হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

ব্রাজিলের ফুটবল ম্যাচে ভয়াবহ সংঘর্ষ, এক ম্যাচেই ২৩ খেলোয়াড়কে লাল কার্ড!

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ০১:৫৭ অপরাহ্ন


ব্রাজিল, ১০ মার্চ – ব্রাজিলের ফুটবল ইতিহাসে একটি বিরল ও অবিশ্বাস্য ঘটনার সাক্ষী হলো ক্যাম্পোনাতো মিনেইরোর ফাইনাল। দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ক্লাব ক্রুজেইরো এবং অ্যাথলেটিকো মিনেইরোর মধ্যকার এই ম্যাচের একেবারে শেষ মুহূর্তে এক ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

পরিস্থিতি এতটাই নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায় যে, শেষ পর্যন্ত দুই দলের মোট ২৩ জন খেলোয়াড়কে লাল কার্ড দেখিয়ে মাঠ থেকে বের করে দেওয়া হয়। এই লাল কার্ড পাওয়া খেলোয়াড়দের মধ্যে ক্রুজেইরোর ১২ জন এবং অ্যাথলেটিকো মিনেইরোর ১১ জন রয়েছেন।

আরও পড়ুন

ইনানীতে নিয়ন্ত্রণহীন গ্যাসের আগুন ঘিরে আতঙ্ক, বিদ্যুৎহীন ৩ হাজার ৮০০ পরিবার

বেলো হরিজন্তে অনুষ্ঠিত এই ফাইনালে কাইও জর্হের করা একমাত্র গোলে ১ শূন্য ব্যবধানে জয়লাভ করে ক্রুজেইরো। সাবেক ব্রাজিল জাতীয় দলের কোচ তিতের অধীনে এই দলটি ২০১৯ সালের পর প্রথমবারের মতো মিনাস জেরাইস রাজ্যের চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে। তবে ম্যাচের শেষ মুহূর্তে ঘটা এই অনাকাঙ্ক্ষিত সহিংসতা চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পুরো আনন্দঘন পরিবেশকে ম্লান করে দেয়। পরিস্থিতি শান্ত করতে শেষ পর্যন্ত মাঠের নিরাপত্তাকর্মী এবং মিলিটারি পুলিশকে হস্তক্ষেপ করতে হয়। মূলত ঘটনার সূত্রপাত হয় যখন অ্যাথলেটিকো মিনেইরোর গোলরক্ষক এভারসন ক্রুজেইরোর মিডফিল্ডার ক্রিস্টিয়ানকে মাটিতে ফেলে দেন এবং তার বুকের ওপর হাঁটু তুলে দেন।

একটি লুজ বলের নিয়ন্ত্রণ নেওয়াকে কেন্দ্র করে এই সংঘর্ষের শুরু হয়। এরপরই ক্রিস্টিয়ানের সতীর্থরা ক্ষিপ্ত হয়ে এভারসনের দিকে ছুটে যান এবং ধাক্কাধাক্কি শুরু করেন। একপর্যায়ে তাকে গোলপোস্টের দিকে কোণঠাসা করে ফেলা হয়।

ধীরে ধীরে দুই দলের অন্যান্য খেলোয়াড়রাও এই হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন। মাঠের নিরাপত্তাকর্মীরা দুই পক্ষকে আলাদা করার আপ্রাণ চেষ্টা করলেও পরিস্থিতি খুব দ্রুত আরও বেশি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। ম্যাচ চলাকালীন রেফারি মাতেউস ডেলগাদো কান্দানকান তাৎক্ষণিকভাবে কোনো লাল কার্ড দেখাননি। তবে ব্রাজিলীয় সংবাদমাধ্যম গ্লোবোর প্রকাশিত খবরে জানানো হয়েছে, মাঠে সংঘর্ষের কারণে তাৎক্ষণিকভাবে কার্ড দেখানো সম্ভব না হওয়ায় পরে ২৩ জন খেলোয়াড়কে লাল কার্ডের শাস্তি দেওয়া হয়।

ক্রুজেইরোর কোচ তিতেও তার প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন। তিনি বলেন, আমি ক্রুজেইরো দলের সকল সমর্থকদের প্রতি গভীর ভালোবাসা এবং সম্মান জানাই। আমার হয়তো অনেক সীমাবদ্ধতা থাকতে পারে, কিন্তু ক্লাবের সমর্থক ও নিজের কাজের প্রতি ভালোবাসা এবং সততার কোনো ঘাটতি আমার কখনও ছিল না। এই তুমুল বিতর্কের পরও ব্রাজিলীয় ফুটবল ফেডারেশন এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি বা মন্তব্য প্রকাশ করেনি।

এদিকে চলতি মৌসুমে ব্রাজিলের শীর্ষ লিগে এই দুই ক্লাবের অবস্থাও খুব একটা ভালো নয়। লিগের চার ম্যাচ শেষ হওয়ার পরও তারা কোনো জয়ের দেখা পায়নি। বর্তমানে ক্রুজেইরো পয়েন্ট টেবিলের ১৭তম স্থানে অবস্থান করছে এবং অ্যাথলেটিকো মিনেইরো রয়েছে ১৯তম স্থানে।

এ এম/ ১০ মার্চ ২০২৬


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

ব্রাজিলের ফুটবল ম্যাচে ভয়াবহ সংঘর্ষ, এক ম্যাচেই ২৩ খেলোয়াড়কে লাল কার্ড!

