হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

বাংলাদেশের বাড়তি ডিজেল আমদানির অনুরোধ পর্যালোচনা করছে ভারত

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ০৫:৩৪ পূর্বাহ্ন


ঢাকা, ১২ মার্চ – মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে জ্বালানি সংকট তৈরি হতে পারে এমন আশঙ্কায় ভারত থেকে অতিরিক্ত ডিজেল আমদানির অনুরোধ জানিয়েছে বাংলাদেশ। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আনুষ্ঠানিকভাবে এই অনুরোধ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানান, বাংলাদেশকে এই বাড়তি জ্বালানি সরবরাহ করার আগে ভারত তাদের নিজস্ব মজুত, অভ্যন্তরীণ চাহিদা এবং তেল শোধনাগারগুলোর সক্ষমতা যাচাই করে দেখবে। তিনি আরও জানান, ভারত এই অঞ্চলের পরিশোধিত জ্বালানি তেলের একটি বড় রপ্তানিকারক দেশ। বাংলাদেশ সরকারের কাছ থেকে বাড়তি ডিজেল সরবরাহের আনুষ্ঠানিক চিঠিটি বর্তমানে পরীক্ষা করা হচ্ছে। শুধু বাংলাদেশ নয়, শ্রীলঙ্কা ও মালদ্বীপের মতো প্রতিবেশী দেশগুলো থেকেও একই ধরনের অনুরোধ পেয়েছে ভারত।

আরও পড়ুন

ইনানীতে নিয়ন্ত্রণহীন গ্যাসের আগুন ঘিরে আতঙ্ক, বিদ্যুৎহীন ৩ হাজার ৮০০ পরিবার

বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতার কারণে প্রতিটি দেশের অনুরোধ নিজস্ব সক্ষমতা সাপেক্ষে বিবেচনা করার নীতি গ্রহণ করেছে নয়াদিল্লি।

এর আগে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদের সঙ্গে ভারতীয় হাই কমিশনার প্রণয় ভার্মা সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। বৈঠক শেষে মন্ত্রী জানান, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের প্রভাবে সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ার শঙ্কা থেকে ভারতকে এই বাড়তি ডিজেল সরবরাহের অনুরোধ করা হয়েছে। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন আগামী চার মাসে বর্তমান বরাদ্দের বাইরে অতিরিক্ত ৫০ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল সরবরাহের প্রস্তাব দিয়েছে। বর্তমানে বাংলাদেশ ও ভারত মৈত্রী পাইপলাইনের মাধ্যমে বছরে প্রায় এক লাখ আশি হাজার টন ডিজেল আমদানির দীর্ঘমেয়াদী চুক্তি রয়েছে।

ভারতীয় হাই কমিশনার প্রণয় ভার্মা জানিয়েছেন, তিনি বাংলাদেশের অনুরোধের চিঠিটি গ্রহণ করেছেন এবং তা দ্রুত ভারত সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠিয়ে দেবেন। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের অন্যতম শক্তিশালী স্তম্ভ বলেও তিনি উল্লেখ করেন।


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

বাংলাদেশের বাড়তি ডিজেল আমদানির অনুরোধ পর্যালোচনা করছে ভারত

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

বাংলাদেশের বাড়তি ডিজেল আমদানির অনুরোধ পর্যালোচনা করছে ভারত

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ০৫:৩৪ পূর্বাহ্ন
Print Image
[ad_1] ঢাকা, ১২ মার্চ – মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে জ্বালানি সংকট তৈরি হতে পারে এমন আশঙ্কায় ভারত থেকে অতিরিক্ত ডিজেল আমদানির অনুরোধ জানিয়েছে বাংলাদেশ। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আনুষ্ঠানিকভাবে এই অনুরোধ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানান, বাংলাদেশকে এই বাড়তি জ্বালানি সরবরাহ করার আগে ভারত তাদের নিজস্ব মজুত, অভ্যন্তরীণ চাহিদা এবং তেল শোধনাগারগুলোর সক্ষমতা যাচাই করে দেখবে। তিনি আরও জানান, ভারত এই অঞ্চলের পরিশোধিত জ্বালানি তেলের একটি বড় রপ্তানিকারক দেশ। বাংলাদেশ সরকারের কাছ থেকে বাড়তি ডিজেল সরবরাহের আনুষ্ঠানিক চিঠিটি বর্তমানে পরীক্ষা করা হচ্ছে। শুধু বাংলাদেশ নয়, শ্রীলঙ্কা ও মালদ্বীপের মতো প্রতিবেশী দেশগুলো থেকেও একই ধরনের অনুরোধ পেয়েছে ভারত।বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতার কারণে প্রতিটি দেশের অনুরোধ নিজস্ব সক্ষমতা সাপেক্ষে বিবেচনা করার নীতি গ্রহণ করেছে নয়াদিল্লি।এর আগে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদের সঙ্গে ভারতীয় হাই কমিশনার প্রণয় ভার্মা সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। বৈঠক শেষে মন্ত্রী জানান, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের প্রভাবে সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ার শঙ্কা থেকে ভারতকে এই বাড়তি ডিজেল সরবরাহের অনুরোধ করা হয়েছে। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন আগামী চার মাসে বর্তমান বরাদ্দের বাইরে অতিরিক্ত ৫০ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল সরবরাহের প্রস্তাব দিয়েছে। বর্তমানে বাংলাদেশ ও ভারত মৈত্রী পাইপলাইনের মাধ্যমে বছরে প্রায় এক লাখ আশি হাজার টন ডিজেল আমদানির দীর্ঘমেয়াদী চুক্তি রয়েছে।ভারতীয় হাই কমিশনার প্রণয় ভার্মা জানিয়েছেন, তিনি বাংলাদেশের অনুরোধের চিঠিটি গ্রহণ করেছেন এবং তা দ্রুত ভারত সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠিয়ে দেবেন। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের অন্যতম শক্তিশালী স্তম্ভ বলেও তিনি উল্লেখ করেন। [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×