি করেন, ইরানের পারমাণবিক হুমকি শেষ হয়ে গেলে বিশ্ববাজারে তেলের দাম দ্রুত কমে আসবে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য হিলের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে। রবিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প উল্লেখ করেন, যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের নিরাপত্তা এবং শান্তির জন্য জ্বালানি তেলের দাম কিছুটা বৃদ্ধি পাওয়া খুব বড় কোনো বিষয় নয়।

এটিকে তিনি নিরাপত্তার জন্য ছোট একটি মূল্য হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। তিনি আরও বলেন, ইরানের পরমাণু হুমকি একবার ধ্বংস হয়ে গেলে স্বল্পমেয়াদে তেলের দাম দ্রুত কমে যাবে এবং যারা ভিন্নভাবে চিন্তা করে তারা কেবল মূর্খ। এদিকে ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার জেরে সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রে তেল ও গ্যাসের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা এবং বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম প্রায় ২০ শতাংশ বেড়েছে যা ২০২২ সালের জুলাইয়ের পর সর্বোচ্চ। এর মূল কারণ হিসেবে ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যকার সংঘাতকে চিহ্নিত করা হয়েছে।

আরও পড়ুন

জাপানের সঙ্গে ২৩টি বড় চুক্তি ও স্মারক সই: ২ লাখ নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ

এই সংঘাত সরবরাহ ব্যবস্থাকে আরও কঠিন করে তুলেছে এবং হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচলে দীর্ঘস্থায়ী ব্যাঘাতের আশঙ্কা তৈরি করেছে। সোমবার ব্রেন্ট ক্রুড ফিউচারের দাম ১৮ দশমিক ৩৫ ডলার বা ১৯ দশমিক ৮ শতাংশ বেড়ে ব্যারেল প্রতি ১১১ দশমিক শূন্য ৪ ডলারে পৌঁছেছে। পাশাপাশি মার্কিন ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট অপরিশোধিত তেলের ফিউচারের দাম ১৫ দশমিক ২৭ ডলার বা ১৬ দশমিক ৮ শতাংশ বেড়ে ১০৬ দশমিক ১৭ ডলারে দাঁড়িয়েছে। সেশনের শুরুতে এটি আরও বেশি ছিল। গত সপ্তাহে ব্রেন্ট ২৭ শতাংশ এবং ডব্লিউটিআই ৩৫ দশমিক ৬ শতাংশ বেড়েছে।

এই যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বিশ্বব্যাপী ভোক্তা ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোকে দীর্ঘ সময় ধরে জ্বালানির দাম বৃদ্ধির মুখে পড়তে হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। সরবরাহকারীরা ক্ষতিগ্রস্ত সুবিধার সঙ্গে লড়াই করছেন এবং জাহাজ চলাচলের ঝুঁকি ক্রমশ বাড়ছে। শীর্ষ তেল রফতানিকারক দেশ সৌদি আরব লোহিত সাগর দিয়ে তেলের চালান বাড়ালেও হরমুজ প্রণালী থেকে সৃষ্ট তেলের ঘাটতি পূরণের জন্য তা যথেষ্ট নয় বলে শিপিং তথ্যে দেখা গেছে। এএনজেডের সিনিয়র পণ্য কৌশলবিদ ড্যানিয়েল হাইন্স জানিয়েছেন, মধ্যপ্রাচ্যের উৎপাদকরা গুদামে তেল জমা হওয়ার কারণে উৎপাদন কমাচ্ছেন। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে তাদের তেলের কূপ বন্ধ করতে হয়, তবে শুধু উৎপাদনই কমবে না, সংঘাত শেষ হওয়ার পরও সরবরাহ পুনরায় স্বাভাবিক হতে অনেক সময় লাগবে। ফলে তেলের দাম দীর্ঘ সময় ধরে চড়া থাকতে পারে।