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

ব্রাজিলের ফুটবল ম্যাচে ভয়াবহ সংঘর্ষ, এক ম্যাচেই ২৩ খেলোয়াড়কে লাল কার্ড!

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ০১:৫৭ অপরাহ্ন
Print Image
[ad_1] ব্রাজিল, ১০ মার্চ – ব্রাজিলের ফুটবল ইতিহাসে একটি বিরল ও অবিশ্বাস্য ঘটনার সাক্ষী হলো ক্যাম্পোনাতো মিনেইরোর ফাইনাল। দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ক্লাব ক্রুজেইরো এবং অ্যাথলেটিকো মিনেইরোর মধ্যকার এই ম্যাচের একেবারে শেষ মুহূর্তে এক ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।পরিস্থিতি এতটাই নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায় যে, শেষ পর্যন্ত দুই দলের মোট ২৩ জন খেলোয়াড়কে লাল কার্ড দেখিয়ে মাঠ থেকে বের করে দেওয়া হয়। এই লাল কার্ড পাওয়া খেলোয়াড়দের মধ্যে ক্রুজেইরোর ১২ জন এবং অ্যাথলেটিকো মিনেইরোর ১১ জন রয়েছেন।বেলো হরিজন্তে অনুষ্ঠিত এই ফাইনালে কাইও জর্হের করা একমাত্র গোলে ১ শূন্য ব্যবধানে জয়লাভ করে ক্রুজেইরো। সাবেক ব্রাজিল জাতীয় দলের কোচ তিতের অধীনে এই দলটি ২০১৯ সালের পর প্রথমবারের মতো মিনাস জেরাইস রাজ্যের চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে। তবে ম্যাচের শেষ মুহূর্তে ঘটা এই অনাকাঙ্ক্ষিত সহিংসতা চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পুরো আনন্দঘন পরিবেশকে ম্লান করে দেয়। পরিস্থিতি শান্ত করতে শেষ পর্যন্ত মাঠের নিরাপত্তাকর্মী এবং মিলিটারি পুলিশকে হস্তক্ষেপ করতে হয়। মূলত ঘটনার সূত্রপাত হয় যখন অ্যাথলেটিকো মিনেইরোর গোলরক্ষক এভারসন ক্রুজেইরোর মিডফিল্ডার ক্রিস্টিয়ানকে মাটিতে ফেলে দেন এবং তার বুকের ওপর হাঁটু তুলে দেন।একটি লুজ বলের নিয়ন্ত্রণ নেওয়াকে কেন্দ্র করে এই সংঘর্ষের শুরু হয়। এরপরই ক্রিস্টিয়ানের সতীর্থরা ক্ষিপ্ত হয়ে এভারসনের দিকে ছুটে যান এবং ধাক্কাধাক্কি শুরু করেন। একপর্যায়ে তাকে গোলপোস্টের দিকে কোণঠাসা করে ফেলা হয়।ধীরে ধীরে দুই দলের অন্যান্য খেলোয়াড়রাও এই হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন। মাঠের নিরাপত্তাকর্মীরা দুই পক্ষকে আলাদা করার আপ্রাণ চেষ্টা করলেও পরিস্থিতি খুব দ্রুত আরও বেশি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। ম্যাচ চলাকালীন রেফারি মাতেউস ডেলগাদো কান্দানকান তাৎক্ষণিকভাবে কোনো লাল কার্ড দেখাননি। তবে ব্রাজিলীয় সংবাদমাধ্যম গ্লোবোর প্রকাশিত খবরে জানানো হয়েছে, মাঠে সংঘর্ষের কারণে তাৎক্ষণিকভাবে কার্ড দেখানো সম্ভব না হওয়ায় পরে ২৩ জন খেলোয়াড়কে লাল কার্ডের শাস্তি দেওয়া হয়।ক্রুজেইরোর কোচ তিতেও তার প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন। তিনি বলেন, আমি ক্রুজেইরো দলের সকল সমর্থকদের প্রতি গভীর ভালোবাসা এবং সম্মান জানাই। আমার হয়তো অনেক সীমাবদ্ধতা থাকতে পারে, কিন্তু ক্লাবের সমর্থক ও নিজের কাজের প্রতি ভালোবাসা এবং সততার কোনো ঘাটতি আমার কখনও ছিল না। এই তুমুল বিতর্কের পরও ব্রাজিলীয় ফুটবল ফেডারেশন এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি বা মন্তব্য প্রকাশ করেনি।এদিকে চলতি মৌসুমে ব্রাজিলের শীর্ষ লিগে এই দুই ক্লাবের অবস্থাও খুব একটা ভালো নয়। লিগের চার ম্যাচ শেষ হওয়ার পরও তারা কোনো জয়ের দেখা পায়নি। বর্তমানে ক্রুজেইরো পয়েন্ট টেবিলের ১৭তম স্থানে অবস্থান করছে এবং অ্যাথলেটিকো মিনেইরো রয়েছে ১৯তম স্থানে।এ এম/ ১০ মার্চ ২০২৬ [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×