এস এম/ ৯ মার্চ ২০২৬


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

ইরানের হুমকি দূর হলে তেলের দাম দ্রুত কমবে, জানালেন ট্রাম্প

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

ইরানের হুমকি দূর হলে তেলের দাম দ্রুত কমবে, জানালেন ট্রাম্প

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: সোমবার, ৯ মার্চ ২০২৬, ১১:১১ পূর্বাহ্ন
Print Image
[ad_1] ওয়াশিংটন, ৯ মার্চ – মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার কারণে জ্বালানি তেলের দাম বাড়লেও তা নিতান্তই সাময়িক। তিনি দাবি করেন, ইরানের পারমাণবিক হুমকি শেষ হয়ে গেলে বিশ্ববাজারে তেলের দাম দ্রুত কমে আসবে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য হিলের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে। রবিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প উল্লেখ করেন, যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের নিরাপত্তা এবং শান্তির জন্য জ্বালানি তেলের দাম কিছুটা বৃদ্ধি পাওয়া খুব বড় কোনো বিষয় নয়।এটিকে তিনি নিরাপত্তার জন্য ছোট একটি মূল্য হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। তিনি আরও বলেন, ইরানের পরমাণু হুমকি একবার ধ্বংস হয়ে গেলে স্বল্পমেয়াদে তেলের দাম দ্রুত কমে যাবে এবং যারা ভিন্নভাবে চিন্তা করে তারা কেবল মূর্খ। এদিকে ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার জেরে সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রে তেল ও গ্যাসের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা এবং বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম প্রায় ২০ শতাংশ বেড়েছে যা ২০২২ সালের জুলাইয়ের পর সর্বোচ্চ। এর মূল কারণ হিসেবে ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যকার সংঘাতকে চিহ্নিত করা হয়েছে।এই সংঘাত সরবরাহ ব্যবস্থাকে আরও কঠিন করে তুলেছে এবং হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচলে দীর্ঘস্থায়ী ব্যাঘাতের আশঙ্কা তৈরি করেছে। সোমবার ব্রেন্ট ক্রুড ফিউচারের দাম ১৮ দশমিক ৩৫ ডলার বা ১৯ দশমিক ৮ শতাংশ বেড়ে ব্যারেল প্রতি ১১১ দশমিক শূন্য ৪ ডলারে পৌঁছেছে। পাশাপাশি মার্কিন ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট অপরিশোধিত তেলের ফিউচারের দাম ১৫ দশমিক ২৭ ডলার বা ১৬ দশমিক ৮ শতাংশ বেড়ে ১০৬ দশমিক ১৭ ডলারে দাঁড়িয়েছে। সেশনের শুরুতে এটি আরও বেশি ছিল। গত সপ্তাহে ব্রেন্ট ২৭ শতাংশ এবং ডব্লিউটিআই ৩৫ দশমিক ৬ শতাংশ বেড়েছে।এই যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বিশ্বব্যাপী ভোক্তা ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোকে দীর্ঘ সময় ধরে জ্বালানির দাম বৃদ্ধির মুখে পড়তে হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। সরবরাহকারীরা ক্ষতিগ্রস্ত সুবিধার সঙ্গে লড়াই করছেন এবং জাহাজ চলাচলের ঝুঁকি ক্রমশ বাড়ছে। শীর্ষ তেল রফতানিকারক দেশ সৌদি আরব লোহিত সাগর দিয়ে তেলের চালান বাড়ালেও হরমুজ প্রণালী থেকে সৃষ্ট তেলের ঘাটতি পূরণের জন্য তা যথেষ্ট নয় বলে শিপিং তথ্যে দেখা গেছে। এএনজেডের সিনিয়র পণ্য কৌশলবিদ ড্যানিয়েল হাইন্স জানিয়েছেন, মধ্যপ্রাচ্যের উৎপাদকরা গুদামে তেল জমা হওয়ার কারণে উৎপাদন কমাচ্ছেন। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে তাদের তেলের কূপ বন্ধ করতে হয়, তবে শুধু উৎপাদনই কমবে না, সংঘাত শেষ হওয়ার পরও সরবরাহ পুনরায় স্বাভাবিক হতে অনেক সময় লাগবে। ফলে তেলের দাম দীর্ঘ সময় ধরে চড়া থাকতে পারে।এস এম/ ৯ মার্চ ২০২৬ [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×